2025-04-03@11:56:56 GMT
إجمالي نتائج البحث: 22

«র র পসর»:

    ‘‘আট-দশ বছর আগেও ঈদ এলে দোকানে সাজানো থাকতো বাহারি রঙের ঈদকার্ড। সেগুলো পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকায় বিক্রি হতো। নানা বয়সী মানুষের ব্যাপক চাহিদা ছিল ঈদকার্ডে। এখন মানুষ আর ঈদকার্ড কেনে না। মোবাইলে শুভেচ্ছা ও ভাবের আদান-প্রদান করে।’’ রবিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে কথাগুলো বলছিলেন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা বাজারের সামাদ কসমেটিকসের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ। তিনি বলেন, ‘‘প্রায় ৪০ বছর ধরে কসমেটিকসের ব্যবসা করছি। আমার দোকানে অন্তত দুই হাজার ধরনের পণ্যের পসরা রয়েছে। তবে সেখানে ঈদকার্ড নেই।’’  তিনি বলেন, ‘‘বন্ধু তুমি অনেক দূরে, তাইতো তোমায় মনে পড়ে; সুন্দর এই সময় কাটুক খুশিতে, সব কষ্ট ভুলে যেও আপনজনের হাসিতে।’ ‘বাকা চাঁদের হাসিতে, দাওয়াত দিলাম আসিতে; আসতে যদি না পার, ঈদ মোবারক গ্রহণ কর।’ ঈদ ঘিরে প্রায় এক...
    এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে সন্ধ্যায় মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। শিলংয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ইতোমধ্যে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে। আক্রমণের পসরা সাজিয়েও প্রথমার্ধে কোনো গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। গোলশূন্যভাবে শেষ হয়েছে প্রথম ৪৫ মিনিটের খেলা। ঢাকা/আমিনুল
    এক পাউন্ড জিলাপি ৯ ডলার। এক বাক্স ইফতারি—তাতে বেগুনি, পেঁয়াজু, জিলাপি, খেজুরের সঙ্গে খানিকটা তেহারিও আছে দাম ১০ ডলার। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি পাড়া জ্যাকসন হাইটসের রেস্তোরাঁগুলো বিকেল থেকেই পসরা সাজিয়ে বসেছে। আর সারি সারি ট্রে-ভরা মুরগি, খাসি, গরুর মাংসের নানা ধরনের কাবাব, চপ, পরোটা আর বিভিন্ন মিষ্টান্ন তো আছেই। আছে খেজুরের গুড়ের জিলাপি কিংবা দুধসেমাই।কিন্তু জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় বিকেল পাঁচটার সেই ভিড়টা কই, যা গত বছর রোজার দিনগুলোতেও ছিল? ১৮ মার্চ ২০২৫ বিকেলে ডাইভারসিটি প্লাজা এত ফাঁকা লাগছে কেন? ইফতারের সময় ৭টা ৬ মিনিট। রেস্তোরাঁর দোকানি, কর্মচারী—যাঁরা বেশির ভাগই বাঙালি, বাংলায় কথা বলেন; জানালেন, হঠাৎ করেই রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে গেছে এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন, তারপর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নানা ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ;...
    খাবারদাবারের বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ বেশ শৌখিন। এর প্রভাব পড়েছে ইফতারেও। এখানকার মানুষের ইফতারে প্রচলিত পুরোনো পদ ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, মুড়ি ও খেজুরের সঙ্গে যোগ হয়েছে গরুর মাংসের হালিম, কাবাব, চিকেন ফ্রাই, বুন্দিয়া, শাশলিকসহ নানা মুখরোচক পদ।ব্রাহ্মণবাড়িয়া মূলত এক রাস্তার শহর। কাউতলী থেকে ঘাটুরা পর্যন্ত সড়কটি জেলার একমাত্র প্রধান সড়ক। সড়কের দুই পাশে সব হোটেল ও রেস্তোরাঁ অবস্থিত। পবিত্র রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিনই শহরের এই প্রধান সড়কসংলগ্ন রেস্তোরাঁর সামনে দোকানিরা বিভিন্ন মুখরোচক খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেন।এক বিকেলে দেখা গেল, জেলা শহরের টি এ রোডের শাহি বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারিতে অর্ধশত পদের ইফতারির পসরা সাজানো হয়েছে। এখানে শুধু পবিত্র রমজান মাসে গরুর মাংসের হালিম, চিকেন ফ্রাই, শাশলিক, কাবাব, বুন্দিয়া, বোরহানি ও রেশমি জিলাপির চাহিদা বেশি। প্রতি কেজি গরুর মাংসের হালিম বিক্রি হচ্ছে...
    বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দুই বন্ধু ফাহমিদা আখতার ও কাকলী তানভীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিন দশকের পুরনো দুই সই (বন্ধু) গড়ে তুলেছেন ‘ওলো সই’ নামের দেশীয় পোশাকের প্রতিষ্ঠান। ওলো সই-তে মূলত শাড়ির আয়োজনই প্রধান।  দেশীয় তাঁতের শাড়ি সম্প্রসারণে তারা রাখতে চান বিশেষ ভূমিকা। আসন্ন ঈদকে ক্রেতাদের কাছে রঙিন করতে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন ফাহমিদা আর কাকলী। বাংলার তাঁতকে বিশেষ গৌরবময় মোটিভ আর নকশার কারুকাজ দিয়ে ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরছেন তারা। ক্রেতাদের কাছে সহজেই শাড়ি এবং অন্য পণ্য পৌঁছে দিতে রাজধানীর লালমাটিয়াতে যেমন শোরুম করেছেন একইভাবে নিজেদের ফেসবুক পেইজেও সাজিয়েছেন পণ্যের পসরা। ক্রেতারা শোরুমে গিয়ে যেমন পণ্য পরখ করে নিতে পারছেন আবার অনলাইনেও অর্ডার করতে পারছেন। ওলো সইয়ের এবারের ঈদ আয়োজনে দেখা গেলো খাদি, সিল্ক, তন্তুজ, মটকা, তসর, লিনেন,...
    ‘উৎসব উদযাপন হবে দেশের পোশাকে’ এই ধারণা সম্প্রসারণে দেশের অনেক উদ্যোক্তা কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষত নারীরা বাংলার তাঁতের শাড়ি সম্প্রসারণে নিয়েছেন বিশেষ ভূমিকা। নকশায় যোগ হয়েছে আধুনিকতা। ছাপিয়ে যায়নি হারিয়ে যাওয়া গৌরবময় মোটিফও। আসন্ন ঈদে ‘ওলো সই’-এর দুই কর্ণধার ফাহমিদা আখতার ও কাকলী তানভীর তাঁতের শাড়িই তুলে দিতে চান ক্রেতাদের হাতে।  শাড়িতে উৎসবের রং আরো পড়ুন: ফায়জার ঈদ পোশাকে ‘প্রতিবাদ’ লোপার ঈদ কালেকশনে যা থাকছে  ওলো সইয়ের এবারের ঈদ কালেকশনে দেখা গেলো খাদি, তন্তুজ, মটকা, তসর, লিনেন, মসলিন, টাঙ্গাইল এবং মনিপুরী শাড়ি। আরও রয়েছে মনিপুরী ওড়না। ফাহমিদা আখতার ও কাকলী তানভীর রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘‘আমরা হ্যান্ডলুম শাড়িই বেশি বিক্রি করি। চলতি বছরে খাদি, তাঁতের সুতি শাড়ি এবং মনিপুরীর চাহিদা বেশি রয়েছে।’’ ...
    মারুফা মিতু, পেশায় শিক্ষক আর নেশায় একজন আর্টিস্ট। প্রকৃতির রং, রূপ, সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলেন পোশাকের জমিনে। মিতুর অনলাইন উদ্যোগ ‘রানী কুটির’-এর হ্যান্ডপেইন্ট বা হাতে আঁকা নকশার পোশাক সারা দেশের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে গেছে। বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে হাতে আঁকা নকশার জন্য। দেশের নন্দিত সংগীতশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা রানী কুটিরের নিয়মিত গ্রাহক বলে জানান মারুফা মিতু। এ ছাড়া দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের প্রবাসী বাঙালিরা অনলাইনে অর্ডার করে সংগ্রহ করে থাকেন রানী কুটিরের পোশাক।  মারুফা মিতুর রাইজিংবিডিকে জানিয়েছেন তার ঈদের কালেকশন সম্পর্কে। তিনি বলেন, ‘এবার ঈদ কালেকশনে হাতে আঁকা শাড়ী,পাঞ্জাবি, বেবী ড্রেস ও কুর্তি পিস থাকছে। ক্লায়েন্টদের পছন্দকেই প্রাধান্য দিয়ে আমি কাজ করছি। ক্লায়েন্ট দের ফরমায়েশিতে পিওর মসলিন, রাজশাহী সফট সিল্ক ও সেমি মসলিন শাড়ীতে পেইন্টিং করা হয়েছে। পাঞ্জাবির কাপড়...
    মুরাদনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে আগাম উঠেছে গ্রীষ্মকালীন রসালো ফল তরমুজ। ব্যবসায়ীরা ফলটির পসরা সাজিয়ে বসেছেন। হাঁকডাক বাড়ছে তরমুজ বেচাকেনায়। ফলের দোকানগুলোতে তরমুজ প্রচুর পরিমাণে দেখা গেলেও চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। দাম চড়া থাকায় স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে এই ফল। তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ক্রেতারা। প্রশাসন যদি নিয়মিত বাজার মনিটরিং করে, তাহলে তরমুজসহ বাজারের নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা। গতকাল শুক্রবার কোম্পানীগঞ্জ বাজার ও মুরাদনগর উপজেলা সদর বাজার দেখা গেছে, মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীরা সারি সারি করে তরমুজ সাজিয়ে রেখেছেন। তাদের কাছে ২০০ থেকে ৬০০ টাকা দামের তরমুজ রয়েছে। মনমতো হলে কেউ কিনে নিচ্ছেন, আবার কেউ অতিরিক্ত দামের কারণে না কিনে চলে যাচ্ছেন। তরমুজ কিনতে আসা চাকরিজীবী আল আমিন বলেন, বাজারে আগাম...
    কাবাব, কোফতা, রোস্ট, হালুয়া, গ্রিল–তন্দুরি থেকে বুট, বুন্দিয়া, বেগুনি, পেঁয়াজু, জিলাপি। হরেক স্বাদের বিরিয়ানি, মোরগ পোলাও থেকে শুরু করে বাহারি কাচ্চি। লাচ্ছি, ফালুদা থেকে শুরু করে টক দইয়ের ঘোল। কী নেই বগুড়ার বাহারি ইফতারির বাজারে!রোববার রমজানের প্রথম দিনেই বগুড়া শহরের ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত রেস্তোরাঁ—সবখানেই ছিল বাহারি ইফতারির পসরা। শহরের কাঁঠালতলা, বড়মসজিদ লেনের সামনে, ফতেহ আলী মাজারের সামনে ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। এখানাকার মূল আয়োজন ছিল জিলাপি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনিসহ নানা সামগ্রী। অভিজাত ক্রেতাদের ইফতারির বাজার হিসেবে পরিচিত জলেশ্বরীতলার ইফতারির বাজারে মূল আকর্ষণ ছিল হালিম, মুরগির রোস্ট, কাবাব ও কাচ্চি বিরিয়ানি। সুস্বাদু এসব ইফতারির স্বাদ নিতে ভিড় করেন ক্রেতারা। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানে দোকানে ভিড় বাড়তে থাকে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় ইফতারসামগ্রীর দাম কিছুটা বেড়েছে।শহরের...
    সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস ছিল গতকাল রোববার। তবে বদলে গিয়েছিল জীবনযাত্রার চেনা ছক। সকালবেলা মুখে কিছু না তুলেই অফিস-কাছারি পথে পা বাড়িয়েছেন লোকজন। জীবন–জীবিকার দায় মেটাতে যাঁর যা কাজ তাতে নিয়োজিত হয়েছেন। এদিকে বেলা যায় তবু ক্ষুধা–তৃষ্ণার কথা মুখে নেই। পবিত্র মাহে রমজান পাল্টে দিয়েছে ব্যক্তিজীবন থেকে ঘরসংসারের গতানুগতিক কাজের ধারা।শনিবার সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখার ঘোষণার পর থেকেই মূলত মাহে রমজানের আবহ ছড়িয়ে পড়ে মুসলিম পরিবারগুলোয়। এশার নামাজের পর সারা দেশে মসজিদগুলোয় খতম তারাবিহর প্রথম জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীতে মসজিদগুলোয় এশার ওয়াক্ত থেকেই নামাজিদের উপস্থিতি বেড়ে যায়। অধিকাংশ বাড়িতেই বরাবরের চেয়ে তুলনামূলক আগেই রাতের খাবার পর্ব শেষ করা হয়। গৃহিণীরা প্রস্তুতি নেন শেষরাতে সাহ্‌রির খাবারের আয়োজন করতে।সকালে নাশতা তৈরি নিয়ে যে ব্যস্ততা থাকে, গতকাল তা ছিল না। বেলা গড়ানোর পর...
    চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিপণিবিতান। নিউমার্কেট হিসাবে খ্যাত এই মার্কেট ঈদ বাজারের প্রধান কেন্দ্র। তখনও ঈদের বাকি এক মাস, এরই মধ্যে মা ও বোনকে নিয়ে ঈদবাজার করতে এসেছেন মো. রিয়াদ। ঈদ মার্কেটে ভিড় এড়াতে তিনি আগেভাগে পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছেন। ভিড় না থাকায় দামাদামি ও পছন্দমতো কেনাকাটার সুযোগও থাকে। শুধু রিয়াদ নন, রমজান শুরুর আগে বা রমজানের প্রথম সপ্তাহেই অনেকে ঈদের কেনাকাটা সেরে নেন। ব্যবসায়ীরাও রমজানের আগেই ক্রেতাদের জন্য পছন্দমতো ঈদ পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়েছেন। তবে ঈদবাজারকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।  শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ : ঈদের পোশাকের তালিকায় শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ না হলেই নয়। পোশাকটাও হওয়া চাই একটু জমকালো। বিপণিবিতানের আলিফ ফ্যাশনের বিক্রেতা বলেন, ‘ঈদের বাজারে একটু জমকালো পোশাকের মধ্যে জর্জেট, সিল্কের চাহিদা বেশি। আর...
    বছর ঘুরে আবারো এলো পবিত্র মাহে রমজান। প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই জমে উঠেছে কুমিল্লার ইফতার বাজার। ইফতার দোকানে ছিল হরেক রকমের ইফতারির আইটেমে সমাহার। কুমিল্লা নগরীতে প্রথমদিনে ইফতারের বাজার জমজমাট ছিল। রবিবার (২ মার্চ) দুপুরের পরপরই শহরের অভিজাত রেস্তোরাঁ থেকে ফুটপাত ও অলিগলি সর্বত্রই ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা।   বিশেষ করে শহরের নিউমার্কেট, রামঘাটস্থ, পদুয়া বাজার (বিশ্বরোড), চকবাজার, রানীবাজার, রাজগঞ্জ বাজারে ইফতার ব্যবসায়ীদের হাঁকডাক ছিল বেশি। এসব এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ইফতারের দোকানে ক্রেতারা ভিড় করছেন। বেশিরভাগ মানুষই পেয়াজু, বেগুনি, ছোলা ও জিলাপি কিনছেন। হুড়োহুড়ি করে নগরীর বধূয়া ফুড ভিলেজের থেকে হালিম কিনছেন অনেকে। আরো পড়ুন: স্বাগতম মাহে রমজান! রাজধানীর মসজিদে মসজিদে তারাবির জামাতে মুসল্লিদের ঢল হালিমের পাশাপাশি ক্রেতাদের পছন্দের...
    শুরু হয়েছে সিয়াম সাধনার মাস রমজান। সিয়াম সাধনার এ মাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অনুষঙ্গ ইফতারি। রোজার প্রথম দিন নারায়ণগঞ্জ শহরের অভিজাত রেঁস্তোরা থেকে পাড়া-মহল্লার দোকান পর্যন্ত সর্বত্র বাহারি পসরায় সেজেছে ইফতার বাজার। আর জমজমাট মুখরোচক ইফতার বাজারে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়। সরজমিনে রবিবার (২ মার্চ)  ঘুরে দেখা যায়, শহরের সুগন্ধা প্লাস, সুইট নেশন, প্যারিস বাগেট, বৈশাখী রেস্তোরাঁ, ঘরোয়া, আনন্দ, গ্রেন্ড হল, মেলা ফুড ভিলেজ, হোয়াইট হাউজ, রোজা বেকারীসহ বিভিন্ন ফাস্ট ফুডের দোকানে বেলা বাড়ার সাথে সাথে শুরু হয় ব্যবসায়ীদের ইফতার সাজানোর কাজ। দুপুর থেকে শুরু হয় বেচাকেনা, তবে বিকেলের দিকে গড়াতে থাকে ততই বাড়তে থাকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ভীড়। বাড়তে থাকে কোলাহল। জমে ওঠে থরে থরে সাজানো রকমারি ইফতার বিক্রির ধুম। এছাড়া খাবারের সাধারণ দোকানগুলোর পাশাপাশি রয়েছে অস্থায়ী ইফতারের দোকান। নগরীর মোড়ে মোড়ে...
    রেশমি চুড়ি, আলতা, চিরুনি, হাঁড়ি-পাতিল, খুন্তি-কড়াই, পানের বাটা, খেলনা, মিষ্টান্ন—কী নেই এখানে। হরেক রকম পণ্যের পসরা মেলা চত্বরে। ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সবাই নারী। শিশুরা থাকলেও নারীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। দোকানদার ছাড়া সেখানে কোনো পুরুষ সদস্যের ঢোকার অনুমতি নেই। এভাবে নারীদের বেশি অংশগ্রহণের কারণে এর নামকরণ হয়েছে ‘বউ মেলা’।বগুড়ার গাবতলী উপজেলার  ইছামতী নদীর তীরের পশ্চিম মহিষাবান ত্রিমোহিনী এলাকায় তিন দশকের বেশি সময় ধরে বসছে এই ‘বউ মেলা’। দিনব্যাপী এ মেলায় ঘুরে নারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কিনে থাকেন। অন্যবারের ধারাবাহিকতায় আজ মাঘ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার এ মেলা বসেছে। এর আগের দিন একই জায়গায় বসেছিল পোড়াদহ মেলা। আজ সকাল থেকেই ‘বউ মেলায়’ নারীদের ঢল নামে।আরও পড়ুনএকটি মিষ্টির দাম ১০ হাজার টাকা, ৩৫ হাজারে বিক্রি হলো একটি মাছ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫এ অবস্থা দেখে মেলার আয়োজক...
    অমর একুশে বইমেলার প্রথম সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। স্টল নির্মাণ নিয়ে হাতুড়ি–বাটালির ঠুকঠাক এখনো চলছে। বারোয়ারি মেলার আবহ আবার ফিরতে শুরু করেছে প্রবেশপথে। বিশেষ করে টিএসসির পাশের ফটকের সামনে থেকে মেলার মূল প্রাঙ্গণ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে বসেছে হরেক পণ্যের পসরা। সেখানে কচি ডাবের পুডিং থেকে শুরু করে চুড়ি, ফিতা, ইমিটেশনের গয়না, ভিউকার্ড, কাপড়ের পুতুলসহ বিকোচ্ছে অনেক কিছু।গতকাল শনিবার বিকেলে দেখা গেল, মেলার ভেতরেও চলছে ফেরিওয়ালাদের অবাধ বেচাকেনা। গাছে গাছে এখন আমের মুকুল দেখা যাচ্ছে। কিন্তু কে জানে কোথা থেকে এসব ফেরিওয়ালা ডালাভরা কাঁচা আম এনে বিক্রি করছেন কাসুন্দি মাখিয়ে। আছে চিনাবাদামওয়ালা, ঝালমুড়িওয়ালা এমন নানা পদের ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতার দল। একাডেমি তাদের প্রতি সদয় হলেও বই বিক্রেতাদের অনেকেই এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করলেন। অবসর প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক মাসুদ রানা বললেন, এভাবে চলতে...
    বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে প্রকৃতিতে শীতের বিদায়ী লগ্নের জানান দিচ্ছে মাঘ। হালকা কুয়াশার সঙ্গে কমলা রঙের রোদের মিতালি দিয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় গতকাল বুধবারের সকালটি শুরু হয়। এমন স্নিগ্ধ সকালে উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে জমে ওঠে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বকচরের ‘জামাইবরণ মেলা’।মাঘ মাসের তৃতীয় বুধবার ধুনট উপজেলার হেউডনগর-কোদলাপাড়া এলাকায় বসে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই জামাইবরণ মেলা। দিনব্যাপী মেলাটির প্রধান আকর্ষণ ছিল হরেক পদের মাছ। সারি সারি দোকানে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে জমজমাট হয়ে ওঠে এই মেলা। দিঘি, পুকুর, খাল-বিল ও নদ-নদী থেকে আনা বড়সড় রুই, কাতলা, চিতল, সিলভার কার্প, বোয়াল, ব্রিগেডসহ নানা মাছের পসরা সাজিয়ে বসেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। এসব মাছ কিনতে দূরদূরান্ত থেকে মেলায় ভিড় করেন ক্রেতারা। এ ছাড়া জিলাপি, কদমা থেকে শুরু করে হরেক মিঠাই-মিষ্টান্নের দোকানে ছেয়ে যায় মেলার মাঠ।...
    পঞ্চম বারের মতো দিনাজপুরের হিলিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব। পিঠার নানান স্বাদ নিতে এ উৎসবে ছিলো সব বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভীড়। বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পিঠার সাথে পরিচয় করাতেই এমন আয়োজন করেছেন আয়োজকরা।  শীত কিংবা গ্রীষ্ম মানেই বাঙ্গালির ঘরে ঘরে মুখরোচক পিঠাপুলির আয়োজন হয়ে থাকে। তবে কালের পরিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে বাঙালিদের অনেক ঐতিহ্য। বাঙালির ঐতিহ্য নানান পিঠাপুলির সাথে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুলে ধরতেই পঞ্চম বারের মতো দিনাজপুরের হিলির ডাঙ্গাপাড়া মডেল স্কুলে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়।  বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া মডেল স্কুলের আয়োজনে স্কুল চত্বরে ফিতা কেটে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর থেকেই পিঠা উৎসবে ছিলো নানান...
    বাঙালির জীবনে পিঠা কেবল একটি খাবারই নয় বরং এটি ঐতিহ্য, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। বিশেষ করে শীতকালে পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায় গ্রামাঞ্চলে। কালের বিবর্তনে কংক্রিটের শহরে এই ঐতিহ্যের প্রচলন উঠে গেলেও রাজধানীর মিরপুরস্থ সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠে সুস্বাদু ও বাহারি রঙের পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেছিল প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা।  বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বাঙলা কলেজ বিজনেস অ্যান্ড ক্যারিয়ার ক্লাবের সহযোগিতায় রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিনব্যাপী চলে ‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’। এই আয়োজনে বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির স্বাদ এবং ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে ফুটে উঠে। কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বাংলা সংস্কৃতির এই আয়োজন মিলনমেলায় রূপ নেয়। ‘জুলাই বিপ্লবকে’ অর্থবহ করতে তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে ‘৩৬ জুলাইকে’ সকলের মাঝে তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে প্রদর্শনে এই উৎসবের আয়োজন...
    মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে শুরু হয়েছে সাত দিনব্যাপী মধুমেলা।  শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ সরকার। মেলা উপলক্ষে সাগরদাঁড়িকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই মেলার আয়োজন করা হয়। মেলাটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।  মেলা উপলক্ষে যশোরের জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর আলম সিদ্দিকী, যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী যশোর জেলার আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল, যশোর প্রেসক্লাবের...
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি বলেছেন, “খেজুর গুড় যশোরবাসীর নিজস্ব শিল্প। যশোর জেলা খেজুর গুড় ঐতিহ্যের ধারক-বাহক। সারা দেশে যশোরের খেজুর গুড়ের চাহিদা রয়েছে। তাই ভোক্তাদের নির্ভেজাল খেজুর গুড়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে। বিলুপ্ত প্রায় গুড় শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন নতুন গাছি তৈরি করতে হবে।” শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) যশোরের চৌগাছায় উৎসব মুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে তিন দিনের গুড় মেলা। এই মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নাসিমুল গণি। চৌগাছা উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ সরকার।  এর আগে গত ধবার (১৫ জানুয়ারি) চৌগাছা উপজেলা চত্ত্বরে গুড় মেলা শুরু হয়। ২০২২ সাল থেকে প্রতিবছর এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। আরো পড়ুন: গাছিদের গুড়-পাটালির পসরায় জমজমাট মেলা ফরিদপুরে কমে...
    চার দশক ধরে খেজুর গুড় তৈরি করেন গাছি আবদুল গণি (৭০)। শীতের মৌসুমে ব্যস্ততা বেড়ে যায় তার। খেজুরের রস ও গুড় বিক্রি করেই চলে এই গাছির সংসার। গুড়-পাটালি নিয়ে তিনি বুধবার (১৫ জানুয়ারি) হাজির হয়েছিলেন যশোরের চৌগাছা উপজেলা চত্ত্বরে আয়োজিত গুড়ের মেলায়। সেখানে ক্রেতাদের সঙ্গে দরকষাকষি করে ন্যায্য দামে গুড় ও পাটালি বিক্রি করতে পেরে খুশি তিনি। অপর গাছি আবদুল কুদ্দুস (৩৫) তিন শতাধিক খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে গুড় পাটালি বিক্রি করেন। গুড় মেলায় প্রায় ১০০ কেজি গুড়ি ও পাটালি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তিনিও। ক্রেতাদের সাড়া পেয়েছেন ভালো।  শুধু আবদুল গণি কিংবা আবদুল কুদ্দস নয়, তাদের মতো প্রায় দুই শতাধিক গাছির খেজুর গুড়-পাটালির পসরায় জমজমাট হয়ে উঠেছে যশোরের চৌগাছার খেজুর গুড়ের মেলা। আজ সকালে উপজেলা চত্ত্বরে উপজেলা প্রশাসন...
    টাঙ্গাইলে বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ খেলাধুলা ও বাহারি পিঠা নিয়ে তিন দিনব্যাপী লোকজ সাংস্কৃতিক ও পিঠা উৎসব শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে টাঙ্গাইল কালচারাল রিফরমেশন ফোরাম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ উৎসবের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব হাসান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহেল রানা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হামিদুল হক মোহন, এ উৎসব উদযাপন পরিষদের গোলাম আম্বিয়া নুরী, আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, অনিক রহমান বুলবুল প্রমুখ। আয়োজকেরা জানান, বর্তমান প্রজন্মের মাঝে লোকসংস্কৃতি তুলে ধরা এ আয়োজনের লক্ষ্য। এখানে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ খেলাধুলাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছে, যা শিশুরা জানতে পারে।  তারা জানান, উৎসবে ৪০টি দোকানে পিঠা ছাড়াও বিভিন্ন খাবার পাওয়া যাচ্ছে। প্রায় ২০০ রকমের...
۱