2025-03-30@14:02:07 GMT
إجمالي نتائج البحث: 15

«রমজ ন র শ ষ দশক র»:

    পূর্বসূরী আলেম ও মনীষীরা আল্লাহর ইবাদত, আনুগত্য, অনুতাপ ও ক্ষমাপ্রার্থনার মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাসকে বিদায় জানাতেন। তারা রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি বিজোড় রাতে শবে কদর অনুসন্ধান করতেন। সেই হিসেবে ২৯ রোজার রাতেও তারা পরিপূর্ণ ইবাদতে মগ্ন থাকতেন। কেননা রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও পুণ্যের আশায় কদরের রাতে রাত্রি জাগরণ করবে তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০১) ইমাম শাবি (রহ.) রমজানের শেষে এত বেশি ইবাদত করতেন যে, তার ব্যাপারে বলা হতো, ইমাম শাবির রাত হলো দিনের মতোই। ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলতেন, আমি এটা পছন্দ করি যে, রমজানের শেষভাগের দিনে আমি সে পরিমাণ ইবাদত করব, ঠিক যে পরিমাণ রাতে করে থাকি। (লাতায়িফুল মাআরিফ, পৃষ্ঠা ২৮৮) আমাদের পূর্বসূরীরা রমজানে শেষভাগে প্রতিটি রাতে এমনভাবে...
    কদর মানে সম্মানিত, কদর মানে নিয়তি। শবে কদর ফারসি, আরবিতে লাইলাতুল কদর, মানে কদরের রাত। এ সম্পর্কে কোরআন মজিদে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল হয়েছে।আল্লাহ যে রাতে কোরআন অবতীর্ণ করেছেন, সে রাতকে বরকতময় করেছেন। সেটিই কদরের রাত। আল্লাহ বলেন, ‘হা-মিম, শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের, আমি তো এ (কোরান) অবতীর্ণ করেছি এক লাইলাতুল মোবারক (সৌভাগ্যের রাত্রিতে)। আমি তো সতর্ককারী। এ-রাত্রিতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থির করা হয়। আদেশ তো আমারই। আমিই রাসুল পাঠিয়ে থাকি, এ তোমার প্রতিপালকের তরফ থেকে অনুগ্রহ। তিনি সব শোনেন, সব জানেন।’ (সুরা দুখান, আয়াত: ১-৬, কোরান শরিফ: সরল বঙ্গানুবাদ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রকাশক প্রথমা প্রকাশন।)আরও পড়ুনসুরা মাউনে মানুষদের মধ্যে দুটি দলের কথা বলা হয়েছে১৭ এপ্রিল ২০২৩রমজানের তিনটি অংশ—রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত। হাদিসে আছে, রমজানের প্রথম অংশ রহমতের, মাঝখানের অংশ ক্ষমার, শেষ...
    পবিত্র রমজান মাস ও তার শেষ দশকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো কদরের রাত। হাদিসের ভাষ্য অনুসারে রমজানের শেষ দশকের যে কোনো বেজোড় রাতই কদরের রাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদিও বহু সংখ্যক আলেম ২৭ রমজানের রাতকে কদরের রাত বলে অভিমত দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনের ভাষায় কদরের রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। মহান আল্লাহ কদরের রাতকে ‘বরকতময়’ বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এটা অবতীর্ণ করেছি এক মোবারক রাতে। আমি সতর্ককারী। এই রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়।’ (সুরা দুখান, আয়াত : ৩-৪) আল্লাহ ‘কদর’ নামে একটি পূর্ণ সুরা অবতীর্ণ করেছেন। যাতে তিনি এই রাতের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রাতে। আর মহিমান্বিত রাত সম্পর্কে তুমি কি জানো? মহিমান্বিত রাত হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। সে...
    রাত তিনটার আগে আগে ঘরে থেকে বেরিয়ে পড়েন তিনি। হাতে মাইক। হেঁটে হেঁটে গেয়ে শোনান বাংলা, উর্দু ও আরবির মিশেলে কাসিদা। ফাঁকে হাঁক ছেড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের জানিয়ে দেন সাহ্‌রি খাওয়ার শেষ সময়। চট্টগ্রাম নগরের কুসুমবাগ আবাসিক এলাকায় সাহ্‌রি খাওয়ার জন্য এভাবে ঘুম ভাঙে বাসিন্দাদের।প্রতিদিন যে মানুষটি এ কাজ করে যান, তাঁর নাম মোহাম্মদ বাহার মুন্সি। প্রায় তিন দশক ধরে প্রতি রমজানেই এটা রুটিন কাজ বাহারের। মাঝবয়সী বাহার কাজটি করেন স্ব–উদ্যোগে।বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায়, উনিশ শতকের শেষের দিকে বাংলাদেশে রমজান উপলক্ষে কাসিদা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। রোজার রাতে পাড়ার মানুষদের ঘুম থেকে জাগাতে তরুণেরা ঢাকঢোল পিটিয়ে উর্দু ও ফারসি ভাষায় কাসিদা গাইত। সে সময় সাহ্‌রির সময় এই কাসিদা শুনেই মানুষের ঘুম ভাঙত।৮ মার্চ মোহাম্মদ বাহারকে নিয়ে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট...
    রমজান মাস অত্যন্ত বরকতপূর্ণ। এ মাসে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়াপরবশ হন। তাই মুমিনও এই মাসে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভে অধিক সচষ্টে হয়। হাদিসের ভাষ্য অনুসারে রমজান মাস তিনটি দশকে বিভক্ত। প্রত্যেক দশকের বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা ভিন্নতর। সালমান ফারেসি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম দশক রহমতের, দ্বিতীয় দশক মাগফিরাতের এবং তৃতীয় দশক জাহান্নাম থেকে মুক্তির।’ (সহিহ ইবনে খুজায়মা, হাদিস: ১৭৪০) পূর্বসূরী আলেমরা বলেন, সাধারণভাবে অন্য সব মাসের বিশেষ মর্যাদা প্রমাণিত। আর পুরো রমজান মাসের ওপর শেষ দশকের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এ জন্য নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে আল্লাহর ইবাদত, আনুগত্য, রাত জেগে ইবাদত করা, আল্লাহর জিকির ও ধ্যানে অধিক পরিমাণ মগ্ন থাকতেন। আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘রমজানের শেষ দশ দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) এত বেশি সাধনা করতেন...
    ঠিক কোন রাতে শবে কদর কোরআনে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে কদর যে রমজান মাসে, তার নির্দেশ স্পষ্ট। সুরা বাকারায় বলা হয়েছে, কোরআন রমজান মাসে অবতীর্ণ হয়েছে (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৭) এবং সুরা কদর-এ বলা হয়েছে, কোরআন কদর রাতে নাজিল হয়েছে। (সুরা কদর, আয়াত: ১) আর এই রাত যে রমজানের শেষ দশকে হবে বলে, তা বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। এমনকি তা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলেও হাদিসে এসেছে। (বুখারি, হাদিস: ২,০২০) এমনকি কোনও হাদিসে আমরা শেষ সাত দিনের কথাও দেখেছি। (মুসলিম, হাদিস: ২,৮২২)আরও পড়ুনশবে কদরের ফজিলত ও আমল২১ জুন ২০১৭সাতাশ না একুশ অনেকে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর বলতে কেবল সাতাশের রাতকে বোঝেন। বিশুদ্ধ মত অনুসারে, কদর কেবল সাতাশের রাতে সীমাবদ্ধ নয়। তবে, অন্যান্য রাতের তুলনায় এ...
    যদিও শেষ দশক বলা হয়, তবে পাঠকের এটা অবিদিত নয় যে, এই দশক মানে পূর্ণ দশদিন দশ রাত নয় চান্দ্রমাসের হিসেবে মাস উনত্রিশ দিনে হলে নয় দিনও হতে পারে। বিশ রমজান দিবাগত রাত থেকে শেষ দশকের সূচনা হয়। একে অনেকেই ‘নাজাতের রাত’ বলে অভিহিত করে থাকেন। একটি দুর্বল সনদের হাদিসে রয়েছে রমজানের প্রথম দশদিন রহমত, দ্বিতীয় দশদিন মাগফিরাত এবং তৃতীয় দশদিন নাজাতের উপহার প্রদান করা হয়ে থাকে। শেষ দশকে নবীজির (সা.) ইবাদতের পরিমাণ বেড়ে যেত, তিনি কখনো এসব রাত জাগরণ ছাড়া কাটাননি। ইবাদতে বেশি শ্রম দেওয়ারমজানের শেষ দশ দিনে ইতিকাফের ‘অবকাশ’ যাপন করতেন নবীজি (সা.)। তিনি রাতের ইবাদতে অত্যধিক শ্রম দিতেন, যা অন্য সময় দেখা যেত না। রমজান মাসের শেষ দশকে নবীজি (সা.) এত বেশি ইবাদত করেছেন যা অন্য সময়ে...
    মাহে রমজানের শেষ দশক চলছে। শেষ দশকের যে কোনো এক বিজোড় রাত শবেকদরের। এ রাতেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। এটি মহিমান্বিত রাত। যে রাতকে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘হাজার মাসের চেয়ে উত্তম’ (সুরা কদর, আয়াত-৩)।  অতএব এই রাতের যে কোনো আমলের সওয়াব টানা হাজার মাস আমল করার মতোই। রাসুলুল্লাহ (সা.) পবিত্র রমজানে বিশেষ করে শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করতেন। এ জন্য তিনি ইতেকাফ করতেন। লাইলাতুল কদর তালাশ করা মানে এই রাতের বিশেষ ফজিলত লাভের আশায় ইবাদতে আত্মমগ্ন থাকা। হাদিস শরিফে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের সন্ধান করো।’ (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম) মহাগ্রন্থ কোরআনুল কারিম অবতীর্ণ হয়েছে লাইলাতুল কদরে। এ রাতের মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ...
    আরবি ‘ইতিকাফ’ অর্থ অবস্থান করা। পরিভাষায় ইতিকাফ বলা হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মসজিদে অবস্থান গ্রহণ করা। ইতিকাফ পবিত্র রমজানের গুরুত্বপূর্ণ আমল। মহানবী (সা.) রমজান মাসে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন। পূর্ববর্তী নবী-রাসুলরাও ইতিকাফ করেছেন বলে কোরআন, সুন্নাহ ও ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী ও রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১২৫) আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) প্রতি রমজানে ১০ দিন ইতিকাফ করতেন, তবে যে বছর তিনি ইন্তেকাল করেন, সে বছর তিনি ২০ দিন ইতিকাফ করেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০৩) রমজান মাসের শেষ দশকে ইতিকাফ করা সুন্নত। সার্বিক বিবেচনায় এটি রমজানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এটা রমজানের ফল ও ফসল ঘরে তোলার...
    মুসলমান মাত্রই পবিত্র রমজান মাসের মর্যাদা ও বরকত লাভ করতে চায়। তারা চায় আল্লাহর নৈকট্য ও সেসব পুরস্কার অর্জন করতে, যা এই মাসের ব্যাপারে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ঘোষণা করেছেন। ফলে প্রত্যেক মুসলিম নিজের সাধ্যানুসারে ইবাদত-বন্দেগির চেষ্টা করে। কিন্তু কিছু ভুল এই লক্ষ্য অর্জনে প্রতিবন্ধক হয়ে ওঠে। নিম্নে এমন কয়েকটি ভুলের আলোচনা করা হলো। ১. রোজার বিধান না শেখা: কোনো কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে হলে তার বিধান, নিয়ম ও পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হওয়া আবশ্যক। রোজা ইসলামি শরিয়তের একটি ফরজ বিধান। আর ইসলামি শরিয়তের নিয়ম হলো, ফরজ ইবাদত পালনের জন্য অপরিহার্য জ্ঞান অর্জন করাও ফরজ। তাই রোজার বিধানগুলো জেনে নেওয়া মুসলমানের জন্য ফরজ। রোজার বিধানের মধ্যে আছে এর নিয়ত করার সময় ও পদ্ধতি, সাহরি ও ইফতারের মাসয়ালা, কোন কোন...
    পবিত্র রমজানকে বলা হয় রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। আরবি রহমতের অর্থ দয়া, মাগফিরাতের অর্থ ক্ষমা এবং নাজাতের অর্থ মুক্তি। রমজানকে দয়া, ক্ষমা ও মুক্তির মাস বলার কারণ হলো মহানবি (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম দশক রহমতের, দ্বিতীয় দশক মাগফিরাতের এবং তৃতীয় দশক জাহান্নাম থেকে মুক্তির।’ (মুসনাদে আহমদ) এই হাদিসের বর্ণনা অনুসারে বর্তমানে মাগফিরাত বা ক্ষমার দশক চলছে। রমজান মাসে আল্লাহর ক্ষমা লাভে সচষ্টে হওয়া আবশ্যক। কেননা নবি (সা.) সেই ব্যক্তিকে অভিশাপ ও ভর্ৎসনা করেছেন যে রমজান মাস পেয়েও নিজের গুনাহ ক্ষমা করাতে পারেনি। মালিক বিন হুসাইরিস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) মিম্বারে আরোহন করলেন। যখন তিনি প্রথম ধাপে আরোহন করে বললেন, আমিন। অতঃপর দ্বিতীয় ধাপে আরোহন করে বললেন, আমিন। অতঃপর তৃতীয় ধাপে পা রেখে বললেন, আমিন। এরপর তিনি...
    দ্বিতীয় হিজরিতে পবিত্র কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ উম্মতের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম দশক রহমতের, মধ্য দশক মাগফিরাতের আর শেষ দশক নাজাতের।’ প্রথম দশকে আল্লাহ বান্দার প্রতি রহমত নাজিল করেন। রমজান মাসের রহমতের দশকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। কপটতা না করে, মানুষের দোষত্রুটি অন্বেষণ না করে, রহমত-বরকত-মাগফিরাতের মাসে বেশি নেক আমল করতে হবে। রহমতের মাস রমজানজুড়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা এবং নেক কাজে নিয়োজিত থাকা অনেক সহজ। তাই রমজানের রহমতের দশকে আল্লাহর অনুগ্রহ পেতে রোজাদারের করণীয় হলো: ১. দিনের বেলা একনিষ্ঠতার সঙ্গে রোজা পালন করা। ২. জামাতে নামাজ আদায় করা। ৩. রাতের তারাবিহ ও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া। ৪. কোরআন তিলাওয়াত করা। ৫. দান-সদকা করা। ৬. ফিতরা ও জাকাত দেওয়া। ৭. আল্লাহর জিকির করা, তাকওয়া অর্জনে...
    কাবাব, কোফতা, রোস্ট, হালুয়া, গ্রিল–তন্দুরি থেকে বুট, বুন্দিয়া, বেগুনি, পেঁয়াজু, জিলাপি। হরেক স্বাদের বিরিয়ানি, মোরগ পোলাও থেকে শুরু করে বাহারি কাচ্চি। লাচ্ছি, ফালুদা থেকে শুরু করে টক দইয়ের ঘোল। কী নেই বগুড়ার বাহারি ইফতারির বাজারে!রোববার রমজানের প্রথম দিনেই বগুড়া শহরের ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত রেস্তোরাঁ—সবখানেই ছিল বাহারি ইফতারির পসরা। শহরের কাঁঠালতলা, বড়মসজিদ লেনের সামনে, ফতেহ আলী মাজারের সামনে ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। এখানাকার মূল আয়োজন ছিল জিলাপি, ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনিসহ নানা সামগ্রী। অভিজাত ক্রেতাদের ইফতারির বাজার হিসেবে পরিচিত জলেশ্বরীতলার ইফতারির বাজারে মূল আকর্ষণ ছিল হালিম, মুরগির রোস্ট, কাবাব ও কাচ্চি বিরিয়ানি। সুস্বাদু এসব ইফতারির স্বাদ নিতে ভিড় করেন ক্রেতারা। বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানে দোকানে ভিড় বাড়তে থাকে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় ইফতারসামগ্রীর দাম কিছুটা বেড়েছে।শহরের...
۱