2025-04-06@04:45:27 GMT
إجمالي نتائج البحث: 6

«সজন র»:

    হবিগঞ্জের পাহাড়ি এলাকায় সজনের ভালো ফলন হয়েছে। বাজারে সজনের দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। তাই পাহাড়ি চাষিরা সজনে বিক্রিতে লাভবান হচ্ছেন। এখন সজনের মৌসুম। এটি ফাল্গুন মাসের প্রথমে ধরা শুরু করে। চৈত্র ও বৈশাখ মাসজুড়ে বিক্রি হয়। এ সবজিটি এক সময় হবিগঞ্জ জেলার সর্বত্র চাষ হতো। এখন শুধু ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে জেলার পাহাড়ি এলাকায়। তার পাশাপাশি গ্রামের অনেক বাড়িতেও সজনে চাষ হয়। আর এ মৌসুমে সজনের ভালো ফলন হয়েছে। জেলার চুনারুঘাট উপজেলার কালেঙ্গা পাহাড়ি এলাকা ও দেউন্দি চা-বাগান এলাকা পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, বাড়ি বাড়ি সজনের গাছ। অনেকে গাছ থেকে সজনে সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন। আবার নিজেদের খাবারে সবজির চাহিদা মেটাচ্ছেন। এভাবে জেলার নবীগঞ্জ, বাহুবল, মাধবপুর উপজেলার পাহাড়ি এলাকার প্রতিটি চা-বাগান, আদিবাসী পুঞ্জির বাড়িতে সজনে চাষ হচ্ছে। এর ফলনে...
    বসন্ত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে দেখা মিলছে সজনে ডাঁটার। এই সবজিতে থাকা প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, কার্বোহাইড্রেট, কপার, ফসফরাসসহ থাকা বিভিন্ন পুষ্টি  উপাদান শরীরের জন্য খুবই উপকারী। গরমে বিভিন্ন ধরনের রোগের ঝুঁকি এড়াতে তাই সজনে ডাঁটা খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। এই গরমে সজনে ডাটা খেলে যেসব উপকারিতা পাবেন- ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমায়: সজনে ডাঁটায় পানির পরিমাণ বেশি। এ কারণে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারেন সজনে ডাঁটা। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতেও সজনে ডাঁটার ভূমিকা অপরিসীম। রোজ যদি এই ডাঁটা খাওয়া যায়, তা হলে গরমে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।  রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে: গরমে পেট খারাপ থেকে শুরু করে অ্যাসিডিটিসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে। শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম বেরিয়ে যায় বলে, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও কমে যায়। ডাঁটা রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি...
    আমার বন্ধু অরূপ, জীবন নিয়ে তার ভাবনা অনেকটা ভাবলেশহীন। কিন্তু আজ সকালে তাকে দেখলাম চিন্তিত। কারণ কী? ‘তুমি তো জানো, আমার মা ডায়াবেটিসের কারণে কিডনি খারাপ হয়ে মারা গেছেন পাঁচ বছর হলো। আজ বাসার গ্লুকোমিটারে চেক করে দেখি, ১৩ মিলিমোল, মন খারাপ হয়ে আছে, চিন্তা লাগছে তাই।’ অরূপের বয়স ৫৫। যে কেউ তার দিকে তাকানোর আগে তার ভুঁড়ির দিকে তাকাবে। বললাম, ব্লাড প্রেশারের কী অবস্থা? কথার মাঝখানে এল এক রোগী, যাঁকে আমি চাচা বলে ডাকি। ৭৯ বছর তাঁর। ৩০ বছর ধরে ডায়াবেটিস, কিন্তু তাঁর সব রিপোর্ট নরমাল। তাঁর গড় ডায়াবেটিস ৭%–এর নিচে থাকে, রক্তচাপ নরমাল থাকে। খুব নিয়ম মেনে চলেন। বন্ধুকে বললাম, এত চিন্তার কিছু নেই। তাঁকে দেখ, নিয়ম মানছেন। ভালো আছেন। সকালের নাশতা খেলাম একসঙ্গে দুজনে। খাবার ছিল রুটি,...
    কিডনির রোগে ভুগছেন দেশে এমন মানুষের অনুমিত সংখ্যা ১ কোটি ২৯ লাখের বেশি। প্রতিবছর কিডনির রোগে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ মারা যান। মূলত ৯ ধরনের কিডনির রোগে এই মৃত্যু হয়। কিডনির চিকিৎসায় অনেক মানুষ প্রতিবছর দেশের বাইরে যান। বাংলাদেশে কিডনির রোগে আক্রান্ত, মৃত্যু ও কিডনির রোগের ধরন বিষয়ে এই তথ্য পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যাট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের (আইএইচএমই) ওয়েবসাইটে। আইএইচএমই দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বের ২০০টির বেশি দেশের রোগ পরিস্থিতির তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করছে। তাদের তথ্যভান্ডারে বিশ্বের প্রায় সব দেশ ও অঞ্চলের বিভিন্ন রোগের পরিসংখ্যান পাওয়া পায়। কিডনির রোগ নিয়ে দেশে জাতীয়ভাবে কোনো জরিপ বা গবেষণা নেই। কিডনির রোগবিশেষজ্ঞরা প্রায় দুই দশক ধরে বলে আসছেন, কোনো না...
    শিশুদের প্রায়ই জ্বরের সঙ্গে ত্বকে দানা দানা বা র‍্যাশ দেখা দেয়। নানা কারণে এটি হতে পারে। অনেক সময় এ র‍্যাশের ধরন দেখেই নির্ধারণ করা যায় রোগটা কী। আসুন জেনে নিই পরিচিত কিছু রোগের কথা, যেখানে জ্বর ও র‍্যাশ হয়।হামশিশুদের হাম বা মিজলস হলে শরীরে ছোট লালচে দানা দেখা দেয়। প্রথমে কানের পেছনে বা মুখে শুরু হয় এ র‍্যাশ। এরপর সারা গায়ে ছড়ায়। হাম ভাইরাসজনিত রোগ এবং এটি সংক্রামক। অন্য সব ভাইরাস জ্বরের মতো দুই সপ্তাহের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়। জলবসন্তজলবসন্ত বা চিকেন পক্সে যে র‍্যাশ ওঠে, তা হামের মতো লাল দানা নয়; বরং ক্ষুদ্র ফুসকুড়ির মতো। এই র‍্যাশ প্রথমে মুখ, বুক ও পিঠজুড়ে হয়। তবে সারা শরীরেই হতে পারে। ভাইরাস সংক্রমণের কারণে হয় বলে এরও তেমন চিকিৎসা নেই। জ্বরের জন্য...
    চাঁদপুরে শীতের দাপট বৃদ্ধির সাথে সাথে হু হু করে বেড়েছে শীতজনিত রোগ। যার মধ্যে অধিকাংশই রোটা-ভাইরাসের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী। কুমিল্লা, চাঁদপুর, লক্ষীপুর, নোয়াখালীসহ আশপাশের জেলার শিশুরা ব্যাপকহারে রোটা-ভাইরাসজনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত গত ১৫ দিনে রোগে আক্রান্ত হয়ে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) চাঁদপুরের মতলব হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৫৫০ জন রোগী। প্রতিদিন গড়ে ভর্তি হয়েছে ৩০৩ জন। প্রতি ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৩ জন করে। এরমধ্যে শূন্য থেকে ৫ বছর বয়সী ৩৮৭৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু শতকরা ৮৫.২ জন। ভর্তি রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের তিনগুণের বেশি। তবে কারো মৃত্যু হয়নি। প্রায় ২০/২৫ ভাগ রোগীই কয়েক ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যায়। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির অনুকূল...
۱