২১ জুন ১৯৭৫।
লর্ডসের ব্যালকনির সামনে বানানো মঞ্চে ট্রফি হাতে ক্লাইভ লয়েড। ক্রিকেট–বিশ্ব সেই প্রথম দেখল কোনো বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে। ক্রিকেটও পেল প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন—ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এই বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেই বিশ্বজয়ের ৫০ বছর পূর্তি। আর সেটা ঘটা করেই উদ্‌যাপন করতে যাচ্ছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লুআই)। গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী পালনের ঘোষণা দিয়েছেন সিডব্লুআই সভাপতি ড.

কিশোর শ্যালো।

লর্ডসে প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ১৭ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাট হাতে ৮৫ বলে ১০২ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছিলেন অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড নিজে। হয়েছিলেন ম্যাচসেরাও। চার বছর পর সেই লর্ডসেই স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে হারিয়ে লয়েডের অধীন দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১৯৭৫ বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে ক্লাইভ লয়েড

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি

ঈদ এলেই উৎসবের রং ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। সাধারণ মানুষের মতো পর্দার মানুষগুলোও এই দিনটিকে ঘিরে সাজিয়ে রাখেন বিশেষ পরিকল্পনা। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো-সব মিলিয়ে ঈদ মানেই বাড়তি আনন্দ। তবে আগের মত ঈদের আনন্দ এখন নেই বলে জানালেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।

ন্যান্সি সমকালকে বলেন, ‘এবার ঈদ ঢাকায় করছি। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকেই ঢাকায় ঈদ করি। আমরা যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসি, ঈদে তারা নিশ্চয় গ্রামের বাড়িতে যান। আমাদের কিন্তু সেই সুযোগ নেই। আমরা কিন্তু চাইলেই যেতে পারি না।’

ছোটবেলা ও এখনকার ঈদের মধ্যে পার্থক্য বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোট-বড়বেলা ঈদের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আমি একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মাকে ছাড়া ঈদ করা কঠিন। আমার বাবা-মা তো বেঁচে নেই আমি কোথায় যাবো। যেকোনো উৎসবে অনেক বেশি খারাপ লাগে। তবে এখন সন্তানরাই আমার সব। সন্তান ও পরিবার নিয়েই এখন আমার ঈদ।’

ন্যান্সির কথায়, ‘একটা সময় আমার মা-বাবাই সব ধরনের খোঁজ-খবর নিতেন। ঈদের দিন বা পরের দিন আমি তাদের বাড়ি যেতাম, নয়তো তারা আমার বাড়ি আসতেন। অনেক হইহুল্লো করে দিন যেতো। কিন্তু এখন তো আর সেটা নেই।’

ন্যান্সি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, আমিসহ আমার বাচ্চাদের টেনশন ছিল তাদেরই। এই যে একটা ঈদ আসলো, মা যে কত কিছু করতেন তা বলে বোঝানো যাবে না। আমার টিভি অনুষ্ঠানসহ সব কিছু মা খেয়াল রাখতেন। একটা গান আসলে আমার মায়ের যে উচ্ছ্বাস আমি দেখেছি তার আর কারও মধ্যে দেখিনি।’

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • উৎসবের পর শূন্য অনুভব করা বা পোস্ট-ফেস্টিভ‍্যাল ব্লুজ কাটাবেন কীভাবে
  • রান্না-খাওয়া পর্ব ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করলে নারীরাও আনন্দ করতে পারবেন
  • উৎসবে হজমের সমস্যা এড়াতে যা করবেন
  • ছোটবেলার ঈদ ঝামেলাবিহীন, সহজ-সরল ছিল: নুসরাত ফারিয়া
  • দল বেঁধে বেড়ানোর যে উৎসব ছিল, তা আর নেই, কী কঠিন বড় হওয়াটা
  • উৎসবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও হতাশা কাটাতে করণীয়
  • আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে ঈদ আয়োজন করা হবে: আসিফ মাহমুদ
  • একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মা ছাড়া ঈদ করা কঠিন: ন্যান্সি
  • সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি