গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকার বিল আদায়ের পর আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম ওয়াসার দুই কর্মচারীকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। 

সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে নগরীর চকবাজার থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। 

চট্টগ্রাম ওয়াসার বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক কাজী শহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

আরো পড়ুন:

কুমারখালীতে ভ্যানচালক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৪

চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে ধরা, এসআইসহ ২ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত 

আটক কর্মচারীরা হলেন- ওয়াসার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আজমীর হোসেন ও মিঠুন দাশ।

ওয়াসা সূত্র জানায়, গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিলের ২৫ লাখ টাকা দুই কর্মচারী পরিকল্পিতভাবে আত্মসাত করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ধরা পড়ে। আজ এই দুই কর্মচারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের চকবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ওয়াসার বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‍“দাপ্তরিক তদন্তে দুই কর্মচারী কর্তৃক ২৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য পাওয়া গেছে। এই দুই কর্মচারী ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের বিলের টাকা চুরি করে আসছিলেন। তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে বিলের টাকা আদায় করে ওয়াসার কম্পিউটার সিস্টেমে জমা দেখালেও, প্রকৃতপক্ষে সেই অর্থ ওয়াসার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ২৫ লাখ টাকার অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে।”

চকবাজার থানা ওসি ওসি জাহেদুল কবীর জানান, দুই কর্মচারীকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ঢাকা/রেজাউল/মাসুদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আটক গ র হকদ র

এছাড়াও পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি পণ্যের শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব

বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে প্রেস সচিব এ কথা বলেন।

ওই পোস্টে শফিকুল আলম লিখেছেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে। এসব শুল্ক আরও যুক্তিসংগত করার উপায় খুঁজে বের করতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা শুল্কবিষয়ক জটিলতা নিরসনে প্রয়োজন।

প্রেস সচিব আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আমাদের বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করে আসছি।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের চলমান কার্যক্রম শুল্ক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুনবাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭% শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র৮ ঘণ্টা আগে

সম্পর্কিত নিবন্ধ