ঈশ্বরদীতে অটোরিকশাকে বাসের ধাক্কা, একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

দুর্ঘটনায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা। বৃহস্পতিবার বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার টুটলি বহরপুর এলাকায়
ছবি: প্রথম আলো

পাবনার ঈশ্বরদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার টুটলি বহরপুর এলাকায় ঈশ্বরদী-দাশুড়িয়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহত ব্যক্তিরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে শিশুসহ তিনজন একই পরিবারের সদস্য। আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার বাঘইল গ্রামের মৃত বাবু প্রামাণিকের ছেলে রাব্বী প্রামাণিক (৩৫), রাব্বীর স্ত্রী মুক্তা খাতুন (২৫), এই দম্পতির ১৮ মাসের ছেলে মোস্তাকিম এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার রতিডাঙ্গা গ্রামের মো. রাতুল ইসলাম (৩০)।

ঈশ্বরদী-দাশুড়িয়া সড়কে দুর্ঘটনাস্থলে মানুষের ভিড়। বৃহস্পতিবার বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার টুটলি বহরপুর এলাকায়
ছবি: প্রথম আলো

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিকেল পাঁচটার দিকে একটি যাত্রীবাহী বাস ঈশ্বরদীর দিকে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পাঁচজন যাত্রী নিয়ে পাবনার দিকে আসছিল। ঈশ্বরদী-দাশুড়িয়া সড়কের টুটলি বহরপুর এলাকায় আসার পর বাসটি অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে এটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রাব্বী-মুক্তা দম্পতি ও তাঁদের ১৮ মাসের সন্তান নিহত হন। চালকসহ বাকি তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে রাতুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। অপর দুজনের অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন। তিনি জানান, নিহত চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।