রাজবাড়ীতে ‘গফুর চাচার চপ’ খেতে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের ভিড়
Published: 20th, April 2025 GMT
রাস্তা ঘেঁষে ছোট্ট একটি টিনের ছাপরা। সামনে অনেক মানুষের ভিড়। ভিড় ঠেলে কাছে যেতেই দেখা যায় বয়স্ক এক ব্যক্তি মুখরোচক চপ তৈরি করছেন। কড়াই থেকে গরম তেলে ভাজা চপের ঘ্রাণ উঠে আসছে। তাঁর কাজে সহযোগিতা করছেন এক যুবক। এই চপ নিতেই এত মানুষের ভিড়।
সম্প্রতি এক বিকেলে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজারের আবদুল গফুর বিশ্বাসের (৬৪) চপের দোকানে এমন ভিড় দেখা যায়। ২০ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে তিনি চপ বিক্রি করছেন। ‘গফুর চাচার চপ’–এর জন্য প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের ভিড় লেগে থাকে। তাঁর চপের সুনাম জেলাব্যাপী।
আবদুল গফুর বিশ্বাস বলেন, সদর উপজেলার খানখানাপুর ভান্ডারিয়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। স্ত্রী, দুই ছেলে, তাঁদের স্ত্রী ও দুই নাতিসহ আট সদস্যের সংসার। বড় ছেলে মিন্টু বিশ্বাস ঢাকায় পোশাকের দোকানে কাজ করেন। ছোট ছেলে তুহিন বিশ্বাস ওমানপ্রবাসী। চপের ব্যবসা করেই সংসারের খরচ জোগান।
বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে চপ তৈরি করছেন আবদুল গফুর বিশ্বাস। পাশে কর্মচারী কড়াইতে দেওয়া গরম চপ ওঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজারে.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: করছ ন
এছাড়াও পড়ুন:
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর বাড়ি-গাড়ি জব্দের আদেশ
সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঢাকার একটি ফ্ল্যাট, তিনটি অ্যাপার্টমেন্ট ও তিনটি গাড়ি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার ৭০টি ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেয় বিচারক। এসব অ্যাকাউন্টে ৩৭ কোটি ৯৬ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৭ টাকা রয়েছে।
এ ছাড়া জব্দ করা ফ্ল্যাটটি রাজধানীর পরীবাগের প্রিয় প্রাঙ্গণে, আর অ্যাপার্টমেন্ট তিনটি বনানীর পিপি টাওয়ারে। এসব স্থাপনার দাম ধরা হয়েছে ৮৫ লাখ ৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এ ছাড়া গাড়ি তিনটির বাজার মূল্য ২ কোটি ৪৭ লাখ ১১ হাজার ৫২৯ টাকা নির্ধারণ করেছে দুদক।
এদিন দুদকের পক্ষে কমিশনের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম এসব সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি নসরুল হামিদের বিপুর নামে থাকা স্থাবর সম্পদ এবং অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর বা বেহাত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। সুষ্ঠু অঅনুসন্ধানের স্বার্থে তার নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নসরুল হামিদ বিপু এবং তার স্ত্রী সীমা হামিদের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ২০টি একাউন্ট অবরুদ্ধের আদেশ দেন একই আদালত।