দুদকের সাবেক শুভেচ্ছাদূত ক্রিকেটার সাকিব দুর্নীতির মামলায় আসামি হতে পারেন
Published: 6th, April 2025 GMT
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক শুভেচ্ছাদূত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে দুদকে অনুসন্ধান চলছে। দুদকের মামলায় তিনি আসামিও হতেন পারেন বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন।
আজ রোববার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল মোমেন এ কথা বলেন।
সাকিব আল হাসান একসময় দুদকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন। এখনো তিনি আপনাদের আইকন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সাকিব আল হাসান দুদকের মামলায় আসামিও হতে পারেন। এখনো বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। অনুসন্ধান চলছে, অনুসন্ধান শেষে বলা যাবে।
দুদক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে দুদকের শুভেচ্ছাদূত হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। পরে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিসহ নানা অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় তাঁকে শুভেচ্ছাদূতের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: স ক ব আল হ স ন
এছাড়াও পড়ুন:
ইউএনও কামাল হোসেনের বেতনবৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত
সরকারের অনুমতি ছাড়া জমি কেনায় নওগাঁর আত্রাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামাল হোসেনের বেতনবৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত করে লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর আগে, তিনি খুলনার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ছিলেন।
এ সময় তার বিরুদ্ধে তার মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে পিতা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি গ্রহণ ও চাকরিতে যোগদানকালে ওই মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করা, নিজ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি অর্জন এবং সরকারের পূর্বানুমোদন ছাড়া জমি কেনার অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা হয়।
মামলার তদন্তে নিজের মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে পিতা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি প্রাপ্তি ও চাকরিতে যোগদানের সময় ওই মিথ্যা পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি অর্জনের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু নিজের জেলা কুষ্টিয়ায় জমি কেনার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন না নিয়ে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ১৯৭৯ লঙ্ঘনের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩ (খ) অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
তাই শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী কামাল হোসেনকে দুই বছরের জন্য বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি স্থগিত রাখা নামের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা/নঈমুদ্দীন/এনএইচ