বোলিংয়ে নারাইন, দেখতে তাহির আর উদ্যাপনে উইলিয়ামস—কে এই ভারতীয় স্পিনার
Published: 6th, April 2025 GMT
চুল ইমরান তাহিরের মতো। লম্বা, ঘাড় বেয়ে নেমেছে। দক্ষিণ আফ্রিকান লেগ স্পিনারের মতো মাথায় ব্যান্ডও আছে। রান আপ দেখলে মনে হবে সুনীল নারাইনের মতো। আর উইকেট পাওয়ার পর উদ্যাপন? কেসরিক উইলিয়ামসের নোটবুক উদ্যাপন। এই তিন মিলিয়েই লক্ষ্ণৌ সুপারজায়ান্টসের স্পিনার দীগ্বেশ রাঠি। শুধু স্পিনার নয়, রহস্য স্পিনার এবং রহস্যটুকু দিয়ে দীগ্বেশ এরই মধ্যে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আইপিএলে সেরাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সামর্থ্য তাঁর আছে।
আরও পড়ুনটানা দুই ম্যাচে ১২ জনের ব্যাটিং আর চারপাশ অন্ধকার—পাকিস্তানের ম্যাচে অদ্ভুতুড়ে ঘটনা১৯ ঘণ্টা আগেশুক্রবার রাতে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ম্যাচেই তাকিয়ে দেখুন। লক্ষ্ণৌর হয়ে বোলিং করেছেন পাঁচজন। এর মধ্যে চারজনই ওভারপ্রতি ১০ বা তার বেশি রান খরচ করেছেন। শুধু একজনই ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ২১ রান, ওভারে পাঁচ রানের একটু বেশি। একটি উইকেটও নিয়েছেন। এই বোলারটিই দীগ্বেশ। মাথায় রাখতে হবে, বোলিংটি করেছেন ২০৩ রান তাড়া করতে ৬ উইকেটে ১৯১ রান তোলা মুম্বাইয়ের বিপক্ষে।
শুধু মুম্বাই ম্যাচই নয়, এবারের আইপিএলের লক্ষ্ণৌর হয়ে চার ম্যাচে এখন পর্যন্ত একবারই এক ওভারে ৮ এর বেশি রান দিয়েছেন দীগ্বেশ। সব মিলিয়ে ৭.
উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: উইক ট
এছাড়াও পড়ুন:
ইসরায়েলের কারাগারে ‘অপুষ্টিতে’ ফিলিস্তিনি কিশোরের মৃত্যু
১৭ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি কিশোর ইসরায়েলের কারাগারে ‘অপুষ্টিতে’ মারা গেছে। ওই কিশোরের নাম ওয়ালিদ খালিদ আহমেদ। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
প্যালেস্টাইন প্রিজনারস সোসাইটির (পিপিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস–ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলের কারাগারে এই প্রথম কোনো কিশোরের মৃত্যু হলো।
ওয়ালিদের পরিবার ও পিপিএস জানিয়েছে, গত ২২ মার্চ ইসরায়েলের মেগিদো কারাগারে সে মারা যায়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে রামাল্লা শহরের নিজ বাড়ি থেকে ইসরায়েলের সেনারা তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। পাথর নিক্ষেপ ও ককটেল ছোড়ার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে ওই কিশোরের পরিবার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পিপিএস জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি। আদালতে তাঁর মামলার শুনানিও ইচ্ছাকৃতভাবে পেছানো হয়েছে।
মারা যাওয়ার পাঁচ দিন পর তেল আবিবের আবু কবির ফরেনসিক ইনস্টটিটিউটে ওয়ালিদের ময়নাতদন্ত হয়। ওই প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি তাঁর পরিবারের কাছে আছে, যা তাঁরা সিএনএনকে সরবরাহ করেছে।
এ বিষয়ে কথা বলতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিভাগ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে তারা কোনো সাড়া দেয়নি। পরে দেশটির আইন মন্ত্রণালয় কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেয়।
ইসরায়েলের কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই কিশোরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে একটি চিকিৎসক দলকে তাৎক্ষণিকভাবে পাঠানো হয়। তারা যথাযথ পদক্ষেপও নেয়। কারাগারে মারা যাওয়া অন্য বন্দিদের মতো ওই কিশোরের মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সেটি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।