শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিভেছে
Published: 5th, April 2025 GMT
রাজধানীর শাহবাগে ফুলের কয়েকটি টিনশেড দোকানে লাগা আগুন নিভেছে। শনিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নেভাতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তাঁদের ধারণা, বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।
শনিবার রাত ৯টা ৫৩ মিনিটে আগুন লাগে বলে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পলাশী ও সিদ্দিকবাজার স্টেশন থেকে পাঁচটি ইউনিট গিয়ে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। ১০টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা জেলার সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে তাঁরা ধারণা করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, বেলুন ফোলানোর হিলিয়াম অথবা হাইড্রোজেন গ্যাসের সিলিন্ডার ছিল। তাই সাবধানতার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়েছে। তবে কোনোরকমের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি।
দোকানগুলোতে ছিল বেলুন ফোলানোর গ্যাসের সিলিন্ডার.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
সংস্কার নিয়ে এবি পার্টির সঙ্গে আগামীকাল আলোচনায় বসবে ঐকমত্য কমিশন
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পর আবারও সংস্কার প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আগামীকাল সোমবার বিকেলে এবি পার্টির সঙ্গে আলোচনা করবে কমিশন।
আগামীকাল বেলা তিনটায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বলে কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির জন্য গত বছরের অক্টোবরে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এর মধ্যে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ নিয়ে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে ঐকমত্য কমিশন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে লিখিত মতামত নেওয়ার পর গত ২০ মার্চ থেকে দলগুলোর সঙ্গে আলাদা আলাদা আলোচনা শুরু করে কমিশন। অবশ্য এসব আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টা উপস্থিত থাকছেন না। ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
ইতিমধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ লেবার পার্টি এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে আলোচনা করেছে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় এবি পার্টির সঙ্গে আলোচনায় বসছে ঐকমত্য কমিশন। এরপর পর্যায়ক্রমে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করবে কমিশন।