ঈদের ছুটিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে ফুফাতো বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে তিতাস নদীতে গোসল করতে নেমে মারিয়া আক্তার নামে এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে হোমনা পৌরসভা শ্রীমদ্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারিয়া আক্তার (১১) নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ এলাকার আলী নেওয়াজের মেয়ে। নেওয়াজের বাড়ি হোমনা উপজেলায় হলেও তিনি নারায়ণগঞ্জে বসবাস করেন।
জানা গেছে, ঈদের দুই দিন পর ফুফাতো বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসে মারিয়া আক্তার। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ফুফাতো বোনের মেয়ে সমবয়সী ফাতেমা তুজ জোহরার সঙ্গে তিতাস নদীতে গোসল করতে যায় মারিয়া। নিখোঁজের আগে মারিয়া তার ভাগনি ফাতেমাকে বাড়িতে সাবান রেখে আসতে বলে, সে আরেকটু গোসল করবে এর পরও ফাতেমা তাকে ছাড়া যেতে রাজি হয়নি। আবার বললে বাড়ি যায় ফাতেমা, বাড়ি গিয়ে তার ভাইকে জানায়। পরে মারিয়ার ভাই এমদাদুল গিয়ে তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা নদীতে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে মারিয়াকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। চাঁদপুর থেকে আসে ডুবুরি দল। কিন্তু শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। আজ রোববার সকালে আবার উদ্ধার অভিযান চালানো হবে বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন শিশুটির মা-বাবা।
ফায়ার ফাইটার রেজওয়ান সমকালকে জানান, শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে খবর পেয়ে আমাদের উদ্ধারকারী দল ও চাঁদপুরের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালায়। কিন্তু শিশুটিকে পাওয়া যায়নি। রোববার সকালে আবার উদ্ধার অভিযান চালানো হবে।
ফাতেমা জানায়, ‘নিখোঁজ মারিয়া আমাকে বলে তার গরম লাগছে গোসল করবে। এর পর আমরা ঘাটে যাই, গোসল করি। সে পানি পেয়ে উঠতে চায় না, বলে খালা তুমি সাবানটা রেখে আসো আমি আসতাছি। আমি বলি না, এখন আমার সঙ্গে আয়, সে বলে আসতাছি তুমি যাও। পরে আমি বাড়ি গিয়ে মারিয়ার বড় ভাই এমদাদুল মামাকে জানাই। এর পর ঘাটে এসে আর পাই না, আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে, তাকে খুঁজে না পেয়ে।’ একসঙ্গে কত মজা করেছে বলেই কান্নায় ভেঙে পড়ে ফাতেমা।
হোমনা থানার ওসি নাজমুল হুদা বলেন, ‘পুলিশ পাঠিয়েছি। ফায়ার সার্ভিসকে বলেছি, ডুবুরি দল এনে শিশুটি উদ্ধার করতে।’

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অন্য কোথাও নেই

“বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অন্য কোথাও নেই। এদেশের হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে যার যার ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসবে অনেক বেশি পূণ্যার্থীরা অংশ নিয়েছেন।”

বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাষ্টমী পুণ্য স্নানোৎসবের পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ২টা থেকে শুরু হয়ে ৫ এপ্রিল রাত ১২টা ৫১ পর্যন্ত দুই দিনব্যাপী লাঙ্গলবন্দের এই স্নানোৎসব চলবে। স্নানের লগ্ন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবে মেতে উঠেছেন দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো পুণ্যার্থী। লাঙ্গলবন্দের তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে। 

ঢাকা/অনিক/টিপু

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • নারায়ণগঞ্জে রিভালবারসহ কিশোর গ্রেপ্তার
  • দখলদারিত্ব ও জুলুমবাজদের দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় : মাও. মঈনুদ্দিন
  • দখলদারিত্ব ও জুলুমবাজদের দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় : মাও. মঈনুদ্দিন আহমাদ 
  • আড়াইহাজারে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত
  • লাঙ্গলবন্দকে ধর্মীয় পর্যটন নগরী গড়তে শিগগিরই কাজ শুরু : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • পাপমোচনের বাসনায় বিভিন্ন স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
  • বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অন্য কোথাও নেই
  • আন্দোলন সংগ্রামে এই বিজয় আসেনি, এটা আল্লাহ প্রদত্ত : গিয়াস উদ্দিন
  •  জেলা আইনজীবী ফোরামের নতুন কমিটিকে মহানগর বিএনপির শুভেচ্ছা