অনেক সময় কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু না হয়ে সেফ মোডে চলে যায়। মূলত সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ অবস্থা। যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল আর সব ড্রাইভ নিয়ে লোড হয়।
সহজভাবে বললে, পিসির বিপৎকালীন ন্যূনতম প্রস্তুতিতে যখন অপারেটিং সিস্টেম সচল হয়।
হুট করেই উইন্ডোজ ‘সেফ মোডে’ চালু হলে প্রাথমিকভাবে রিস্টার্ট করে প্রাথমিক সমাধান পাওয়া যেতে পারে। পরে স্বাভাবিকভাবে তা সচল হয় কিনা, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
কাজটি করতে বারবার ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে, সমস্যাটি জটিল আকার ধারণ করেছে।
উইন্ডোজের কোনো বিশেষ জরুরি ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়্যারের সমস্যার কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে। নতুন কোনো হার্ডওয়্যার সেটিংস বদলের ফলে যদি উইন্ডোজ বারবার সেফ মোডে চলে যায়, তাহলে আগের সেটিংস রিভার্স করে নেওয়াই হবে সহজ সমাধান। উইন্ডোজের সেফ মোডকে বলা হয় ডায়াগনস্টিক মোড।
উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 কি প্রেস করলে
যে মেন্যু দৃশ্যমান হয়, সেখান থেকে সেফ মোড
চালু করা যাবে। যেহেতু এটি ডায়াগনস্টিক মোড, তাই এমন মোডে বাড়তি কোনো কিছু কমান্ড না দেওয়াই শ্রেয়।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: উইন ড জ
এছাড়াও পড়ুন:
জেলের জালে ধরা পড়লো ১২ কেজির কোরাল
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় সোনাতলা নদীতে জেলের জালে ১২ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) রাতে স্থানীয় জেলে মো. নূরুল ইসলামের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি স্থানীয় বাজারে ৯২৯ টাকা কেজি দরে ১১ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়।
জেলে নূরুল ইসলাম জানান, তিনি প্রতিদিনের মতো সোনাতলা নদীতে জাল ফেলেছিলেন। জাল টানতে গিয়ে দেখেন, ভারি কিছু আটকে আছে। পরে দেখেন, একটি বড় কোরাল মাছ। সময়মতো উপযুক্ত ক্রেতা না পাওয়ায় কম দামে মাছটি বিক্রি করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকাসহ বড় শহরে এই ধরনের মাছের কেজি দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেই হিসেবে মাছটির দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়া উচিত ছিল।
আরো পড়ুন:
জেলের জালে ৩৪ কেজির ভোল মাছ, সাড়ে তিন লাখে বিক্রি
২৮ কেজির কাতল ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি
কলাপাড়া সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কোরাল উচ্চমূল্যের সামুদ্রিক মাছ, যা সাধারণত গভীর সমুদ্রে পাওয়া যায়। তবে নদীতে এত বড় কোরাল মাছ ধরা পড়া ভাগ্যের বিষয়।
ঢাকা/ইমরান/বকুল