চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ৫০ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী নারীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মো. দেলোয়ার হোসেন নামে ২২ বছরের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার চরতি ইউনিয়নের তুলাতুলি বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দেলোয়ার পার্শ্ববর্তী বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে। এ ঘটনায় চরতি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ মো.

নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে দেলোয়ারকে একমাত্র আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত দুইটার দিকে ওই নারীর ঘরে ঢোকে দেলোয়ার। এ সময় ওই নারীর চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এলে দেলোয়ার পালিয়ে যায়। প্রতিবন্ধী নারী ইশারা ইঙ্গিতে জানান, পালিয়ে যাওয়া যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে। তবে এলাকার লোকজন তাৎক্ষণিক পালিয়ে যাওয়া যুবকের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। শুক্রবার রাত দুইটার দিকে একই যুবক আবার ওই নারীর ঝুপড়ি ঘরে ঢুকলে তিনি চিৎকার শুরু করেন। তখন আশপাশের লোকজন এসে দেলোয়ারকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেলোয়ারকে থানায় নিয়ে যায়।

মামলার বাদী গ্রাম পুলিশ মো. নাছির উদ্দিন বলেন, 'পাগল বলে কি ওই নারী বিচার পাবে না? তাই বিবেকের তাড়নায় মামলার বাদী হয়েছি।'

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, 'গ্রেপ্তার যুবক মানসিক প্রতিবন্ধী ওই নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।'

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ওই ন র

এছাড়াও পড়ুন:

শুটিংয়ে আমরা কেঁদেছি, এখন জংলি দেখে দর্শকরা কাঁদছেন: এম রাহিম

সিনেমা হলে ঈদের সিনেমা চলছে রমরমিয়ে। দর্শক পছন্দের সিনেমা দেখতে এসে টিকিট না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন কিংবা অন্যটি দেখে বাড়ি ফিরছেন। এ কারণে মন খারাপ হচ্ছে অনেকের। 

তবে ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জংলি’ সিনেমাটি দর্শকদের মাঝে গল্প নিয়ে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। সিনেমাটি দেখে অনেকেই আবেগ ধরে রাখতে পাচ্ছেন না সে কথা বলছেন প্রকাশ্যেই। 

এবার সিনেমাটির পরিচালক এম রাহিম জানালেন সিনেমাটি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরিচালক লিখেছেন,শুটিংয়ের সময় কাউকে বুঝতে দেইনি যে আমি বুকের ভেতর কী নিয়ে শ্যুট করেছি। একটা সময় আর নিজেকে ধরে রাখতে পারতাম না, কখনো কখনো আড়ালে গিয়ে একা কান্না করতাম। এডিটের সময় কান্না করেছি, ডাবিংয়ের সময় করেছি, বিজিএম যখন করেছি, তখন করেছি। ফাইনাল সাউন্ড মিক্সের সময় যখন আউটপুট নিবো; তখন এডিটর, মিউজিক ডিরেক্টর, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারসহ ওখানে উপস্থিত এমন কেউ নেই যে কান্না করেনি।  

পরিচালক আরও যুক্ত করেছেন, আর এখন দর্শকের রিঅ্যাকশন দেখে চোখ দিয়ে কখন পানি পড়ছে- বুঝতেই পারিনা। তবে এই কান্না হচ্ছে আত্মতৃপ্তির কান্না। এই কান্না হচ্ছে মায়ার কান্না, প্রাপ্তির কান্না, দর্শকদের ভালোবাসার কান্না। 

পরিচালকের স্ট্যাটাসের সূত্র ধরে যোগাযোগ করা হয় তার সঙ্গে। প্রশ্ন রাখা হয় জংলি সিনেমায় কি শুধুই কান্নার? উত্তরে  এম রাহিম বলেন, একেবারেই না। আগেও বলেছি এই গল্পে ভায়োলেন্স, অ্যাকশন ও রোমান্স সব আছে। সঙ্গে আছেন সুন্দর একটি গল্প। যে গল্পটি মানুষদের ভালো লাগছে। তারা রিলেট করতে পারছে। গল্পটি তাদের আবেগে নক করতে পারছে। দর্শক রিঅ্যাকশন দিচ্ছে তারা দেশ ৩০ মিনিট কান্না করছেন।  এটা কিন্তু গল্পের ভেতরে প্রবেশর কারণে ঘটছে। শুটিংয়ের সময় আমরাও ওই দৃশ্যগুলো নেওয়র সময় কেঁদেছি। এখন হলে দর্শকরা কাঁদছে। এটিই জংলির সাফল্য। 

এম রাহিম পরিচালিত ‘জংলি’ সিনেমায় সিয়াম আহমেদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী, প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, দিলারা জামান, শহীদুজ্জামান সেলিম এবং রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ।

সম্পর্কিত নিবন্ধ