সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে মুরগীবাহী ট্রাক ও অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ভূঁইয়াগাঁতী পল্লীবিদ্যুতের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় আরও ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুইজন নারী ও তিনজন পুরুষ।

নিহত শিশু উল্লাপাড়া উপজেলার দেঘলবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মেরাজুল ইসলাম ও অপরজন সলঙ্গা থানার ঘুড়কা দাসপাড়া গ্রামের সুবল দাসের ছেলে সুশান্ত কুমার দাস।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মুরগীবাহী ট্রাক দ্রুত গতিতে বগুড়ার দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে ভূঁইয়াগাঁতী বাস স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে অটোভ্যানটি মহাসড়ক দিয়ে ঘুড়কার দিকে যাচ্ছিল। ভূঁইয়াগাঁতী পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রাক ও অটোভ্যানে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোভ্যানে থাকা শিশুসহ ২ যাত্রী নিহত হয়। আহত পাঁচজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে স্থানীয়রা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.

আব্দুর রউফ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ দুইজন নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তাৎক্ষণিক বাকীদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাঁদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: সড়ক দ র ঘটন শ শ সহ

এছাড়াও পড়ুন:

সুদীপ-পৃথার অসম বিয়ে ভেঙে গেল

ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি। ৫৬ বছর বয়সি এই অভিনেতা হাঁটুর বয়সে নায়িকা পৃথা চক্রবর্তীর সঙ্গে ঘর বাঁধেন। এ নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে এই দম্পতি খুব ভালো সময় পার করছিলেন। হঠাৎ দাম্পত্য জীবনে ছন্দপতন ঘটেছে, ভেঙে গেছে তাদের সংসার। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন পৃথা। এ অভিনেত্রী লেখেন, “আমি আর সুদীপ আর দম্পতি নেই। আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। আমরা আজীবন বন্ধু হয়ে থাকব।” 

এ বিষয়ে কথা বলতে সুদীপ মুখার্জির সঙ্গে ভারতীয় একটি গণমাধ্যম যোগাযোগ করে। শুটিং সেট থেকে এ অভিনেতা বলেন, “আমি শুটিংয়ে ব্যস্ত। বিন্দুবিসর্গ বুঝতে পারছি না। পৃথা এটা কী করেছে, তা আমি নিজেই জানি না!” 

আরো পড়ুন:

বাড়ি ফিরে এখনো কেঁদে ফেলি: ঋতুপর্ণা

নায়িকা হিসেবে বড় পর্দায় পা রাখছে মহেশ বাবুর কন্যা?

সুদীপ মুখার্জিও তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ডিটাচমেন্ট’ বা ‘হতে দাও’ এমন বাক্য লিখেছেন। এসবের অর্থ কী জানতে চাইলে সুদীপ বলেন, “সমস্যা সকলের জীবনেই কমবেশি থাকে। আমারও আছে। এই নিয়ে বেশি কিছু বলা মানায় না।” পাশাপাশি এও জানান, দুই সন্তানকে নিয়ে তারা এখনো এক ছাদের নিচে আছেন!

সুদীপ মুখার্জি প্রথম সংসার বাঁধেন অভিনেত্রী দামিনি বেণী বসুর সঙ্গে। এ সংসার ভাঙার পর পৃথার সঙ্গে ঘর বাঁধেন। কিন্তু এই জার্নি সহজ ছিল না। আপত্তি জানিয়েছিলেন পৃথার বাবা-মা। কারণ পৃথার এটি প্রথম বিয়ে।

তা ছাড়া সুদীপ মুখার্জি ও পৃথার বয়সের পার্থক্য ২৪ বছরের। তাই অসম এই বিয়ে নিয়ে নানাজন নানা মন্তব্যও করেছিলেন। অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন—সুদীপের টাকা দেখে বিয়ে করেছেন পৃথা। এ বিষয়ে পৃথা বলেছিলেন— “কোনো অল্প বয়সি পুরুষের মধ্যে মনের মানুষকে খুঁজে পাইনি। আর সুদীপের টাকা থাকলেও, আমি টাকার জন্য ওকে বিয়ে করিনি।”

সম্পর্কিত নিবন্ধ