টি-টোয়েন্টি মানেই ছক্কা। আইপিএলের মতো টুর্নামেন্ট হলে তো কথাই নেই—বল উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করাই এখানে ব্যাটসম্যানদের নেশা। অথচ এবার আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটসম্যানরা ছক্কাই মারতে পারছেন না—ম্যাচও হারতে হচ্ছে তাদের।

আজই এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ২৫ রানে হেরে গেছে তারা। পুরো ইনিংসে তাঁদের ব্যাটসম্যানরা মেরেছেন তিনটি ছক্কা। শুধু কী এই ম্যাচে, এবারের আইপিএলে চার ম্যাচ খেলে ফেলার পর সবচেয়ে কম ২৩টি ছক্কা চেন্নাইয়েরই, তাদের ঠিক ওপরে থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ৪ ম্যাচ খেলে মেরেছে ২৬ ছক্কা। চার ম্যাচে এক জয় নিয়ে তাঁরা আছে পয়েন্ট টেবিলের ৮ নম্বরে।

আজ চেন্নাইকে জারানো দিল্লি ক্যাপিটালস বেশ সুবিধাজনক অবস্থানেই আছে—তিন ম্যাচের সব কটিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলে এখন সবার ওপরে আছে দলটি। চেন্নাইয়ের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫ বল খেলে কোনো রান না করেই ফিরে গিয়েছিলেন ওপেনার জেইক ফ্রেজার-ম্যাগার্ক।

অভিষেক পোড়েলকে নিয়ে ওই পরিস্থিতি সামালে দেওয়ার চেষ্টা করেন লোকেশ রাহুল—পোড়েল ২০ বলে ৩৩, অক্ষর প্যাটেল ১৪ বলে ২১ ও সামির রিজভী ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হয়ে গেলেও একপ্রান্তে থেকে যান রাহুল।

দলকে সুবিধাজনক সংগ্রহ পাইয়ে দিয়ে শেষ ওভারের আউট হওয়ার আগে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৫১ বলে ৭৭ রান করেন তিনি। সব মিলিয়ে ইনিংসে ৭টি ছক্কা মারে দিল্লি ক্যাপিটালস। পয়েন্ট টেবিলে সবার ওপরে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালস ৩ ম্যাচে মেরেছে ২৮ ছক্কা।

রান তাড়ায় নামা চেন্নাইয়ের ব্যাটসম্যানরা কেউই সেভাবে রান করতে পারেননি। যার ব্যাটে কিছু রান এসেছে, তিনিও পাল্লা দিতে পারেননি গতির সঙ্গে। দুই ওপেনার রাচিন রবীন্দ্র (৬ বলে ৩) ও ডেভন কনওয়ে (১৩ বলে ১৪) সাজঘরে ফেরত যাওয়ার পর অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ও ৪ বলে ৫ রান করে আউট হন।

এরপর বিজয় শংকর নিজের প্রথম ৩১ বলে শুধু একটি বাউন্ডারি মারেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ২৬ বলে ১ চার ও ছক্কায় ৩০ রান করে তার সঙ্গী থাকেন মহেন্দ্র সিং ধোনিও। যদিও তাঁদের ৮৪ রানের জুটি শুধু হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ক য প ট লস ব য টসম য র ন কর

এছাড়াও পড়ুন:

মেহেরপুরে ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার 

মেহেরপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার চাঁদবিল মোড়ে একটি চায়ের দোকান থেকে ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

তারা হলেন, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আবু মোরশেদ শোভন ও জয়খান। নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের দায়ের করা একটি মামলা চলমান রয়েছে।

শোভন মেহেরপুর পৌর এলাকার ক্যাশব পাড়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে, জয়খান স্টেডিয়াম পাডার সবুজের ছেলে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাউদ্দিন তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। 

 

 

 

সম্পর্কিত নিবন্ধ