মার্কিনিদের কঠোর ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দিলেন ট্রাম্প
Published: 5th, April 2025 GMT
আমদানি করা পণ্যের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত একতরফা শুল্ক শনিবার থেকেই আদায় শুরু করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। স্বাভাবিকভাবেই চলতি সপ্তাহ থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিদেশি পণ্যের দাম বহু গুণে বেড়ে যাচ্ছে। তবে শুল্কের কারণে বর্তমানে দাম বাড়লেও ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে-আশ্বাস দিয়ে নাগরিকদের কঠোর ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প।
শনিবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে লিখেছেন,“আমেরিকার চেয়ে চীনের অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ধারেকাছেও নয়। তারা ও অন্যান্য অনেক দেশ আমাদের সাথে অস্থিতিশীলভাবে খারাপ আচরণ করেছে। আমরা বোকা এবং অসহায় হয়ে চাবুকের আঘাত পাওয়ার অবস্থানে ছিলাম, কিন্তু এখন আর নেই।”
মার্কিনিদের ভবিষ্যতের সফলতারি আশ্বাস দিয়ে ট্রাম্প লিখেছেন, প্রশাসন “আগের মতো চাকরি ও ব্যবসা ফিরিয়ে আনছে। এটি একটি অর্থনৈতিক বিপ্লব এবং আমরা জিতব। শক্ত করে ধরে থাকুন কিন্তু শেষ ফলাফল হবে ঐতিহাসিক।”
ঢাকা/শাহেদ
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
ধানখেতে ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ গেল কৃষকের
বরগুনার তালতলীতে ধানখেতে ইঁদুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কাদের মুন্সী (৬৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বড় আমখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড় আমখোলা গ্রামে বোরো ধান চাষ করেন একই গ্রামের সিদ্দিক ও নাসির মিয়া। তাঁরা ধানখেতে ইঁদুর মারার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে রাখেন। এর পাশেই বোরো ধান চাষ করেন কৃষক কাদের মুন্সী। তিনি গতকাল বিকেল ৪টার দিকে তাঁর ধানখেত দেখতে গেলে আর বাড়ি ফিরে আসেননি। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে ধানখেতে পাতা বৈদ্যুতিক ফাঁদের পাশে তাঁকে পাওয়া যায়। পরে স্বজনেরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় নিহত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ক্ষত দেখা যায়। এ ঘটনার পর থেকে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পাতা কৃষক সিদ্দিক ও নাসির মিয়া পলাতক।
নিহত কাদেরের ছেলে তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা বিকেলে ধানখেত দেখতে যান। পরে সন্ধ্যায় বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করি। একপর্যায়ে প্রতিবেশী সিদ্দিক ও নাসির মিয়ার খেতে পাতা বিদ্যুতের ফাঁদে বাবার মরদেহ দেখতে পাই।’
তালতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা আইরিন আলম বলেন, কৃষক কাদের মুন্সীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তিনি মারা গেছেন।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, নিহত কৃষকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।