মার্কিন নির্মাতা জেমস ক্যামেরনের বহুলপ্রতীক্ষিত সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তি পাবে চলতি বছরের ১৯ ডিসেম্বর। তার আগে গত বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত সিনেমাকনে দেখানো হয় সিনেমাটির প্রথম ট্রেলার, যা এখনও দর্শকের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এটি জেমস ক্যামেরনের অ্যাভাটার সিরিজের তৃতীয় সিনেমা। 

আগের কিস্তির মতো এবার দেরি হয়নি। কারণ অ্যাভাটার সিনেমার প্রায় সব কিস্তি তিনি একসঙ্গে শুট করেছেন। তাই সময়মতো মুক্তি পেতে চলেছে সিনেমাটি।

মার্কিন গণমাধ্যমসূত্রে জানা যায়, ‘সিনেমাকনে দর্শকদের থ্রিডি ট্রেলারে দেখানো হয় প্যান্ডোরার মনোমুগ্ধকর প্রকৃতি। সেখানে দেখা যায় দুটি নতুন নাভি উপজাতি– ‘উইন্ড ট্রেডার’ ও ‘ফায়ার পিপল’, যা দেখে উপস্থিত অনেক তারকাই মন্তব্য করেছেন– এবার আরও দুর্ধর্ষ কিছু আনতে যাচ্ছেন জেমস।

২০০৯ সালে অ্যাভাটার ও ২০২২ সালে ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’–দুটি সিনেমা ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। এবারও সে সাফল্য ধরে রাখতে চান নির্মাতা। যদি ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ও সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়, তাহলে এটি হবে ইতিহাসের প্রথম সিরিজ, যার তিনটি সিনেমা ২ বিলিয়নের ক্লাবে থাকবে।

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তি পাবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর। এরপর ‘অ্যাভাটার ৪’ আসবে ২০২৯ সালের ২১ ডিসেম্বর। পঞ্চম ছবি আসবে ২০৩১ সালের ১৯ ডিসেম্বর। ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমার শো টাইম আগের সিনেমা থেকে দীর্ঘ হতে চলেছে। এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন জো সালদানা, কেট উইন্সলেট, সিগর্নি ওয়েভার, স্টিফেন ল্যাংসহ অনেকে।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ড স ম বর

এছাড়াও পড়ুন:

ধানখেতে ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ গেল কৃষকের

বরগুনার তালতলীতে ধানখেতে ইঁদুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কাদের মুন্সী (৬৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বড় আমখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড় আমখোলা গ্রামে বোরো ধান চাষ করেন একই গ্রামের সিদ্দিক ও নাসির মিয়া। তাঁরা ধানখেতে ইঁদুর মারার জন্য বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে রাখেন। এর পাশেই বোরো ধান চাষ করেন কৃষক কাদের মুন্সী। তিনি গতকাল বিকেল ৪টার দিকে তাঁর ধানখেত দেখতে গেলে আর বাড়ি ফিরে আসেননি। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে ধানখেতে পাতা বৈদ্যুতিক ফাঁদের পাশে তাঁকে পাওয়া যায়। পরে স্বজনেরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় নিহত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ক্ষত দেখা যায়। এ ঘটনার পর থেকে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পাতা কৃষক সিদ্দিক ও নাসির মিয়া পলাতক।

নিহত কাদেরের ছেলে তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা বিকেলে ধানখেত দেখতে যান। পরে সন্ধ্যায় বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করি। একপর্যায়ে প্রতিবেশী সিদ্দিক ও নাসির মিয়ার খেতে পাতা বিদ্যুতের ফাঁদে বাবার মরদেহ দেখতে পাই।’

তালতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা আইরিন আলম বলেন, কৃষক কাদের মুন্সীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তিনি মারা গেছেন।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, নিহত কৃষকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ