রক্তচাপ কমে আসে। উত্তেজনা থেমে গেলে তুমি এবং তারা ফিরে ফিরে
দেখেছ; আর সবার মতো যখন সে মিশে যাচ্ছিল জনারণ্যে, ভিড়ে
যদিও যথেষ্ট দেখা যায়নি। তবু ব্যস্ত ছিল রোদ আর বাতাসে ছিল আর্দ্রতা ঠিক—
হিসাবে ভুল হয়ই। খোঁজ নিতে গিয়ে জেনেছি বাতাসও পৌত্তলিক।
কত কিছু ঘটে। কেউ কেউ রীতিমতো যুদ্ধই বাধিয়ে বসে ভুলে—
আর দ্বিধাহীন কেড়ে নেয় প্রাণ। মৃত্যু আসে—ঘরে মসজিদে, মন্দিরে, স্কুলে
গিয়েছিল যারা তাদের নিথর দেহ পড়ে থাকে। নিতান্ত এহসান পর্যন্ত মেলে না;
আমাদের চোখ আছে, আছে আলো ও ঝাড়বাতি, তবু কমবেশি সকলেই কানা।
ভিড় ভেঙে এসেছিল যারা, আদতে তারাই ছিল নমুদার খুনি!
এই কথা জানা ছিল যাদের, দৃষ্টি ঘুরিয়ে নিয়েছিল নির্ভার তখনই।
নিহত আত্মার অন্বেষণে বেরিয়ে তুমিও দূর দিগন্তে মিলিয়ে গেলে—
অথচ সবাই বলাবলি করছে, নারীর শরীরে ঘুমিয়ে ছিল ছেলে
তুমিও দেখোনি!
.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
ভোটকেন্দ্রে গুলির পাঁচ বছর পর মামলা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শান্তিরাম ইউনিয়নের পরান বয়েজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গোলাগুলির ঘটনার পাঁচ বছর পর মামলা হয়েছে। ঘটনার সময় গুলিবিদ্ধ মো. শাহিন মিয়ার বাবা শান্তিরাম ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. আইয়ুব আলী গত বৃহস্পতিবার বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। এতে ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে। মামলায় শান্তিরাম ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শাহিন, ইউপি চেয়ারম্যান এ বি এম মিজানুর রহমান খোকন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরুজিত কুমার প্রামাণিক, সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, উপজেলা জাতীয় পাটির সহসভাপতি মো. আবুল হোসেনসহ দুই দলের ৩১ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ রয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ভোট চলাকালে ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে জয়ী করতে ভোটার এবং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এর পর লাঙল মার্কায় সিল মারতে থাকেন আসামিরা। ভোটাররা প্রতিবাদ করলে আসামি রুবেল মিয়া তাঁর কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে শাহিন মিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন। স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বাদী মো. আইয়ুব আলী বলেন, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির দলীয় প্রভাবের কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেই তিনি মামলা করেছেন।
বাদী এজাহার দায়ের করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান সুন্দর থানার ওসি মো. আব্দুল হাকিম আজাদ। তিনি বলেন, কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।