চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার ৫
Published: 5th, April 2025 GMT
চট্টগ্রাম মহানগরীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে দেড় কোটি টাকা দামের স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি সিগারেটসহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) গভীর রাতে পতেঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল বিমানবন্দর সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানোর সময় এসব স্বর্ণ ও সিগারেট জব্দ করে।
গ্রেপ্তার পাঁচ জন হলেন—মো. তৌফিকুর রহমান সোহাগ (৩৭), মো.
পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পতেঙ্গা থানাধীন বিমানবন্দর মোড়ে পুলিশের একটি দল চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনের সময় রাত সোয়া ১১টার দিকে সন্দেহজনক একটি গাড়ি তল্লাশি করে। এ সময় গাড়ির ভিতর থেকে ১ কেজি ১৫৫ গ্রাম স্বর্ণ, পাঁচটি মোবাইল ফোন, দুটি ল্যাপটপ ও ১৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করে। এসব মালামালের দাম প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ সময় গাড়িতে থাকা চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেক জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের শনিবার চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ঢাকা/রেজাউল/রফিক
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
ভোটকেন্দ্রে গুলির পাঁচ বছর পর মামলা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শান্তিরাম ইউনিয়নের পরান বয়েজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গোলাগুলির ঘটনার পাঁচ বছর পর মামলা হয়েছে। ঘটনার সময় গুলিবিদ্ধ মো. শাহিন মিয়ার বাবা শান্তিরাম ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. আইয়ুব আলী গত বৃহস্পতিবার বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। এতে ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে। মামলায় শান্তিরাম ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শাহিন, ইউপি চেয়ারম্যান এ বি এম মিজানুর রহমান খোকন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরুজিত কুমার প্রামাণিক, সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, উপজেলা জাতীয় পাটির সহসভাপতি মো. আবুল হোসেনসহ দুই দলের ৩১ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ রয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ভোট চলাকালে ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে জয়ী করতে ভোটার এবং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এর পর লাঙল মার্কায় সিল মারতে থাকেন আসামিরা। ভোটাররা প্রতিবাদ করলে আসামি রুবেল মিয়া তাঁর কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে শাহিন মিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন। স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বাদী মো. আইয়ুব আলী বলেন, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির দলীয় প্রভাবের কারণে মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেই তিনি মামলা করেছেন।
বাদী এজাহার দায়ের করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান সুন্দর থানার ওসি মো. আব্দুল হাকিম আজাদ। তিনি বলেন, কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।