ভাগাড়ে কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা
Published: 5th, April 2025 GMT
ভাগাড়ে কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর মাতুয়াইলে স্যানিটারি ল্যান্ডফিল (ময়লার ভাগাড়) এলাকা পরিদর্শনে এসে বায়ুদূষণ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলের আশপাশের এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিগগিরই এই ময়লার ভাগাড় মাতুয়াইল থেকে পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। পরিস্থিতির উন্নয়নে পার্শ্ববর্তী দুটি স্টিল মিল বন্ধে নির্দেশ দেওয়া হবে।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ভাগাড়ে কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না। ব্যাটারি পোড়ানো বা ব্যাটারির সিসা আলাদা করা যাবে না।
রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করার কথাও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল (ময়লার ভাগার) দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে আসছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখানে ময়লা পোড়ানো বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ারও জোর দাবি তাদের।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: স য দ র জওয ন হ স ন পর ব শ উপদ ষ ট
এছাড়াও পড়ুন:
বিয়ের তিন মাসেই জীবন প্রদীপ নিভল নবদম্পতির
হৃদয় প্রামাণিক ও মেহজাবিন মৌয়ের বিয়ে হয়েছিল তিন মাস আগে। আনন্দ-উল্লাসে, ঘোরাঘুরি করে সুখেই দিন কাটছিল মেধাবী এ দম্পতির। কিন্তু ছোট একটি দমকা হাওয়া থামিয়ে দিয়েছে তাদের। নৌকাডুবিতে নিভে গেছে জীবনপ্রদীপ। তাদের বাড়িতে এখন শুধুই শোকের মাতম। মাত্র তিন মাসেই দুই পরিবারের আনন্দ পরিণত হয়েছে বিষাদে।
পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর কোলচোরি গ্রামের দুলাল প্রামাণিকের ছেলে হৃদয় প্রামাণিক (২২)। তাঁর স্ত্রী আতাইকুলা থানার বনগ্রামের মনিরুজ্জামান মানিকের মেয়ে মাসুদা মেহজাবিন মৌ (১৯)। তিনি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্রী।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ঈদের ছুটিতে গত শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে পদ্মা নদীতে নৌকা ভ্রমণে যান এ দম্পতি। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের কাঞ্চন পার্ক এলাকায় হঠাৎ দমকা হাওয়ায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠলেও সাঁতার না জানা হৃদয় ও মৌ নিখোঁজ হন।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের চেষ্টায় ১৬ ঘণ্টা পর গত শনিবার সাতবাড়িয়ায় পদ্মা নদীর চর থেকে দু’জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, হৃদয় খান এবং মেহজাবিন মৌ দু’জনই অত্যন্ত মেধাবী। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের পর পরিবারের সম্মতিতে তিন মাস আগে বিয়ে হয়েছে।
হৃদয় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। মৌ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। স্থানীয় স্কয়ার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ খতিব শাহনাজ সুলতানা নাজলী ফেসবুকে লিখেছেন, কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মৌ এবং তাঁর স্বামীর ইন্তেকালে তারা মর্মাহত। তাদের পরিবারকে এ শোক সইবার ধৈর্য দিন।
পাবনার নাজিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জয়ন্ত চন্দ্র দে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জেলেদের মাধ্যমে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।