টাঙ্গাইলের সখীপুরে পরকীয়া সম্পর্ক থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামী জুয়েল রানাকে (৩৮) স্ত্রী তানিয়া আক্তার হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার কালিয়ানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুয়েল রানা ওই গ্রামের মজনু শিকদারের ছেলে।

এ ঘটনায় জুয়েলের বাবা বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

আরো পড়ুন:

ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, ইউপি সদস্যের বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

গণহত্যা মামলা: হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্তের খসড়া রিপোর্ট প্রসিকিউশনে

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে জুয়েলের সঙ্গে তানিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন সন্তানও রয়েছে। সবকিছু ভালোই চলছিল। কিন্তু, সম্প্রতি জুয়েলের সঙ্গে অন্য এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি জানার পরে তানিয়া কয়েকবার জুয়েল এবং ওই নারীকে বুঝান। কিন্তু, কোনো কাজ হয়নি। বরং তানিয়াকেই উল্টো মারধর করতেন জুয়েল। এ ঘটনার জেরে শনিবার রাতে কাঠের টুকরো দিয়ে আঘাত করে জুয়েলকে হত্যা করেন তানিয়া। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, ‘‘নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তানিয়া। এর সঙ্গে আরো কোনো বিষয় আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।’’

ঢাকা/কাওছার/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর হত য পরক য় এ ঘটন

এছাড়াও পড়ুন:

ঘুম ভাঙলেই মা-বাবাকে খুঁজছে ছোট্ট আরাধ্যা

চোখ খুলেই চারপাশে মা-বাবাকে খুঁজে ফিরছে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ছয় বছর বয়সী শিশু আরাধ্যা বিশ্বাস। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতির দিকে। ঘুম ভাঙলেই চিকিৎসক থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন সবার কাছেই জানতে চাইছে, মা-বাবা কোথায়। তবে কেউই অনাথ ছোট্ট এই শিশুটির কথার উত্তর দিতে পারছে না। 
আরাধ্যা এখন ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ রোববার তার পায়ের সার্জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা আরাধ্যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। 
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে স্কয়ার হাসপাতালে আরাধ্যার সঙ্গে থাকা আত্মীয় অসিত কুমার বাড়ৈ মোবাইল ফোনে সমকালকে বলেন, আগের চেয়ে তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার তার পায়ের সার্জারি করবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আপাতত তাকে মুখে খাবার দেওয়া যাচ্ছে না। তার এক মামাতো বোন তপতী বিশ্বাস আরাধ্যার দেখাশোনা করছে। ঘুম থেকে উঠলেই মা-বাবার ব্যাপারে জানতে চায় সে। তখন মামাতো বোনকে তার কাছে পাঠিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করি। তবে এভাবে কতদিন পারব কে জানে! 
গত বুধবারের দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আরাধ্যার বাবা দিলীপ বিশ্বাস ও মা সাধনা মণ্ডল। দুর্ঘটনায় প্রাণে বাঁচলেও আরাধ্যার দুই পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। আঘাত পেয়েছে মাথা, হাত, বুকসহ বিভিন্ন অংশে। তার বাবা দিলীপ বিশ্বাস ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঢাকার গাজীপুরের পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ছিলেন। 

সম্পর্কিত নিবন্ধ