নভেরা আহমেদের বাবা ছিলেন বেশ প্রগতিশীল মানুষ। বাবা তাঁর সব মেয়ের জন্যই সবচেয়ে ভালো লেখাপড়া নিশ্চিত করেছিলেন। ওরা ছিল চার বোন—ঝুনু, পেয়ারে, নভেরা আর টুকু। প্রত্যেকেই সেরা শিক্ষা পেয়েছিলেন। গান শিখেছেন, নাচ শিখেছেন, ছবি আঁকা শিখেছেন। সবই বাড়িতে আসা শিক্ষকের কাছে। সে সময়ে এটি ছিল ব্যতিক্রমী এক পরিবার, বিশেষ করে যখন সমাজে মেয়েদের শিক্ষা ও সৃজনশীলতার প্রতি এতটা গুরুত্ব দেওয়া হতো না।
ছোটবেলা থেকেই নভেরা নাচ ভালোবাসত। তার একমাত্র অনুপ্রেরণা ছিলেন উদয়শঙ্কর। তখন বিভিন্ন রকম সর্বভারতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো, বিশেষ করে কলকাতায়। মাত্র ছয় বছর বয়সে নভেরা এমনই এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। উদয়শঙ্করের শৈলীতে নৃত্য পরিবেশন করে জিতেছিল সোনার মেডেল।
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘তুমি কীভাবে সোনার মেডেল জিতলে?’
নভেরা হেসে বলল, ‘খুব সহজে।’ তারপর একটা মজার কাহিনি বলেছিল, ‘নাচের সময় আমার পায়ের ঘুঙুর পড়ে গিয়েছিল মেঝেতে। আমি নাচ থামালাম না। বরং তৎক্ষণাৎ কিছু নতুন ভঙ্গিমা করে নাচের মধ্যেই ঘুঙুর তুলে নিলাম। এটাই সবাইকে মুগ্ধ করল। বিচারকেরা তো অভিভূত হয়ে গিয়েছিলেন।‘
নভেরার পৈতৃক বাড়ি, চট্টগ্রাম.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
নভেরার অজানা জীবন
নভেরা আহমেদের বাবা ছিলেন বেশ প্রগতিশীল মানুষ। বাবা তাঁর সব মেয়ের জন্যই সবচেয়ে ভালো লেখাপড়া নিশ্চিত করেছিলেন। ওরা ছিল চার বোন—ঝুনু, পেয়ারে, নভেরা আর টুকু। প্রত্যেকেই সেরা শিক্ষা পেয়েছিলেন। গান শিখেছেন, নাচ শিখেছেন, ছবি আঁকা শিখেছেন। সবই বাড়িতে আসা শিক্ষকের কাছে। সে সময়ে এটি ছিল ব্যতিক্রমী এক পরিবার, বিশেষ করে যখন সমাজে মেয়েদের শিক্ষা ও সৃজনশীলতার প্রতি এতটা গুরুত্ব দেওয়া হতো না।
ছোটবেলা থেকেই নভেরা নাচ ভালোবাসত। তার একমাত্র অনুপ্রেরণা ছিলেন উদয়শঙ্কর। তখন বিভিন্ন রকম সর্বভারতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো, বিশেষ করে কলকাতায়। মাত্র ছয় বছর বয়সে নভেরা এমনই এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। উদয়শঙ্করের শৈলীতে নৃত্য পরিবেশন করে জিতেছিল সোনার মেডেল।
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ‘তুমি কীভাবে সোনার মেডেল জিতলে?’
নভেরা হেসে বলল, ‘খুব সহজে।’ তারপর একটা মজার কাহিনি বলেছিল, ‘নাচের সময় আমার পায়ের ঘুঙুর পড়ে গিয়েছিল মেঝেতে। আমি নাচ থামালাম না। বরং তৎক্ষণাৎ কিছু নতুন ভঙ্গিমা করে নাচের মধ্যেই ঘুঙুর তুলে নিলাম। এটাই সবাইকে মুগ্ধ করল। বিচারকেরা তো অভিভূত হয়ে গিয়েছিলেন।‘
নভেরার পৈতৃক বাড়ি, চট্টগ্রাম