রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রিভি রিহের একটি আবাসিক এলাকায় ৬ শিশুসহ অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।  শুক্রবার রুশ বাহিনী এ হামলা চালায়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এসব তথ্য জানিয়েছেন। খবর আলজাজিরার

হামলার পর উদ্ধার অভিযান চলছে এবং মস্কোর ওপর আরও চাপ প্রয়োগের জন্য পশ্চিমাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি।

রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগের মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটল।

নিপ্রোপেত্রভক্সের গর্ভনর সেরহি লিসাক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে লিখেছেন, শুক্রবারের হামলায় সেখানকার আবাসিক এলাকার কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে।

টেলিগ্রামে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, ফুটপাতে মরদেহ ও আহতদের দেহ পড়ে আছে। সেখানে একটি খেলার মাঠের ভিডিও রয়েছে। ভিডিওতে আকাশে ধূসর ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। তবে এসব ভিডিও যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।

নিপ্রোপেত্রভক্সের গর্ভনর আরও বলেন, জরুরি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে হামলায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইতিমধ্যে ৩০ জনেরও বেশি আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ মাসের শিশুও রয়েছে।

স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রুশ বাহিনী। এই ধরনের অস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় নেয়। অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া এগুলো ধ্বংস করা কঠিন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্রিভি শহরে ইউক্রেনীয় সেনা এবং বিদেশি প্রশিক্ষকদের একটি সমাবেশে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এই হামলার ফলে, শত্রুপক্ষের ৮৫ জন বিদেশি সেনা এবং অফিসারের পাশাপাশি ২০টি যানবাহণেরও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ইউক র ন ন হত ইউক র ন

এছাড়াও পড়ুন:

চলন্ত ট্রেনের ছাদে করছিলেন টিকটকের ভিডিও, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় চলন্ত ট্রেনের ছাদে টিকটক করার সময় ছাদ থেকে ছিটকে পড়ে আব্দুল কাইয়ুম ও তারেক নামে দুই যুবক নিহত হয়েছেন।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের গঙ্গাসাগর ব্রীজ এলাকায় চট্রগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কাইয়ুম কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার এলাকার করিম মিয়ার ছেলে ও তারেক কসবার বাসিন্দা ছিলেন।

এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের নাম পরিচয় এখনও জানাতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, ট্রেনটি গঙ্গাসাগর ব্রীজ এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রেনের ছাদে ওই চার যুবক টিকটক করছিলেন। ব্রীজের উপরে থাকা তারের সঙ্গে জড়িয়ে ছিটকে ব্রীজের নিচে পড়ে যান দুজন। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুল কাইয়ুম মারা যান। আহত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারেকও মারা যান।

আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন খন্দকার জানান, চট্রগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে করে চার বন্ধু সিলেট যাচ্ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, টিকটক করতে গিয়ে ওই চার যুবক ছিটকে পড়লে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে দুই ভাইকে লক্ষ্য করে ‘গুলি’, পড়ে যাওয়ার পর কুপিয়ে জখম
  • সালিশে বাদী পক্ষের ওপর হামলা, সাবেক ইউপি সদস্যসহ আহত ৭
  • রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে ৬ শিশুসহ নিহত ১৮
  • রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে শিশুসহ ১৪ জন নিহত
  • গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২০
  • ট্যাংকলরি ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
  • সিরাজগঞ্জে ট্যাংক লরি-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ 
  • ট্রেনের ছাদে ভিডিও করছিলেন চার যুবক, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের
  • চলন্ত ট্রেনের ছাদে করছিলেন টিকটকের ভিডিও, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের