Samakal:
2025-04-05@08:16:01 GMT

ছয়টি বিকল্প নিয়ে ভাবছে সরকার

Published: 5th, April 2025 GMT

ছয়টি বিকল্প নিয়ে ভাবছে সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি অন্যান্য দেশের মতো কিছুটা বেকায়দায় ফেলছে বাংলাদেশকেও। তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে অস্বাভাবিক এ শুল্কহার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে।

বিশ্ববাজারে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলো এরই মধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে কার্যকর কৌশল খুঁজে বের করা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে কোনো কোনো দেশ। বাংলাদেশকেও পরিস্থিতি বুঝে জুতসই কোনো কৌশল নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি (টিকফা) সম্পর্কিত বৈঠক ছাড়াও দ্রুত আলোচনার নানা সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলাসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি বাড়ানো সম্ভব। এর মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমলে শুল্ক কমানোর বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। 

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কাঠামো কীভাবে সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে অন্তত ছয়টি বিকল্প নিয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। 

কৌশলগত কারণে এসব বিকল্পের বিষয়ে জানাতে রাজি হননি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা। আগামীকাল রোববার সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেখানে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।  

জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি অনুবিভাগের প্রধান অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রহিম খান সমকালকে বলেন, একটা জুতসই সমাধানের বিষয়ে সরকার আশাবাদী। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং দু’জন বাণিজ্য বিশ্লেষককে নিয়ে আগামীকাল বৈঠকে বসবেন তারা। সবার মতামত পাওয়ার পর আরও পর্যালোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে। 

সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পরামর্শ

মার্কিন শুল্ক সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনাকে এ মুহূর্তে সহজ বিকল্প মনে করেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড.

জাহিদ হোসেন। 

গতকাল সমকালকে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের বার্তা বুঝতে ভুল হচ্ছে আমাদের। ঘোষণায় শুল্কহার নির্ধারণের যে প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে, তাতে বাংলাদেশে মার্কিন পণ্য আমদানিতে শুল্ক নেই– এমন কথা অবান্তর। এখানে মূল কথা হচ্ছে বাণিজ্য ঘাটতি। অবশ্য কিছু অশুল্ক, আধাশুল্ক বাধা, মেধাস্বত্ব, শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা, সরকারি ক্রয় নীতিমালা ইত্যাদির কথাও তারা বলেছে। সেগুলোর কী সমাধান বাংলাদেশ করবে এবং কত দিনের মধ্যে করবে, তার একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বসতে হবে। তার আগে অগোছালো কাকুতি-মিনতি করে কোনো লাভ হবে না। সংস্কার উদ্যোগ নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করতে হবে যে, এসব পদক্ষেপের ফলে তাদের রপ্তানি বাড়বে বাংলাদেশে। বাণিজ্য ব্যবধান কমে আসবে। বাংলাদেশ এ রকম প্রস্তাব তৈরি করলে যে কোনো সময় আলোচনা শুরু করা যায়। টিকফা কিংবা অন্য প্ল্যাটফর্মের জন্য বসে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। 

প্রতিযোগী দেশগুলো কী ভাবছে

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) জানুয়ারি পর্যন্ত সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, দেশটিতে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চীন ও ভিয়েতনাম। চতুর্থ অবস্থানে ইন্দোনেশিয়া এবং পঞ্চম ভারত। শীর্ষ দশের বাকি পাঁচ দেশ হচ্ছে যথাক্রমে মেক্সিকো, হুন্ডুরাস, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও দক্ষিণ কোরিয়া। 

এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম পরিস্থিতি মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণে গত বৃহস্পতিবারই উচ্চ পর্যায়ের একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা বুই থান চুনের নেতৃত্বে টাস্কফোর্সের কাজ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে সরকারকে কার্যকর পরামর্শ দেওয়া ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা, যাতে সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মার্কিন নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনা যায়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীকে টাস্কফোর্সের উপপ্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ দেশটির গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকেও টাস্কফোর্সের সদস্য করা হয়েছে। 

চীন মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার ব্যবসায়ীরা নতুন শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে। নতুন ঘোষণায় বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনামের পণ্যে শুল্ক দাঁড়াবে ৬১ শতাংশ। প্রধান রপ্তানিকারক চীনের পণ্যে শুল্কহার দাঁড়াবে ৬৯ শতাংশ। প্রতিযোগী অন্যান্য দেশের মধ্যে কম্বোডিয়ার পণ্যে শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ৬৪ শতাংশ। ভারতীয় পণ্যে ৪১ শতাংশ। পাকিস্তানি পণ্যে দাঁড়াবে ৪৪ শতাংশ। শ্রীলঙ্কা এবং মিয়ানমারের পণ্যে ৫৯ শতাংশ হারে। বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ৫২ শতাংশ। 

তুলা আমদানি বাড়ানোর পক্ষে মত

তুলার প্রধান ব্যবহার হয়ে থাকে টেক্সটাইল মিলগুলোতে। এই মিলগুলো রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকসহ সমজাতীয় অন্যান্য পণ্য উৎপাদন করে থাকে। এ ছাড়া দেশীয় বাজারে চাহিদার বস্ত্র ও পোশাকও জোগান দেয় তারা। জানতে চাইলে বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পরিচালক এবং লিটিল গ্রুপের  চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম গতকাল সমকালকে বলেন, দেশে চাহিদার সব তুলা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করলে কোনো অসুবিধা নেই। মার্কিন তুলায় তৈরি পোশাক সে দেশে রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা আদায়ের দাবিটিও জোরালোভাবে করা যাবে। পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তারা যদি আমদানি না করে যুক্তরাষ্ট্রের তুলায় তৈরি দেশীয় এসব বস্ত্র ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি খুব বেশি থাকার কথা নয়। তখন শুল্কও সহনীয় হারে নেমে আসবে।

আমেরিকা থেকে তুলা আসতে সময় ও ব্যয় বেশি হবে কিনা– জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো সমস্যা হবে না। মাত্র এক মাসের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বাংলাদেশে আসে। আমাদের হাতে তিন মাসের তুলার মজুত থাকে সব সময়। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, কলম্বো ও পেনাং বন্দরে এনে জমাও রাখা থাকে। প্রয়োজনে চট্টগ্রাম বন্দরে তুলা হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আলাদা টার্মিনাল করা যেতে পারে। এখন প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে মিথ্যা ঘোষণায় তুলা আসে, সুতা আসে। বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পকে যা ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সব মানের তুলা জন্মে। কম দামের পোশাক উৎপাদন কিংবা উচ্চ মূল্যের পোশাক উৎপাদন উপযোগী তুলা পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সরকার যদি শুল্ক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করাতে পারে, তাহলে প্রয়োজনীয় সব তুলা দেশটি থেকে আনতে কোনো বাধা নেই। 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলায় উৎপাদিত বাংলাদেশের পোশাক দেশটিতে রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধার দাবি দীর্ঘদিন দরে করে আসছে তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে এ ব্যাপারে রাজি করাতে কয়েকজন সিনেটরের কাছে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানান সংগঠনের তখনকার সভাপতি ফারুক হাসান। এর আগেও মার্সা বার্নিকাট ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত থাকাকালে একই অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয় বিজিএমইএর পক্ষ থেকে। দুই পক্ষের বিভিন্ন আলোচনায়ও  দফায় দফায় বিষয়টি তোলা হয়। তবে এ পর্যন্ত কোনো ফল হয়নি। 

এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব অঞ্চলে তুলার চাষ বেশি হয়, সেসব অঞ্চলের স্থানীয় সরকারের সঙ্গেও বাংলাদেশের জিএসপি নিয়ে বৈঠক করার পরিকল্পনা ছিল বিজিএমইএর। এতে স্থানীয় তুলা চাষিরা লাভবান হবেন– সে বিষয়টি তাদের বোঝানোর কথা ছিল। বৈশ্বিক পোশাক বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ৭ শতাংশ। এর ৭২ শতাংশই তুলায় তৈরি। এ কারণে তুলার দ্বিতীয় প্রধান আমদানিকারক দেশ বাংলাদেশ। নিজস্ব তুলা মাত্র ১ শতাংশ। বাকি ৯৯ শতাংশই আমদানি করতে হয়। গত বছর প্রায় ৫০০ কোটি পাউন্ড তুলা আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০ কোটি পাউন্ড তুলা আমদানি করা হয়।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: শ ল ক আর প প রস ত ব সরক র র র স গঠন পদক ষ প ব কল প পর য য় ব ষয়ট আমদ ন সহন য়

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদের ছুটিতেও সেবা মিলেছে পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে, খুশি প্রসূতিরা

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন। পরিবারের সদস্যরা সবাই ঈদ–আনন্দ উদ্‌যাপনে ব্যস্ত। এর মধ্যেই হঠাৎ প্রসবব্যথা ওঠে গৃহবধূ মিতু বেগমের। প্রসবের জন্য মিতুকে কোথায় ভর্তি করাবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যান পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে নিয়ে যান স্থানীয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে। সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে একটি মেয়েসন্তানের জন্ম দেন মিতু।

মিতু বেগম লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের কেরোয়া গ্রামের মো. রাশেদের স্ত্রী। মিতুর স্বামী রাশেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদের দিন হওয়ায় চিকিৎসক-নার্স পাব কি না, যথাযথ সেবা পাওয়া যাবে কি না, সংশয়ে ছিলাম। কিন্তু ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে আমি অভিভূত। তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় সব সেবা পেয়েছি। মা-মেয়ে দুজনেই সুস্থ রয়েছেন।’

কেবল মিতু বেগম নয়, গত ২৮ মার্চ থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত আট দিনে ৫৫ জন প্রসূতি স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে। ঈদের ছুটিতেও প্রসব সেবা পেয়ে খুশি এসব প্রসূতি।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, লক্ষ্মীপুরে ৩৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র চালু রয়েছে। এবারই প্রথম ঈদের ছুটিতে সব কটি কেন্দ্র চালু রাখা হয়েছে। প্রসব ছাড়াও এসব স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে ১৭৩ জন প্রসবপূর্ব সেবা, ৯০ জন প্রসব–পরবর্তী সেবা নিয়েছেন। এ ছাড়া চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন তিন শতাধিক রোগী।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, ‘এবারই প্রথম ঈদের ছুটিতে স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা বিভাগের অধিকাংশ চিকিৎসক, ভিজিটর, অ্যাটেনডেন্ট, নার্স ডিউটিতে সময় পার করেছেন। মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রসহ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে ছুটির ৯ দিন ২৪ ঘণ্টা সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। আজ শনিবার পর্যন্ত এক ঘণ্টার জন্যও সেবা ব্যাহত হয়নি।’

সম্পর্কিত নিবন্ধ