মুসল্লিদের বাধায় স্থগিত ‘আপন-দুলাল’ নাটক আজ শনিবার বেলা ১১টায় মঞ্চায়ন হবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আয়োজক মো. শামসুল হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাটক মঞ্চায়নের ব্যাপারে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না তাস্‌নীম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নূরুল আমীন এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহম্মদ আব্দুল বারিক নাটক মঞ্চায়ন বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে রানীগঞ্জ বাজার মসজিদের সভাপতি ব্যবসায়ী মো.

সিরাজুল ইসলাম জানান, নাটক মঞ্চায়নের সময় অশালীন কর্মকাণ্ড না করলে তাদের আপত্তি থাকবে না।

রানীগঞ্জ বাজার মসজিদের ইমাম মো. আজিজুল হক তুষার জানান, অশ্লীলতামুক্ত নাটক মঞ্চস্থ হলে তাঁর আপত্তি থাকবে না।

কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা বলেন, অশ্লীলতা ও মাদকমুক্ত পরিবেশে নাটক মঞ্চস্থ হলে তাদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।

ওসি মুহম্মদ আব্দুল বারিক জানান, নাটক মঞ্চস্থ করার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

ইউএনও তামান্না তাস্‌নীম জানান, নাটকটি সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে মঞ্চস্থ করার জন্য আয়োজককে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

রাজনৈতিক বিরোধে নাটক মঞ্চায়ন বাতিল: পুলিশ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বিএনপির সিনিয়র ও জুনিয়র নেতাদের বিরোধের কারণে ‘আপন-দুলাল’ নাটকের মঞ্চায়ন বাতিল হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। গতকাল বাংলাদেশ পুলিশের ফেসবকু পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করা হয়। এ ছাড়া গণমাধ্যমে ইমামের বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটিতে মাঠ, পার্ক ও রাস্তা দখল করে মেলা

ঈদ ও বৈশাখী মেলার নামে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুটি মাঠ, একটি পার্ক ও একটি সড়কের এক পাশ দখল করে ব্যবসা করছেন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি। মেলা আয়োজনের জন্য সিটি করপোরেশনের কোনো অনুমতি নেননি তাঁরা। দক্ষিণ সিটির মতোই ঢাকা উত্তর সিটিতেও একটি মাঠ দখল করে মেলা বসানো হয়েছে। এই মেলার আয়োজকেরাও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির সম্পত্তি বিভাগের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে মেলা আয়োজনের জন্য বেশ কয়েকটি আবেদন এসেছিল। কিন্তু খেলার মাঠ ও পার্কে মেলা আয়োজনের অনুমতি না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ বিষয়গুলো দেখভালের জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু এরপরও মেলা ঠেকানো যায়নি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির যে চারটি জায়গায় মেলা বসানো হয়েছে সেগুলো হলো—ধূপখোলা খেলার মাঠ, নারিন্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা মাঠ, ইংলিশ রোডের মালিটোলা পার্ক এবং ধোলাইখালের প্রধান সড়কের এক পাশের একটি অংশে। অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটির আওতাধীন মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের প্যারিস রোড খেলার মাঠেও মেলা বসানো হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পার্ক ও খেলার মাঠে যাতে মেলা না বসে সে জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল বলে জানান সংস্থাটির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, খেলার মাঠ ও পার্কে মেলা বসানোর কোনো অনুমতি তাঁরা দেননি।

তাহলে কেন মেলা বন্ধে সিটি করপোরেশন ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এমন প্রশ্নে মোহাম্মদ ফারাবী বলেন, অভিযান চালাতে হলে তাঁদের পুলিশের সহযোগিতা নিতে হয়। তাঁরা ডিএমপিকে অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি পক্ষ খেলার মাঠ ও পার্কে মেলা বসানোর সুযোগ নিচ্ছে।

ধূপখোলা খেলার মাঠে পাশাপাশি বসানো হয়েছে দোকান

সম্পর্কিত নিবন্ধ