যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান বরখাস্ত
Published: 5th, April 2025 GMT
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) প্রধানকে বৃহস্পতিবার বরখাস্ত করা হয়েছে। দু’জন বর্তমান ও একজন সাবেক কর্মকর্তার বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া এই কর্মকর্তা হলেন টিমোথি হফ। তিনি ইউএস সাইবার কমান্ডেরও প্রধান। টিমোথির পাশাপাশি তাঁর সহকারী এবং এনএসএর উপপরিচালক ওয়েন্ডি নোবেলকেও নিজের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। টিমোথিকে কেন বরখাস্ত করা হলো এবং তাঁর সহকারী ওয়েন্ডিকেইবা কেন নতুন দায়িত্ব দেওয়া হলো, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।
ওয়েন্ডি নোবেলকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনের অফিস অব দ্য আন্ডার সেক্রেটারি অব ডিফেন্স ফর ইন্টেলিজেন্সের একটি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এনএসএ প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি অংশ। এনএসএর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে মার্কিন সাইবার কমান্ডের উপপ্রধান উইলিয়াম হার্টম্যানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর ভারপ্রাপ্ত সহকারী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে শেইলা থমাসের। তিনি এনএসএর নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। টিমোথির মতো এনএসএর একজন দলনিরপেক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতাকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বরখাস্ত করার ঘটনা বিস্ময়কর।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: বরখ স ত
এছাড়াও পড়ুন:
কানাডার ওপর শুল্ক আরোপের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের দলের ৪ সিনেটর
কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের বিরোধিতা করে সিনেটে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। গতকাল বুধবার বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্প পাল্টা শুল্ক আরোপ করার কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষে প্রস্তাবটি পাস হয়।
সিনেটে ওই প্রস্তাবের পক্ষে ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির চার সদস্য। তাঁরা হলেন কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের সিনেটর র্যান্ড পল ও মিচ ম্যাককোনেল, মেইন অঙ্গরাজ্যের সিনেটর সুসান কলিনস এবং আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের সিনেটর লিসা মারকোস্কি।
আরও পড়ুনট্রাম্পের নতুন শুল্ক আরোপের তালিকায় রাশিয়া, উত্তর কোরিয়ার নাম নেই কেন৭ ঘণ্টা আগেসিনেটে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন। কানাডার পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপে ট্রাম্পের জরুরি ঘোষণা বাতিল করতে প্রস্তাবটি আনা হয়। পরে প্রস্তাবটি ৫১–৪৮ ভোটে পাস হয়।
সিনেটে দেওয়া বক্তৃতায় কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের র্যান্ড পল বলেন, ‘আজ আমরা সিনেটে উপস্থিত হয়েছি। কারণ, আমাদের দেশের একজন ব্যক্তি শুল্ক বাড়াতে চান। আমাদের দেশ যে চেতনার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত তার পরিপন্থী। একজন ব্যক্তির শুল্ক বাড়ানোর অনুমতি নেই। সংবিধান তা নিষেধ করে।’
পল আরও বলেন, ‘আমি গণতন্ত্রকে এড়িয়ে যাওয়া, সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রকে এড়িয়ে যাওয়া, (যুক্তরাষ্ট্রের) প্রতিষ্ঠাকালীন নীতিগুলোকে অস্বীকার করার ধারণার বিরুদ্ধে। তবে এই বিরোধিতাটা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা থাকার কারণে নয়।’
আরও পড়ুনট্রাম্পের শুল্ক আরোপে চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যসহ দেশে দেশে ক্ষোভ৮ ঘণ্টা আগে