মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
Published: 4th, April 2025 GMT
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার রাণশিবাজার এলাকায় শুক্রবার (৪ এপ্রিল) আব্দুর রাজ্জাক (৩১) নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে নিহত হয়েছেন অভিযুক্ত যুবক আমিনুল ইসলাম (৩৩)। আব্দুর রাজ্জাক নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গোঁলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাণশিবাজার এলাকায় মাদকাসক্ত আমিনুল ইসলাম মাছ বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিতে আব্দুর রাজ্জাককে ছুরিকাঘাত করেন। বাজারের লোকজন আমিনুলকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে বাগমারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমিনুলকে উদ্ধার করে। এর কিছুক্ষণ পর প্রায় দেড় হাজার লোক বাজারে এসে পুলিশকে মারধর করে আমিনুলকে ছিনিয়ে নেয় এবং পিটিয়ে হত্যা করে।
ওসি জানান, এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ঢাকা/কেয়া/রফিক
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
সিলেটের আল-হারামাইনে কেন এসেছিলেন নাহিদ ইসলাম
সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সিলেট আগমন নিয়ে তোলপার চলছে। আকষ্মিক আলোচিত ব্যবসায়ী মাহতাবুর রহমান নাসিরের সিলেটের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আল হারামাইন হসপিটাল পরিদর্শন করার পর তোলপাড় শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সস্ত্রীক সিলেটে পৌঁছে নাহিদ ইসলাম নগরীর সোবহানিঘাট এলাকার আল হারামাইন হাসপাতালে যান। বিষয়টি শুক্রবার জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়।
সম্প্রতি ব্যবসায়ী নাসেরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশে হুন্ডি ব্যবসাসহ সিলেটে তার বাসা কাজী ক্যাসলে আওয়ামী লীগের নেতাদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। এ অবস্থায় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নাহিদ ইসলামের অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
তবে হাসপাতালের জিএম পারভেজ আহমদ সমকালকে জানান, বৃহস্পতিবার পায়ে আঘাত পেয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন নাহিদ। অর্থোপেডিক্স ডাক্তার দেখিয়ে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
এনসিপি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ২টার দিকে ইউএস-বাংলার ফ্লাইটে (বিএস-৫৩৫) স্ত্রীসহ ঢাকা থেকে সিলেট আসেন নাহিদ ইসলাম। পরে বিকেল ৩টার দিকে সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট এলাকায় অবস্থিত আল হারামাইন হাসপাতালে যান। সেখানে ঘণ্টাখানেক অবস্থানের পর সড়কপথে মৌলভীবাজারে উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।
শুক্রবার রাতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি শ্রীমঙ্গলের একটি রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন। আজ শনিবার তিনি ঢাকায় ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, মাহতাবুর রহমান নাসিরের বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বিদেশে কোটি কোটি পাচারের অভিযোগ উঠে। আতর ব্যবসার আড়ালে হুন্ডির মাধ্যমে এ টাকা পাচার করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। এমনকি ৫ আগসেটর পর তার বিলাসবহুল বাড়ি কাজী ক্যাসলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দীর্ঘদিন অবস্থান করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
পরবর্তীতে এলাকার লোকজন ওই বাড়িতে হামলা চালায়। এ ঘটনার পর বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। দুদক ও এনবিআর তার সম্পদের গোপন রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।