নোয়াখালী সদর উপজেলায় ‘পূর্ববিরোধের জেরে’ সুজন মাহমুদ (২৭) নামের এক যুবক ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের উদয় সাধুরহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

সুজন উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রামানন্দি গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় দিনমজুর। অন্যদিকে আটক যুবকের নাম রিমন (২৬)। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা ও পেশায় ওয়ার্কশপের শ্রমিক।

পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সূত্রে জানা গেছে, সুজনের সঙ্গে রিমনের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এর জেরে রিমন দুই সহযোগীকে নিয়ে গতকাল রাত ১০টার দিকে সুজনকে একটি ভবনের ছাদে ডেকে নেন। সেখানে তাঁদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রিমন ও তাঁর সহযোগীরা সুজনকে গলায়, বুকে ও হাতে ছুরিকাঘাত করে হত্যাচেষ্টা চালান। একপর্যায়ে সুজনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন। এ সময় তাঁরা রিমনকে আটক করে পিটুনি দেন। আর সুজনকে চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পূর্বশত্রুতার জেরে ওই তরুণকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: উপজ ল

এছাড়াও পড়ুন:

বিরোধের জেরে তরুণকে ডেকে নিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, আটক ১

নোয়াখালী সদর উপজেলায় ‘পূর্ববিরোধের জেরে’ সুজন মাহমুদ (২৭) নামের এক যুবক ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের উদয় সাধুরহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

সুজন উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রামানন্দি গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় দিনমজুর। অন্যদিকে আটক যুবকের নাম রিমন (২৬)। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা ও পেশায় ওয়ার্কশপের শ্রমিক।

পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সূত্রে জানা গেছে, সুজনের সঙ্গে রিমনের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এর জেরে রিমন দুই সহযোগীকে নিয়ে গতকাল রাত ১০টার দিকে সুজনকে একটি ভবনের ছাদে ডেকে নেন। সেখানে তাঁদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রিমন ও তাঁর সহযোগীরা সুজনকে গলায়, বুকে ও হাতে ছুরিকাঘাত করে হত্যাচেষ্টা চালান। একপর্যায়ে সুজনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন। এ সময় তাঁরা রিমনকে আটক করে পিটুনি দেন। আর সুজনকে চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পূর্বশত্রুতার জেরে ওই তরুণকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ