দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক–ইওল শেষমেশ ক্ষমতাচ্যুতই হলেন। ইতিপূর্বে তাঁকে অভিশংসিত করে পার্লামেন্টের নেওয়া পদক্ষেপকে দেশটির সাংবিধানিক আদালত আজ শুক্রবার দেওয়া রায়ে বহাল রাখেন।

গত বছর প্রেসিডেন্ট ইউন স্বল্প সময়ের জন্য দেশে সামরিক আইন জারি করেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিদ্রোহ করেছেন, এমন অভিযোগ আনেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা। এছাড়া, তাঁর এমন পদক্ষেপে বিক্ষোভ শুরু হলে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে পতিত হয় দেশটি।

বিক্ষোভের জেরে একপর্যায়ে পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্টকে অভিশংসিত করে। এখন আদালতের এ রায়ের ফলে দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ক্ষমতাসীন কোনো প্রেসিডেন্ট দোষী সাব্যস্ত হলেন।

নম্বর প্রেসিডেন্ট ইউন সুক–ইওলকে অভিশংসিত করা নিয়ে সাংবিধানিক আদালতের রায়কে সামনে রেখে প্রেসিডেনশিয়াল বাসভবনের সামনে সমবেত বিক্ষোভকারীদের কারও কারও হাতে তাঁর ছবি সংবলিত পতাকা শোভা পায়। সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া, ৪ এপ্রিল ২০২৫.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: র প র স ড ন ট ইউন

এছাড়াও পড়ুন:

সন্‌জীদা খাতুনের ৯৩তম জন্মদিন উদ্‌যাপন

ছায়ানটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সন্‌জীদা খাতুনের ৯২ বছর পূর্ণ হয়েছে ৪ এপ্রিল। এ উপলক্ষে পারিবারিক আয়োজনে উদ্‌যাপিত হয়েছে তাঁর ৯৩তম জন্মদিন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে ছায়ানট মিলনায়তনে সন্‌জীদা খাতুনের জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। তাঁর প্রিয় সুর-বাণী-ছন্দের পরিবেশনা ও স্মৃতিচারণায় অনুষ্ঠিত হয় এ আয়োজন।

গত ২৫ মার্চ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সন্‌জীদা খাতুন।

সন্‌জীদা খাতুনের বিপুল কর্মময় বর্ণাঢ্য জীবন সামগ্রিকভাবে বাঙালির মানস ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। সন্‌জীদা খাতুনের জন্ম ১৯৩৩ সালের ৪ এপ্রিল। তাঁর বাবা কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক। মা সাজেদা খাতুন গৃহিণী।

সন্‌জীদা খাতুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৪ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক, ১৯৫৫ সালে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এবং ১৯৭৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষকতা দিয়েই তাঁর কর্মজীবন শুরু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা করেছেন তিনি।

সম্পর্কিত নিবন্ধ