Prothomalo:
2025-04-04@20:08:00 GMT

ভিএআর ‘ফুটবল ধ্বংস করছে’

Published: 4th, April 2025 GMT

২০১৬ সালের জুলাইয়ে পিএসভি এবং এফসি আইন্দোভেন প্রীতি ম্যাচে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে ইউরোপিয়ান ফুটবলে ভিএআর এখন খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।

যদিও ভিএআর নিয়ে প্রায়ই সমালোচনা হয় এবং গতকাল রাতে চেলসির কাছে হারের পর সেটাই করেছেন টটেনহাম হটস্পারের কোচ অ্যাঞ্জ পোস্তেকোগলু।

প্রিমিয়ার লিগে চেলসির মাঠে ১–০ গোলে হেরেছে টটেনহাম। তবে ম্যাচটি ড্র হতে পারত। ৬৯ মিনিটে টটেনহামের সেনেগালিজ মিডফিল্ডার পাপে মাতারের গোল ফাউলের কারণে ভিএআর বাতিল করে দেয়।

গোলটি করার আগে ফাউল করেছিলেন পাপে মাতার, ভিএআর রেফারি জ্যারেড জিলেটের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলে এ সিদ্ধান্ত দেন মাঠের রেফারি ক্রেগ পসন। যে কারণে দ্বিতীয়ার্ধে যোগ করা সময় বেড়ে ১২ মিনিটে দাঁড়ায়।

হারের পর ভিএআর প্রযুক্তির কড়া সমালোচনা করে পোস্তেকোগলু বলেন, ‘এটা (ভিএআর) খেলাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কিন্তু কেউই এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।’

খেলোয়াড়ি জীবনে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে রক্ষণ সামলানো পোস্তেকোগলু বলছেন ভিএআর নিয়ে বিতর্কটা সবাই উপভোগ করছেন, ‘আমার মনে হয় সবাই নাটক, বিতর্ক পছন্দ করে। আমি নিশ্চিত যে এটি নিয়ে ২৪ ঘন্টা আলোচনা হবে, সবাই তো এটাই চায়। এটা খেলার জৌলুস নষ্ট করে দিচ্ছে।’

টটেনহামকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চারে উঠে এসেছে চেলসি। ৩০ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট তাদের। সমান ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে ম্যানচেস্টার সিটি। শীর্ষে থাকা লিভারপুলের সঙ্গে ২১ পয়েন্ট ব্যবধানে পিছিয়ে চেলসি।

আর টটেনহাম ৩০ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে ১৪তম। এমন দশা কিছুতেই মানতে পারছেন না টটেনহামের সমর্থকরা। তাঁরা দুষছেন কোচকেই। স্টামফোর্ড ব্রিজে হারের পর তাই সমর্থকদের দুয়ো শুনতে হয় পোস্তেকোগলুকে।

চেলসির জয়ের নায়ক আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ৫০ মিনিটে হেডে গোল করেন তিনি।

চেলসির তৃতীয় মিডফিল্ডার হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে টটেনহামের বিপক্ষে হোম এবং অ্যাওয়েতে গোল করার কীর্তি গড়লেন এনজো। তাঁর আগে ১৯৯৬–৯৭ মৌসুমে রবার্তো দি মাতেও এবং ১৯৯৮–৯৯ মৌসুমে গাস পয়েত টটেনহামের বিপক্ষে দুই লেগেই গোল করেছেন।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: চ লস র ভ এআর

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদ আনন্দে পঞ্চম দিনেও মুখর লালবাগ কেল্লা

ঈদের পঞ্চম দিন, শুক্রবার। ঢাকার রাস্তাঘাটে নেই যানজট, এখনো কর্মব্যস্ত হয়ে ওঠেনি রাজধানী। কিন্তু বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পুরান ঢাকার লালবাগ কেল্লায় ছিল ভিন্ন চিত্র। ফটকের সামনে টিকিট কেনার জন্য দীর্ঘ সারি। কয়েক শ বছরের পুরোনো মুঘল আমলের এই স্থাপনায় ঘুরতে এসেছেন নানা বয়সী মানুষ। পরিবার নিয়ে আসা মানুষের সংখ্যাই বেশি, যাঁরা ঈদের বন্ধে সময় কাটাতে শিশুদের নিয়ে এখানে এসেছেন।

ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, কেল্লার ছায়ায় কেউ বসে আড্ডা দিচ্ছেন, কেউ দূরে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, মাঠজুড়ে শিশুদের দৌড়ঝাঁপ। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া এক শিশু বলল, ‘বাসায় থাকলে শুধু টিভি দেখা হয়। আজ খেলতে পারছি ছোট ভাইদের সঙ্গে।’

লালবাগ কেল্লায় আনন্দে মেতে উঠেছে শিশুরা

সম্পর্কিত নিবন্ধ