পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর প্রধান সামাজিক আনন্দ আয়োজন বিজু সাংগ্রাই বৈসুক বিষু বিহু উপলক্ষে উৎসব শুরু হয়েছে। আর এই উৎসবকে ঘিরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে শুরু হয়েছে সাত দিনব্যাপী বিজু সাংগ্রাই বৈসুক বিষু বিহু মেলা । 

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল)  বিকালে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিটিউট মাঠে মেলার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.

) অনুপ কুমার চাকমা এনডিসি, পিএসসি। 

এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন। 

সাত দিনব্যাপী বিজু সাংগ্রাই বৈসুক বিষু বিহু মেলার উদ্বোধন

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুনেল চাকমা। 

মেলার প্রথমদিনে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে প্রায় তিন শতাধিক ক্ষুদে চিত্রশিল্পী রঙ তুলির মাধ্যমে পাহাড়ি জীবনধারা ফুটিয়ে তোলে। 

মেলায় প্রায় ১৮০টি স্টল রয়েছে। যেখানে পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, খাবার-দাবারসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই মেলায় লোক সমাগম বাড়তে শুরু করেছে। 

এসময় চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, খিয়াং, লুসাই, অহমিয়া, গুর্খা শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ঢাকা/শংকর/টিপু 

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ’৯০ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও উৎসবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ’৯০ ব্যাচের পুনর্মিলনী। শুক্রবার দিনভর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ উৎসব হয়। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর পরস্পরকে কাছে পেয়ে আড্ডা ও খুনসুটিতে মেতে ওঠেন সবাই।

সকালে স্কুলজীবনের স্মৃতি হিসেবে ঘণ্টা বাজিয়ে শুরু হয় ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠান। এর পর জাতীয় সংগীত, শপথবাক্য পাঠ ও র্যা লি শেষে প্রাক্তন শিক্ষক সম্মাননা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। প্রয়াত শিক্ষক ও ১৯৯০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এর পর উত্তরীয় পরিয়ে, মানপত্র পাঠ ও ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয় ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ৯ শিক্ষককে। তাঁরা হলেন– গুরুদাস সাহা, রমেন্দ্র নাথ রায় কর্মকার, প্রভাত কুমার বিশ্বাস, মুজাফফর হোসেন মোল্লা, শামসুল হক ভোলা মাস্টার, হারুনুর রশিদ, ইউনুস আলী, খলিলুর রহমান, মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ ও লোকমান প্রামাণিক।

বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানকে। এসএসসি ’৯০ ব্যাচের কৃতী শিক্ষার্থী আইসিসির আন্তর্জাতিক প্যানেল আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুলকেও সম্মাননা জানানো হয়। পরে সংবর্ধনা পাওয়া শিক্ষকরা অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

স্মৃতিচারণ পর্বে বক্তৃতা করেন এসএসসি ’৯০ ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রবীর সাহা, মিসকাতুর আহমেদ মিতু, মোস্তাক আহমেদ রানা, এস্তেয়াক আহমেদ রাজু, তাপস নন্দী পলাশ, অমরেশ রায়, অশোকেশ রায়, সরফরাজ খান সুন্দর, রেজাউল করিম, শ্যামলেন্দু চক্রবর্তী, শোয়েবুল ইসলাম, মিরাজুর রহমান, এনামুল করিম মামুন, হাবিব মৃধা, বাকী বিল্লাহ খান পলাশ, সজল কুমার সাহা প্রমুখ।

দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ’৯০ ব্যাচের শিক্ষার্থী, তাদের সন্তান এবং আমন্ত্রিত শিল্পীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন। শেষে পুরস্কার বিতরণ ও রাফেল ড্র হয়।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ’৯০ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
  • উৎসবে যেভাবে ঘর সাজাবেন
  • ঈদের ছুটিতে বাঙ্গালী নদীতে উৎসবের আমেজ
  • মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ‘মাস্তুল’
  • মস্কো উৎসবে বাংলাদেশের ‘মাস্তুল’
  • মস্কো উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ‘মাস্তুল’
  • উৎসবেও কেন আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি
  • উৎসবের পর শূন্য অনুভব করা বা পোস্ট-ফেস্টিভ‍্যাল ব্লুজ কাটাবেন কীভাবে
  • রান্না-খাওয়া পর্ব ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করলে নারীরাও আনন্দ করতে পারবেন