Prothomalo:
2025-04-04@19:21:56 GMT

অবহেলায় পড়ে ছিল দামি পাথর

Published: 4th, April 2025 GMT

পাহাড়, সমুদ্র বা বনে বেড়াতে গেলে স্মারক হিসেবে রাখতে অনেকেই অনেক কিছু কুড়িয়ে নিয়ে আসেন। রোমানিয়ার এক নারী দেশটির দক্ষিণ–পূর্বের একটি জলপ্রপাত দেখতে গিয়ে সেখান থেকে কুড়িয়ে এনেছিলেন বেশ বড়সড় একখণ্ড পাথর।

এক দশকের বেশি সময় ধরে পাথরখণ্ডটি তাঁর বাড়িতে অবহেলায় পড়ে ছিল। বাতাসের ঝাপটায় বাড়ির দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়া আটকাতে সেটি ‘ডোরস্টপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। কে জানত এটি কোনো সাধারণ পাথর নয়, রীতিমতো অ্যাম্বার (রত্নপাথর)।

অ্যাম্বার হলো জীবাশ্ম গাছের রেজিন। এটি তৈরি হতে কোটি কোটি বছর লেগে যায়। দারুণ উষ্ণ রঙের কারণে এগুলো রত্নপাথর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রোমানিয়ার কোল্টি এলাকায় অ্যাম্বার পাওয়া যায়। ১৯২০ সাল থেকে সেখানে অ্যাম্বার উত্তোলন করা হয়।

রোমানিয়ার ওই নারী যে পাথরটি খুঁজে পেয়েছেন, সেটি উজ্জ্বল লালচে রঙের। স্প্যানিশ পত্রিকা এল পাইস–এর খবর অনুযায়ী, পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষ পোল্যান্ডের ইতিহাস জাদুঘরের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাথরটি পাঠিয়েছিল।

সেটি পাঠানোর পরপরই পোলিশ–বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেন, সেটি কোনো সাধারণ পাথর নয়। সেটি একটি অ্যাম্বার পাথর। এটি তৈরি হতে ৩ কোটি ৮৫ লাখ বছর থেকে ৭ কোটি বছর লেগেছে।

রোমানিয়ার বুজু শহরের প্রাদেশিক জাদুঘরের পরিচালক দানিয়েল কোস্তাচে বলেন, বৈজ্ঞানিক ও জাদুঘর বিবেচনায় এই পাথর খুঁজে পাওয়া বিশাল বড় আবিষ্কার।

বুজুর এই জাদুঘরেই এখন বিশাল ওই অ্যাম্বার পাথর রাখা আছে। পাথরটির ওজন প্রায় সাড়ে তিন কিলোগ্রাম (৭ দশমিক ৭ পাউন্ড)। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এটি বিশ্বে এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে বড় দামি পাথরগুলোর একটি; আর অ্যাম্বারের মধ্যে সবচেয়ে বড়। অথচ পাথরটি বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে ছিল, রত্নচোরদের চোখ এড়িয়ে ডোরস্টপ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

যে নারী ওই পাথর কুড়িয়ে এনেছিলেন, তিনি ১৯৯১ সালে মারা যান। পরে তাঁর আত্মীয়রা পাথরটির মূল্য বুঝতে পারেন এবং রোমানিয়া সরকারের কাছে বিক্রি করে দেন। পাথরটির বাজারমূল্য প্রায় ১১ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকার বেশি।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: জ দ ঘর

এছাড়াও পড়ুন:

মিরসরাইয়ে বাসের ধাক্কায় তরুণীর মৃত্যু

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী সাদিয়া ইয়াসমিন যুথি (১৬) নামের এক তরুণী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড়তাকিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুথি ওই এলাকার পূর্ব পোলমোগরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. রিপন মিয়ার মেয়ে। তিনি এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তবে কোন প্রতিষ্ঠানে তিনি পড়তে তা জানা যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক বোরহান উদ্দিন সমকালকে বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড়তাকিয়া বাজার এলাকায় এক তরুণী নিহত হয়েছেন। স্বজনরা তার মরদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে গেছে।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ