ট্যাংকলরি-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় চার জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার পূর্বদেলুয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো- সলঙ্গা থানার আলোকদিয়ার গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম (৩৬) একই উপজেলার ডুবডাঙ্গা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে আব্দুল মমিন (৩৪)।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিরাজগঞ্জ রোড থেকে একটি সিএনজি যাত্রী নিয়ে উল্লাপাড়ার দিকে যাচ্ছিল। সিএনজিটি উল্লাপাড়ার পূর্বদেলুয়া ব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে একটি ট্যাংকলরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজি চালকসহ দুজন নিহত এবং চারজন আহত হয়।

ওসি আরও জানান, হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঢাকা/অদিত্য/এস

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর স এনজ

এছাড়াও পড়ুন:

একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৭ জনের

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবাহী পরিবহনের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।

এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান।

প্রত্যক্ষদর্শী বাসযাত্রী মতিন মিয়া বলেন, ‘চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী রিলাক্স পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। বেশ কয়েকবার চালক বাসটি থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যেই বিপরীত দিক থেকে আসা কক্সবাজারমুখী মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের সাত যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন ৫ জন।
 
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। 

লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র জানান, আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে একই স্থানে ঈদের দিন সোমবার দুই বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। গতকাল মঙ্গলবার একই স্থানে দুইটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৮ জন আহত হন। 

স্থানীয়রা জানান, লবণবাহী গাড়ি থেকে পানি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হওয়ায় বারবার এ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে। 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২০
  • সিরাজগঞ্জে ট্যাংক লরি-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ 
  • ট্রেনের ছাদে ভিডিও করছিলেন চার যুবক, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের
  • চলন্ত ট্রেনের ছাদে করছিলেন টিকটকের ভিডিও, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের
  • চলন্ত ট্রেনের ছাদে করছিলেন টিকটক, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল ২ জনের
  • চলন্ত ট্রেনের ছাদে টিকটক করার সময় ছিটকে পড়ে নিহত ২
  • একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১০ জনের
  • একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৮ জনের
  • একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৭ জনের