মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়ালো
Published: 3rd, April 2025 GMT
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির সামরিক জান্তা এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, প্রচণ্ড তাপ এবং ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে খোলা আকাশের নিচে ক্যাম্পিং করা ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়াদের মধ্যে রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে বলে ত্রাণ সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে।
গত শুক্রবার মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এটি এক শতাব্দির মধ্যে মিয়ানমারের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে একটি ছিল। ভূমিকম্পের কারণে ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষের বসবাসের এই অঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। হাসপাতালগুলোর মতো ভবন ভেঙে পড়েছে, বাড়িঘর ভেঙে গেছে। এর ফলে বাস্তুচ্যুত হয়েছে বিপুল সংখ্যক মানুষ।
ক্ষমতাসীন জান্তা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিন হাজার ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে, চার হাজার ৭১৫ জন আহত এবং ৩৪১ জন নিখোঁজ রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, মান্দালয়, সাগাইং এবং রাজধানী নেপিদোর মতো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কলেরা ও অন্যান্য রোগ বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
মান্দালয়ে গত বছর একটি প্রাদুর্ভাবের দিকে ইঙ্গিত করে সংস্থার মিয়ানমার অফিসের উপ-প্রধান এলেনা ভুওলো বলেন, “কলেরা আমাদের সকলের জন্য একটি বিশেষ উদ্বেগের বিষয়।”
তিনি জানান, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রায় অর্ধেক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ক্ষতি হওয়ার ফলে ঝুঁকি আরো বাড়ছে, যার মধ্যে মান্দালয় এবং নেপিদোতে ভূমিকম্পে ধ্বংস হওয়া হাসপাতালও অন্তর্ভুক্ত।
ঢাকা/শাহেদ
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
পেঙ্গুইন-পাখির স্থানেও শুল্ক
জনশূন্য ও বসতিহীন দ্বীপের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক চাপাবেন, তা হয়তো কেউই ধারণা করতে পারেননি। জনমানবহীন সেই দ্বীপপুঞ্জে শুধু বসবাস রয়েছে পেঙ্গুইন, সিল আর কিছু প্রজাতির পরিযায়ী পাখির। সেখানেও শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সব বাণিজ্য অংশীদারের ওপর বেসলাইন ১০ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করা ছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসনের তালিকায় অ্যান্টার্কটিকার ভারত মহাসাগরীয় জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর হ্যাঁ, এই দুই দ্বীপে কোনো মানুষের বসবাস নেই।
হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। এর পাল্টায় যুক্তরাষ্ট্র একই হারে এসব দ্বীপের বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করছে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনমানবহীন হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ। অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিকা প্রোগ্রাম অনুযায়ী, আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থের পার্শ্ববর্তী ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে জাহাজে চেপে হার্ড দ্বীপে পৌঁছাতে সময় লাগে অন্তত ১০ দিন। এসব দ্বীপে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখির বসবাস, যার মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংরক্ষিত কয়েকটি প্রজাতির পাখিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান।