সিরাজগঞ্জে ট্যাংক লরি-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
Published: 3rd, April 2025 GMT
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্যাংক লরি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ব দেলুয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে উল্লাপাড়া ৩০ শয্যা বিশিষ্ট হাতপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত নিহত ও আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে এরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী নৌ বন্দর থেকে তেলবাহী একটি ট্যাংক লরি বগুড়ার দিকে যাচ্ছিল। লরিটি উল্লাপাড়ার পূর্ব দেলুয়া গ্রামের পাশে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা জিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: সড়ক দ র ঘটন ন হত আহত উল ল প ড়
এছাড়াও পড়ুন:
একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৭ জনের
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবাহী পরিবহনের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান।
প্রত্যক্ষদর্শী বাসযাত্রী মতিন মিয়া বলেন, ‘চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী রিলাক্স পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। বেশ কয়েকবার চালক বাসটি থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যেই বিপরীত দিক থেকে আসা কক্সবাজারমুখী মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের সাত যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন ৫ জন।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র জানান, আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে একই স্থানে ঈদের দিন সোমবার দুই বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। গতকাল মঙ্গলবার একই স্থানে দুইটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৮ জন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, লবণবাহী গাড়ি থেকে পানি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হওয়ায় বারবার এ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে।