চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন যানবাহন থেকে ৬২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। 

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদার হাট এবং চট্টগ্রাম- কক্সবাজার মহাসড়কের মইজ্জারটেক এলাকায় দুই জন ম্যাজিট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। 

চট্টগ্রাম বিআরটিএর আদালত-১১ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.

জাকারিয়ার নেতৃত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয় সকাল থেকে। দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন যানবাহনকে বিভিন্ন অপরাধে ২১টি মামলায় ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে কাগজপত্র হালনাগাদ না থাকায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ডাম্পিং করা হয়।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বিআরটিএর আদালত-১৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিকি মারমার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের মইজ্জারটেক এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। দুপুর পর্যন্ত এ অভিযানে বিভিন্ন যানবাহনকে ১৫টি মামলায় ২৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলম।

ঢাকা/রেজাউল/রফিক

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

মাদারীপুর শহরে গভীর রাতে পুড়ে গেছে ১৮টি দোকান

মাদারীপুর শহরে আগুনে পুড়ে গেছে ১৮টি দোকান ও একটি বসতঘর। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শহরের পুরানবাজার এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত সাড়ে তিনটার দিকে পুরানবাজার এলাকায় সৌরভ হার্ডওয়্যার নামের দোকান থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। খবর পেয়ে মাদারীপুর, কালকিনি ও টেকেরহাট ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় কাপড়, গার্মেন্টস, মেশিনারি, কসমেটিকসের অন্তত ১৮টি দোকান। এতে তিন কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শহীদ খান বলেন, ‘আগুনে আমার ঘরের অনেকটা পুড়ে গেছে। ঘরের সামনে থাকা ১৮টি দোকান পুড়ে ছাই। রাত বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা কোনো মালামাল বের করতে পারেনি। দোকানের ভেতরে থাকা মালামাল কয়লা হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা পথে বসে গেছে। সবকিছু শেষ!’

প্রত্যক্ষদর্শী বাঁধন খান বলেন, ‘প্রথমে আগুন দেখে আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভাতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ফায়ার সার্ভিসের একাধিক দল আসার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।’

মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, বাণিজ্যিক এলাকা পুরানবাজারে পানি সরবরাহ করতে দেরি হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে। পুকুর-ডোবা ভরাট হওয়াই এর অন্যতম কারণ। শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।

আগুনে পুড়ে গেছে ১৮টি দোকান ও একটি বসতঘর। আজ শুক্রবার সকালে মাদারীপুর শহরের পুরানবাজারে

সম্পর্কিত নিবন্ধ