কুমিল্লায় পূর্ব বিরোধের জেরে হামলায় গুরুতর আহত ইউনুস মিয়া নামে এক যুবক মারা গেছেন। বুধবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহত ইউনুস মিয়া কোতয়ালী মডেল থানার সাহেবনগর উত্তরপাড়া গ্রামের সুলতান আহমেদের ছেলে।

পুলিশ জানায়, প্রতিবেশী ছেতু মিয়ার ছেলে মো. ইউনুসের পরিবারের সঙ্গে নিহত যুবক ইউনুসের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার উভয় পরিবারের সেই বিরোধ থেকে ইউনুসকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। তাকে হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার তিনি মারা যান।

কোতোয়ালি থানার ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো.

ফারুক হোসেন সমকালকে জানান, উভয় পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার ইউনুস মিয়াকে বেধড়ক লাঠিপেটা করা হয়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বুধবার বিকালে মামলা দায়ের করার পর পুলিশ অভিযুক্ত মো. ইউনুসকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ইউন স ম য় পর ব র র

এছাড়াও পড়ুন:

ময়মনসিংহে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু 

ময়মনসিংহে গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে রায়হান নামে ১০ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রায়হান নগরীর কলেজ রোড একাডেমী এলাকার শাহপরান ও শারমিন আক্তারের ছেলে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল টাউন হলে ঈদগাহ মাঠের পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস ময়মনসিংহ ইউনিটের স্টেশন অফিসার জুলহাস উদ্দিন। ফায়ার সার্ভিস ও পরিবার সূত্র জানায়, সকাল ১ টায় নিহত রায়হান ও তার বন্ধুরা মিলে আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে খেলতে গিয়েছিল। খেলা শেষে সবাই পুকুরে নামে। গোসল শেষে সবাই উঠে এলেও রায়হানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তারা গিয়ে বিকেলে পরিবারের কাছে খবর দেয়। 

পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে, ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। রাত ৮টার দিকে রায়হানকে ডুবুরি দল উদ্ধার করে। 

স্টেশন অফিসার জুলহাস উদ্দিন সমকালকে জানান, শিশুটির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিভাবকের অসচেতনতা এবং সাঁতার না জানার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ