মহেন্দ্র সিং ধোনি—যিনি ভারতীয় ক্রিকেটের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও ৪৩ বছর বয়সেও আইপিএল খেলছেন এই কিংবদন্তি। তবে তার ব্যাটিং পজিশন ও পারফরম্যান্স নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

চলতি আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলেছে। তিন ম্যাচেই ধোনি ব্যাট হাতে এসেছেন লোয়ার অর্ডারে। প্রথম ম্যাচে ৮ নম্বরে নামলেও, ব্যাট করবার আগেই দল জয় পেয়ে যায়। দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ নম্বরে নেমে ১৬ বলে ৩০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললেও দল হেরে যায়। তৃতীয় ম্যাচে ৭ নম্বরে নেমে ১১ বলে ১৬ রান করেন, তবে দলকে জেতাতে পারেননি।

ধোনির এই নিচের দিকে ব্যাটিং করার পেছনে কারণ ব্যাখ্যা করেছেন চেন্নাইয়ের প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। তার মতে, ফিটনেস সমস্যাই এর প্রধান কারণ। ফ্লেমিং বলেন, ‘‘ধোনি তার শরীর সম্পর্কে সচেতন। তার হাঁটু আগের মতো নেই, যদিও বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না। দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং এবং উইকেটকিপিং করা তার জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’

আরো পড়ুন:

প্রায় ১৮ বছর পর ঘরের মাঠে চেন্নাইয়ের ‘অন্যরকম’ হার

আইপিএলে নতুন দায়িত্ব নিয়ে আসছেন ধোনি

এই প্রসঙ্গে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, অন্য কোনো ক্রিকেটার হলে কি এতটা সুযোগ পেতেন? তবে কিংবদন্তি ক্যারিবীয় ব্যাটার ক্রিস গেইল সম্পূর্ণ ভিন্ন মত পোষণ করেন। গেইলের মতে, ধোনি শুধুমাত্র একজন ক্রিকেটার নন, তিনি আইপিএলের জন্য অপরিহার্য।

এক সাক্ষাৎকারে গেইল বলেন, ‘‘ধোনির অবদান তুলনাহীন। তার উপস্থিতিই আইপিএলকে নতুন মাত্রা দেয়। তাকে নিয়ে অহেতুক চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয়। বরং তার মতো কিংবদন্তির প্রতি সম্মান জানানো দরকার। কারণ, তিনি আইপিএলকে অনেক কিছু দিয়েছেন।’’

ঢাকা/আমিনুল

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

আড়াইহাজারের বিএনপির দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও  ভাংচুর 

আড়াইহাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

ঈদের দিন সোমবার পরের দিন মঙ্গলবার ও বুধবার উপজেলার মেঘনা বেষ্টিত কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খালিয়ারচর গ্রামে যুবদল নেতা জহির ও বিএনপির নেতা কবিরের লোকদেও মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি  কবির হোসেন ও ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি  জহিরের মধ্যে রাজনৈতিক  বিরোধ দীর্ঘদিনের। এই বিরোধকে কেন্দ্রে করে  ঈদের দিন উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

পরবর্তীতে ঈদের পরের দিন মঙ্গলবার বিএনপির একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ সফল করার লক্ষে সংঘর্ষ বন্ধ করে উভয় পক্ষকেই শান্ত থাকার আহ্বান জানান বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এতে সাময়িক সময়ের জন্য তা বন্ধ থাকে। 

সভাশেষে কবিরের লোকজন জহির ও তার বোনের  বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে জহিরের লোকজন একত্রিত হয়ে পুনরায় কবিরের বাড়িতে হামলা চালায় এবং বিএনপির পার্টি অফিসসহ বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার বিকালে ও রাতে আবারো সংঘর্ষ হয়। 

যুবদল নেতা জহির জানান, বুধবার সন্ধ্যায় কবিরের আত্মীয় হিসেবে কদমিরচরের সাবেক ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেনের লোকজন স্পিডবোটে হামলা চালানো চেষ্টা করে কিন্তু গ্রামের লোকজনের প্রতিরোধে তা ব্যর্থ হয়। ৩দিনের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের একটি পাটি অফিস, ইদ্রিস আলী, জাহেদ আলীর, জহির ও তার বোনের  বাড়ি  ভাংচুর করা হয়। 

সাবেক ছাত্রদল নেতা মোবারক বলেন, এখানে দ্বন্দ মূলত জহির ও কবিরের মধ্যে। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রনীত ভাবে জাড়ানো হচ্ছে। 

আড়াইহাজার থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, খালিয়ারচরে আধিপত্য নিয়ে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। 
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ