নাটোরের লালপুর উপজেলার বালিতিতা পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ডিজিটাল সাইনবোর্ডে জয় বাংলা লেখা ভেসে উঠেছে। এতে লেখা ছিল বাংলা আমার অহংকার, তাই বাংলার দিকে যে তাকাবে তার চোখ উপড়ে নেওয়া হবে, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় মসজিদটির ডিজটাল সাইনবোর্ডে এই লেখা ভেসে ওঠে।

পরে মসজিদ কতৃপক্ষ সাইনবোর্ডের বৈদ্যুতিক সুইচ বন্ধ করে দিলে তা আর দেখা যায়নি।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মসজিদ কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
 
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, ‘মসজিদের ডিজিটাল সাইনবোডে লেখাটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই সাইনবোর্ডটি বন্ধ করে নামিয়ে ফেলেছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। তবে মসজিদের ডিজিটাল সাইনবোর্ডে এমন লেখা কী করে আসলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কাজ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এরআগে, ঈদের দিন বালিতিতা পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে রামকৃষ্ণপুরে ঈদের নামাজের পর জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন গুলিবিদ্ধসহ পাঁচ জন আহত হন।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: মসজ দ র ড জ ট ল ট ল স ইনব স ইনব র ড

এছাড়াও পড়ুন:

নড়াইলে ছাত্র আন্দোলনে হামলা: আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ওরফে খোকন চৌধুরী (৫৬) কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে লোহাগড়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উলা গ্রামের তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। মামলার পর তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৪ আগস্ট সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার কর্মসূচি চলাকালে লোহাগড়ার সিএন্ডবি চৌরাস্তায় হামলা চালানো হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়া এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে নড়াইল জেলার মুখ্য সংগঠক কাজী ইয়াজুর রহমানসহ আরো ১৩ জন শিক্ষার্থীকে রামদা, বাঁশের লাঠি, লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন:

সিলেটে ছাত্রলীগের মিছিলের পর দুই আ.লীগ নেতার বাসায় হামলা

নোয়াখালীতে বিনোদনকেন্দ্রে হামলা, পুলিশসহ আহত ৭

এ ঘটনায় গত বছরের ৯ ডিসেম্বর রাতে কাজী ইয়াজুর রহমান বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ২৯৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরো ৩০০ থেকে ৩৫০ জনকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় মামলা করেন। এই মামলায় মিজানুর রহমান ওরফে খোকন চৌধুরী কে ৬২ নম্বর আসামি করা হয়।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, দুপুরে ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

ঢাকা/শরিফুল/বকুল

সম্পর্কিত নিবন্ধ