কর ফাঁকির মামলায় বিচার শুরু আনচেলত্তির, হতে পারে ৪ বছরের জেল
Published: 2nd, April 2025 GMT
আয় গোপন করার অভিযোগে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল স্পেনের কর কর্তৃপক্ষ। সেই মামলার বিচার শুরু হয়েছে আজ।
দোষী সাব্যস্ত হলে ৪ বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে আনচেলত্তির, জরিমানা হতে পারে ৩২ লাখ ইউরো (প্রায় ৪২ কোটি টাকা)। তবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আনচেলত্তি বলেছেন, তিনি কখনো জালিয়াতি করার কথা ভাবেননি।
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের প্রাদেশিক আদালতে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বিচার কাজ শুরু হয়েছে। গত রাতে রিয়াল মাদ্রিদকে কোপা দেল রের ফাইনালে তোলা আনচেলত্তি আজ সকাল সকাল চলে আসেন আদালতে। সঙ্গে ছিলেন রিয়ালের সহকারী কোচ ও তাঁর ছেলে দাভিদ আনচেলত্তি, দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়ান বারেনা ম্যাকক্লে ও সৎ মেয়ে ক্লোয়ি ম্যাকক্লে।
আদালতে প্রায় ৪০ মিনিট শুনানি হয়েছে। এ সময় আনচেলত্তি বলেন, ‘আমার কাছে সবকিছু ঠিকঠাক মনে হয়েছে। আমি কখনো জালিয়াতি করার কথা ভাবিনি।’
আজ সকাল সকাল আদলতে হাজির হন আনচেলত্তি.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
বাংলাদেশি ভেবে বিএসএফের গুলি, ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে এক ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমন্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের ৩ নম্বর সাব পিলারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে ভারতের ভূখণ্ডে মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকায় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ দেখেন বাংলাদেশিরা। ৪ ঘণ্টা ধরে সেখানে পড়েছিল ভারতীয় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ। পরে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
নিহত যুবকের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার মরাকুটি ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।
সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসাসহ গরু পারাপারে জড়িত ছিলেন তিনি।
সীমান্তে বসবাসকারী সায়েদ আলী ও হয়রত আলী জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে উভয় দেশের একদল চোরাকারবারী ওই সীমান্ত দিয়ে গাঁজা ও গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে ভারতীয় চোরাকারবারী জাহানুর গুলিবৃদ্ধ হয়। সেখানে পড়ে থাকা অবস্থায় অনেকবার চিৎকার করলেও সহযোগীরা তাকে উদ্ধার না করায় ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। গুলির শব্দ পেয়ে বাকি চোরাকারবারীরা পালিয়ে যান।
এ দিকে নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির পক্ষে গোরকমন্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন। পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, বিএসএফের কাছে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনও সমৃক্ততা নেই। তারপরও সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।