বামফ্রন্টের দুঃশাসন, মমতার লড়াই আর রক্তপাত মিলেই কি ‘খাকি’
Published: 2nd, April 2025 GMT
সত্য ঘটনা পর্দায় তুলে আনতে নীরজ পান্ডের জুড়ি নেই। ‘আ ওয়েডনেসডে!’, ‘স্পেশাল ২৬’, ‘বেবি’র দর্শকমাত্র তা ভালোই জানেন। হালে বড় পর্দায় সেভাবে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না, তবে ওটিটিতে ‘স্পেশাল ওপস’, ‘দ্য ফ্রিল্যান্সার’-এর মতো জনপ্রিয় সিরিজে ঠিকই নিজের ছাপ রেখেছেন নীরজ। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া তাঁর আরেকটি আলোচিত সিরিজ ‘খাকি: দ্য বিহার চ্যাপটার’। সেই সিরিজের পশ্চিমবঙ্গ সংস্করণ ‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপটার’। সিকুয়েল হলেও দুই কিস্তির গল্পে মিল নেই। তবে দুর্নীতি, অপরাধচক্র আর বেপরোয়া পুলিশের গল্পের দিক থেকে ‘বেঙ্গল চ্যাপটার’–কে আগেরটির আধ্যাত্মিক সিকুয়েল বলা চলে। ২০ মার্চ নেটফ্লিক্সে এসেছে ‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপটার’। মুক্তির পর থেকেই নানা কারণে আলোচনায় সাত পর্বের সিরিজটি। আদতে কেমন হলো সিরিজটি?
একনজরেসিরিজ: ‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপটার’
ধরন: পলিটিক্যাল ক্রাইম থ্রিলার
ক্রিয়েটর: নীরজ পান্ডে
পরিচালনা: দেবাত্মা মণ্ডল, তুষারকান্তি রায়
পর্ব: সাত
রানটাইম: ৪০-৫০ মিনিট
স্ট্রিমিং: নেটফ্লিক্স
অভিনয়: শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, চিত্রাঙ্গদা সিং, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, শুভাশীষ মুখোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ঋত্বিক ভৌমিক, আদিল জাফর খান
এককথায় বলতে গেলে ‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপটার’ চলনসই একটা সিরিজ। প্রতি সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া এন্তার সিরিজের মধ্যে বিচার করলে এতে বিশেষ কিছু নেই। অপরাধ আর রাজনীতি নিয়ে দুনিয়ার নানা প্রান্তে সিরিজ হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এটি তেমন আলাদা কিছু নেই। তবে ‘বেঙ্গল চ্যাপটার’ এ অঞ্চলের মানুষের কাছে আলাদা পশ্চিমবঙ্গ-যোগের কারণেই। ভারতের এই রাজ্যের রাজনীতির খোঁজখবর যাঁরা রাখেন, তাঁরা তাই সিরিজের ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে ভালোভাবেই মেলাতে পারবেন।
তার আগে গল্প সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দলগুলোর নড়েচড়ে বসার দৃশ্য খুব চেনা। বিরোধীপক্ষের সব প্রশ্নের জবাব দিতে ঘটতে থাকে একের পর এক পালাবদল। নেতারা হাত ধুয়ে ফেলতে চান সব অপকর্ম থেকে। দলের মধ্যেও ঘটতে থাকে রদবদল। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ত্রস্ত হয়ে ওঠে ওপর থেকে আসা অর্ডারের চাপ সামলাতে।
‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপটার’–এ চিত্রাঙ্গদা সিং। আইএমডিবি.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
ভারতকে রুখে দেওয়ার পুরস্কার র্যাঙ্কিংয়ে পেলেন হামজারা
২৫ মার্চ শিলংয়ে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা ভারতকে রুখে দেওয়ার পর র্যাঙ্কিংয়েও সুখবর পেলেন হামজা চৌধুরীরা।
আজ প্রকাশিত সর্বশেষ ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ১৮৩ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের এটিই সর্বোচ্চ অবস্থান। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছিল বাংলাদেশ।
তখন এক মাসের ব্যবধানে ১৮৯ থেকে ১৮৩ নম্বরে জায়গা করে নেয় লাল–সবুজের জার্সিধারীরা। ২০২৩ সালে অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা পাঁচ মাস ১৮৩ নম্বরে থাকার পর পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। গত বছরের এপ্রিল থেকে আজ পর্যন্ত মোট আটবার র্যাঙ্কিং হালনাগাদ করেছে ফিফা। এই সময়ে বাংলাদেশ ১৮৪ আর ১৮৫ এর ঘরেই আটকা ছিল৷
সর্বশেষ র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট বেড়েছে ৫.৩৫। বাংলাদেশের মোট পয়েন্ট এখন ৯০৪.১৬। ৯০৬.৮ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের ঠিক ওপরে ভুটান।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দলের সেরা অবস্থান ১১০। ১৯৯৬ সালে ফুটবল খেলা দেশগুলোর মধ্যে এমন শক্ত অবস্থানে ছিল তাঁরা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে মাঠের পারফরম্যান্স পড়তির দিকে যাওয়ায় র্যাঙ্কিংয়ে গ্রাফটাও নিম্নমুখী হতে থাকে৷ ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নেমে গিয়েছিল সর্বনিম্ন ১৯৭ নম্বরে।
র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের এমন উন্নতির দিনে একধাপ পিছিয়েছে ভারত। সুনীল ছেত্রীরা এখন ১২৭তম অবস্থানে। ১০ জুন এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ১৬০ নম্বরে থাকা সেই সিঙ্গাপুরও একধাপ পিছিয়ে এখন ১৬১-তে।
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাই ধরে রেখেছে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্রাজিলকে ৪-১ গোলের হারানো আর্জেন্টিনার পয়েন্ট বেড়েছে ১৮.৯১।
আর্জেন্টিনার পরেই আছে স্পেন। ফ্রান্সকে তিনে ঠেলে দুইয়ে উঠে এসেছে স্প্যানিশরা। চারে ইংল্যান্ড, পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল আছে পাঁচে।