ঈদে মুক্তি পাওয়া দাগি সিনেমা মুক্তির দুই দিনের মাথায় সুপারহিট দাবি করেছেন প্রযোজক।  আজ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে শাহরিয়ার শাকিল এই দাবি করেন। তিনি জানান,  তিনটি ফিল্ম । তিনটি সুপারহিট।  সুড়ঙ্গ থেকে তুফান এখন দাগি। হ্যাট্ট্রক।  তবে এটা কেবল শুরু।

ফেসবুকে এই দাবির সূত্র ধরে যোগাযো করা হয় দাগি সিনেমার প্রযোজক ও আলফা আইয়ের কর্ণধার শাহরিয়ার শাকিলের সঙ্গে। তিনি জোর গলায় বললেন, ‘দাগি শুধু সুপারহিট নয়, ব্লকবাস্টার হওয়ার পথে। আর আমি তথ্যপ্রমাণ ছাড়া তো এটা দাবি করছি না।  আমরা যে ছবি বানিয়েছি তার হাইপ দুই এক সপ্তাহে শেষ হওয়ার মত না। ক’দিন যাক দেখতে পারবেন দাগি কতটা দর্শকদের মনে দাগ কাটে।’ 

দাগি সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শিহাব শাহীন। ঈদে মুক্তি পাওয়া ছয় সিনেমার একটি হচ্ছে ‘দাগি’। সিনেমাটির মাধ্যমে দুই বছর পর বড় পর্দায় ফিরেছেন আফরান নিশো। ঈদের দিন মুক্তির পর থেকেই ‘দাগি’ সিনেপ্লেক্সগুলোতে হাউজফুল যাচ্ছে। হলেও আছে দর্শক উপস্থিতি। যা এই অভিনেতা ও সিনেমার পুরো টিমকে আনন্দিত করছে। 

মুক্তির একদিন পরই নতুন খবর জানালেন সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থা থেকে জানানো হয় ঈদের দিন থেকে মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমাটির ৩৪টি শো চলছিল। একদিন যেতে না যেতেই আরও ১০টি শো বাড়ানো হয়েছে। 

সিনেমাটিতে নিশোর সঙ্গে অভিনয় তমা মির্জা ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। বিভিন্ন চরিত্রে এতে আরও অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতুসহ অনেকে।
 

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ঈদ র স ন ম

এছাড়াও পড়ুন:

বিদেশের সঙ্গে লেনদেন ভারসাম্যে উন্নতি

বিদেশের সঙ্গে লেনদেন ভারসাম্যে উন্নতির ধারা অব্যাহত আছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানির উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত বজায় রয়েছে। কমেছে সার্বিক লেনদেনে ঘাটতি। অবশ্য ডলার বাজার পরিস্থিতির উন্নতির কারণে আমদানি বাড়ার কারণে কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে রপ্তানি আয় এসেছে ৩ হাজার ৪ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ বেশি। আমদানিতে খরচ হয়েছে চার হাজার ৩৭৩ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ। বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৭০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল এক হাজার ৪৩৩ কোটি ডলার। মূলত ডলার পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি হওয়ায় আমদানিতে আগের মতো আর কড়াকড়ি নেই। আবার রমজানকে কেন্দ্র করে গত ফেব্রুয়ারিতে আমদানি বেড়েছে। এতে জানুয়ারির তুলনায় বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। গত জানুয়ারি পর্যন্ত বাণিজ্য ঘাটতি ছিল এক হাজার ১৭৫ কোটি ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। সব মিলিয়ে চলতি হিসাবে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১২৭ কোটি ডলার। গত জানুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি ছিল ১১৩ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল ৪০৭ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত জানুয়ারি পর্যন্ত উদ্বৃত্ত ছিল ২৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ে উদ্বৃত্ত ছিল ১৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

সম্পর্কিত নিবন্ধ