মুক্তির দুইদিন পরই সিনেমাকে সুপারহিট দাবি করলেন দাগি প্রযোজক
Published: 2nd, April 2025 GMT
ঈদে মুক্তি পাওয়া দাগি সিনেমা মুক্তির দুই দিনের মাথায় সুপারহিট দাবি করেছেন প্রযোজক। আজ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে শাহরিয়ার শাকিল এই দাবি করেন। তিনি জানান, তিনটি ফিল্ম । তিনটি সুপারহিট। সুড়ঙ্গ থেকে তুফান এখন দাগি। হ্যাট্ট্রক। তবে এটা কেবল শুরু।
ফেসবুকে এই দাবির সূত্র ধরে যোগাযো করা হয় দাগি সিনেমার প্রযোজক ও আলফা আইয়ের কর্ণধার শাহরিয়ার শাকিলের সঙ্গে। তিনি জোর গলায় বললেন, ‘দাগি শুধু সুপারহিট নয়, ব্লকবাস্টার হওয়ার পথে। আর আমি তথ্যপ্রমাণ ছাড়া তো এটা দাবি করছি না। আমরা যে ছবি বানিয়েছি তার হাইপ দুই এক সপ্তাহে শেষ হওয়ার মত না। ক’দিন যাক দেখতে পারবেন দাগি কতটা দর্শকদের মনে দাগ কাটে।’
দাগি সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শিহাব শাহীন। ঈদে মুক্তি পাওয়া ছয় সিনেমার একটি হচ্ছে ‘দাগি’। সিনেমাটির মাধ্যমে দুই বছর পর বড় পর্দায় ফিরেছেন আফরান নিশো। ঈদের দিন মুক্তির পর থেকেই ‘দাগি’ সিনেপ্লেক্সগুলোতে হাউজফুল যাচ্ছে। হলেও আছে দর্শক উপস্থিতি। যা এই অভিনেতা ও সিনেমার পুরো টিমকে আনন্দিত করছে।
মুক্তির একদিন পরই নতুন খবর জানালেন সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থা থেকে জানানো হয় ঈদের দিন থেকে মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমাটির ৩৪টি শো চলছিল। একদিন যেতে না যেতেই আরও ১০টি শো বাড়ানো হয়েছে।
সিনেমাটিতে নিশোর সঙ্গে অভিনয় তমা মির্জা ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। বিভিন্ন চরিত্রে এতে আরও অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতুসহ অনেকে।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ঈদ র স ন ম
এছাড়াও পড়ুন:
সদরঘাটে আজও ঘরে ফেরা মানুষের ভিড়
কাটেনি এখনও ঈদের আমেজ। ঈদের তৃতীয় দিনেও অনেকে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই ঢাকার সদরঘাটে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে, প্রতিটি লঞ্চ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী নিচ্ছে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
দোয়েল পাখী-১০ এর যাত্রী আমানুর রহমান বলেন, “আমি ভোলা যাব। ঢাকায় আমার মুদি দোকান রয়েছে। পরিবার আগেই পাঠিয়ে দিয়েছি। আজ বাড়ি যাচ্ছি। আশা করি, আগামী সপ্তাহে ঢাকা ফিরব।”
দোয়েল পাখী -১০ ম্যানেজার মো. সাত্তার বলেন, “আজকে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যাত্রী বেশি আছে। আমাদের ৮০টি কেবিনের মধ্যে ৭০টি কেবিন বুকিং হয়েছে। আমরা অতিরিক্ত কোনো ভাড়া নিচ্ছিনা।”
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিটিসি) জানায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীর প্রায় ৩৫ শতাংশ নৌপথে যেতেন। এখন সেটি প্রায় ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তখন ঢাকা থেকে ৪২টি নৌপথে ২২৫টির মতো লঞ্চ চলাচল করত। এখন প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৬৫টি লঞ্চ চলে বিভিন্ন পথে।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ, র্যাব, আনসার, নৌ-পুলিশ ও বিএনসিসিসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এবার ঈদের আগে বেশ কয়েকদিন ছুটি থাকায় যাত্রীরা ধীরে ধীরে ঢাকা ছাড়েন। আশা করছি, নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন যাত্রীরা।
এমভি অভিযান লঞ্চের মালিক হামজা লাল শেখ বলেন, “আজ (বৃহস্পতিবার) যাত্রীর চাপ মোটামুটি। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”
বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন বলেন, “নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের সেবা ও নিরাপত্তার জন্য বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা–কর্মচারীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দিনরাত কাজ করছেন। নির্ধারিত সময়ে পন্টুন থেকে লঞ্চ ছাড়ছে। এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।”
ঢাকা/এএএম/ইভা