বিএনপি কখনো বলেনি আগে নির্বাচন পরে সংস্কার, ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে: মির্জা ফখরুল
Published: 2nd, April 2025 GMT
আগে নির্বাচন পরে সংস্কার এমন কথা বিএনপি কখনো বলেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বিএনপি আগে নির্বাচন পরে সংস্কারের কথা বলেনি। এটা যদি কেউ বলে থাকে তাহলে, ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা বলেছি, নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন সেটা করতে হবে। কারণ এই সংস্কারের প্রথম দাবি ছিল বিএনপির।’
আজ বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের তাতিপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপিকে টার্গেট করা হচ্ছে দাবি করে মহাসচিব বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে টার্গেট করে প্রচারণা করা হচ্ছে যে, বিএনপি আগে নির্বাচন চায়, তারপর সংস্কার চায়। অথবা সংস্কার চায় না, নির্বাচন চায়, যা একবারে মিথ্যা। আমি সরাসরি বলতে চাই, এ নিয়ে জনগণের মাঝে ভুল ধারণা সৃষ্টি করা হচ্ছে।’
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের উদ্দেশে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রাজনৈতিক দলগুলোর সেটা যেই দল হোক না কেন। যারা সংস্কারের এসেছেন তাদের আমরা শ্রদ্ধা করি, সম্মান করি। তবে তারা যদি জনগণের বাইরে গিয়ে কিছু করে বিএনপি সেটা সমর্থন করবে না।’
মহাসচিব আরও বলেন, ‘গণতন্ত্রই হচ্ছে রাষ্ট্র পরিচালনার শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা। এখানে কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসার পর যদি স্বৈরাচার হয়ে উঠে তাহলে জনগণই তাদের বের করে দেয়। যার বাস্তব প্রমাণ আওয়ামী লীগ।’
এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ব এনপ ম র জ ফখর ল ইসল ম আলমগ র ঠ ক রগ ও ব এনপ
এছাড়াও পড়ুন:
কখনো বলিনি, আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমরা কখনো এ কথা বলিনি যে, আগে নির্বাচন, তার পরে সংস্কার। এটা যদি কেউ বলে, তাহলে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম যে সংস্থার দরকার, সেটা করতে হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “যারা সংস্কার করতে এসেছেন, তারা জনগণের বাইরে গিয়ে কিছু করলে বিএনপি তা সমর্থন করবে না। জনগণ যেটা চাইবে, আমরা সেটাকেই সমর্থন করব।”
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রই শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা সুশাসনের জন্য ও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্যে। এটাই একমাত্র ব্যবস্থা, যেখানে মানুষের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়, নির্বাচিত সরকার দেশ চালায়। এই যে আমরা একটা ভয়ে থাকি যে, রাজনৈতিক দলগুলো স্বৈরাচার হয়ে যায়। স্বৈরাচার হলে আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা হবে। সুতরাং, এখানে গণতন্ত্রের কোনো দোষ নেই। গণতন্ত্রই শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা, তা না হলে আওয়ামী লীগের মতোই অবস্থা হবে, ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে। বিএনপির সময়ে কখনো ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়নি বা কর্তৃত্ববাদের উত্থান হয়নি।
সংস্কার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশজুড়ে একটা প্রচারণা চালানো হচ্ছে যে, বিএনপি আগে নির্বাচন চায়। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমরাই সংস্কারের প্রবক্তা, আমরাই সংস্কার চেয়েছি।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ জেলা, উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/হিমেল/রফিক