সরকারি সংস্থা বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড (বিআরপিএল) কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই সংস্থায় এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (টেকনিক্যাল) পদে একজন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (টেকনিক্যাল)

পদসংখ্যা:

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে মেকানিক্যাল/ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় শ্রেণি/বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়। গ্রেডিং সিস্টেমে পাসের ক্ষেত্রে সিজিপিএ–৫-এর স্কেলে ৩.

৫ ও সিজিপিএ–৪-এর স্কেলে মধ্যে ২.৫ থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ১৮ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে পাওয়ার সেক্টরে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট পদে অন্তত তিন বছর এবং জেনারেশন/ট্রান্সমিশন/ডিস্ট্রিবিউশন ইউটিলিটিসে পাঁচ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। নেতৃত্বের সক্ষমতা থাকতে হবে। টিপিএম, টিকিউএম, প্রিভেনটিভ মেইনটেন্যান্স, করপোরেট গভর্ন্যান্স ও স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে জানাশোনা থাকতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে সাবলীল হতে হবে।

বয়স: ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল ৪৫ থেকে ৬০ বছর

চাকরির ধরন: তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক। ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত চুক্তি নবায়নযোগ্য।

বেতন: মাসিক মূল বেতন ১,৪৯,০০০ টাকা।

সুযোগ-সুবিধা: মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাসাভাড়া, বছরে দুটি উৎসব বোনাস, বৈশাখী ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, গোষ্ঠী বিমা, ছুটি ভাতা, মেডিকেল-সুবিধা, জ্বালানি, চালকসহ সার্বক্ষণিক গাড়ির সুবিধা আছে।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত ফরম এই লিংক থেকে ডাউনলোড করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সব সনদের কপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করে ডাকযোগে বা সরাসরি পাঠাতে হবে। যাঁরা স্মারক নং-২৭.৩১.০০০০.০০৫.২৩.০১২.২৩.২৮৮ (তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৪)–এর আওতায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (ইঞ্জিনিয়ার) পদে আবেদন করেছিলেন, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: কোম্পানি সেক্রেটারি, বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড (বিআরপিএল), আইইবি ভবন (অষ্টম ফ্লোর), ৮/এ, রমনা, ঢাকা।

আবেদনের শেষ সময়: ২৭ এপ্রিল ২০২৫।

আরও পড়ুনওজোপাডিকোতে চাকরি, মূল বেতন ১ লাখ ৭৫ হাজার, আছে সার্বক্ষণিক গাড়ি৩০ মার্চ ২০২৫

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

ঘাটতির শঙ্কায় রাজস্ব আদায় নিয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের উদ্বেগ

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাজস্ব আদায়ে গতি ফিরে এলেও বছর শেষে একটি বড় ধরণের রাজস্ব ঘাটতির সম্মুখীন হতে চলেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে এই ঘাটতির পরিমাণ ৮০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে একটি ঋণ চুক্তির মধ্যে রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় রাজস্ব আয়ের একটি টার্গেটও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজস্ব আদায়ের হার যেভাবে এগুচ্ছে তা এই টার্গেট পূরণ করা সম্ভব হবে না। ফলে ঋণের বাদবাকি কিস্তি সংস্থাটির কাছ থেকে পেতে বেশ বেগ পেতে হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

এনবিআর পরিসংখ্যানে দেখা যায়,  চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায় আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২ শতাংশ বেড়েছে। তা স্বত্বেও গত আট মাসে ২ লাখ ৮০ কোটি   টাকার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আদায় কম হয়েছে ৫৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৮১৭  টাকা। কিন্তু আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। টার্গেট অনুযায়ী রাজস্ব ঘাটতি ২১ শতাংশ কম ছিল।

অন্যদিকে, আগের অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৯৭১ কোাটি টাকা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব আদায় হয়েছে। ডিসেম্বর থেকে টানা তিন মাস রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।

এনবিআরের তথ্য অনুসারে, ফেব্রুয়ারি মাসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশ, যা এর আগের মাস জানুয়ারিতে ছিল প্রায় ৭ শতাংশ। 

এ বিষয়ে এনবিআর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোন গবেষণা ছাড়াই প্রতিবছর একটি বিশাল অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের টার্গেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু বছর শেষে এসে দেখা যায়, মূল্য লক্ষ্যমাত্রা তো দূরের কথা সংশোধিত আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করাও সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, “বিভিন্ন পণ্য দাম কমানোর জন্য এই সকল পণ্য’র ওপর কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। এতে করে রাজস্ব আদায় কমে গেছে। তবে বছরের বাদবাকি সময়ে এই আদায় আরও বাড়বে বলে আমাদের ধারণা।”

এদিকে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আদায় হোক বা না হোক, আগামী তিন অর্থবছরের জন্য মোট ১৮ লাখ ৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের একটি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই রাজস্ব আদায়ের টার্গেট দেওয়া হবে এনবিআরকে। 

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রাজস্বখাত থেকে আয় করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর থেকে আসবে পাঁচ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা। একইভাবে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয় প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে এনবিআর থেকে আসবে পাঁচ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। ২০২৭-২০২৮ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে সাত লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর থেকে আদায়ের পরিকল্পনা প্রাক্কলন করা হয়েছে ছয় লাখ ৮৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। 

এদিকে, বাজেট পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রতিবছর বাজেটে রাজস্ব আদায়ের যে মূল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, সেটি অর্জন করা তো দূরের কথা, সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অর্জন করা সম্ভব হয় না। গত আট অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এর মধ্যে এনবিআর-এর আওতাধীন রাজস্ব ঘাটতিই সবচেয়ে বেশি। আর এই ধরণের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাকে একধরণের ‘সমস্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

ঢাকা/টিপু

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিতে চাকরি, গাড়িসহ মূল বেতন ১ লাখ ৭৫ হাজার
  • প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের পিএইচডি ফেলোশিপ, মাসে মিলবে ২৫০০০
  • ঘাটতির শঙ্কায় রাজস্ব আদায় নিয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের উদ্বেগ
  • আজ টিভিতে যা দেখবেন (৩ এপ্রিল ২০২৫)
  • ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরি, সেলসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
  • থাইল্যান্ড ভ্রমণে বাধ্যতামূলক হলো ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড
  • আজ টিভিতে যা দেখবেন (২ এপ্রিল ২০২৫)
  • আজ টিভিতে যা দেখবেন (১ এপ্রিল ২০২৫)
  • গোপন সদকা