গাজায় সামরিক অভিযানের একটি বড় সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। ছিটমহলের বিশাল এলাকা দখল করে নিজেদের নিরাপত্তা অঞ্চলে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ওইসব এলাকা থেকে ফিলিস্তিনের বের করে দেওয়া হবে। বুধবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা ‘সন্ত্রাসী এবং অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য’ এলাকাগুলোতে যাবে এবং ‘দখল করা বিস্তৃত অঞ্চল ইসরায়েল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এলাকায় যুক্ত করা হবে।’

ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, কাটজ নিশ্চিত করেছেন যে রাফায় এখন অভিযান চলছে।

তবে কাটজের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়নি যে ইসরায়েল কতটুক জমি দখল করতে চায়।

রাফাহ, উত্তর বেইত হানুন এবং বেইত লাহিয়ার বাসিন্দাদের পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর এই ঘোষণা এলো।

ইসরায়েলি বাহিনী ইতিমধ্যেই গাজার অভ্যন্তরে একটি উল্লেখযোগ্য বাফার জোন স্থাপন করেছে, যুদ্ধের আগে ছিটমহলের প্রান্তের চারপাশে বিদ্যমান একটি এলাকা সম্প্রসারণ করেছে এবং গাজার মাঝখানে তথাকথিত নেটজারিম করিডোরকে বৃহৎ নিরাপত্তা এলাকায় যুক্ত করেছে।

একই সময়ে, ইসরায়েলি নেতারা জানিয়েছেন, তারা ছিটমহল থেকে ফিলিস্তিনিদের স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার সুবিধা প্রদানের পরিকল্পনা করছেন।

জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে সেখানে অবকাশযাপন কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় আরব বিশ্ব থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। ট্রাম্প ওই সময় নিশ্চুপ হয়ে গেলেও মার্চ থেকে তার এজেন্ডা বাস্তবায়ন শুরু করে ইসরায়েল। ওই সময় থেকে গাজার বাসিন্দাদের ওপর নির্বিচারে হামলা শুরু করা হয় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসিন্দাদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়।

ঢাকা/শাহেদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ইসর য় ল ব র কর ইসর য

এছাড়াও পড়ুন:

বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে গাজার বড় অঞ্চল দখল করছে ইসরায়েল

গাজায় সামরিক অভিযানের একটি বড় সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। ছিটমহলের বিশাল এলাকা দখল করে নিজেদের নিরাপত্তা অঞ্চলে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ওইসব এলাকা থেকে ফিলিস্তিনের বের করে দেওয়া হবে। বুধবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা ‘সন্ত্রাসী এবং অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য’ এলাকাগুলোতে যাবে এবং ‘দখল করা বিস্তৃত অঞ্চল ইসরায়েল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এলাকায় যুক্ত করা হবে।’

ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, কাটজ নিশ্চিত করেছেন যে রাফায় এখন অভিযান চলছে।

তবে কাটজের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়নি যে ইসরায়েল কতটুক জমি দখল করতে চায়।

রাফাহ, উত্তর বেইত হানুন এবং বেইত লাহিয়ার বাসিন্দাদের পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর এই ঘোষণা এলো।

ইসরায়েলি বাহিনী ইতিমধ্যেই গাজার অভ্যন্তরে একটি উল্লেখযোগ্য বাফার জোন স্থাপন করেছে, যুদ্ধের আগে ছিটমহলের প্রান্তের চারপাশে বিদ্যমান একটি এলাকা সম্প্রসারণ করেছে এবং গাজার মাঝখানে তথাকথিত নেটজারিম করিডোরকে বৃহৎ নিরাপত্তা এলাকায় যুক্ত করেছে।

একই সময়ে, ইসরায়েলি নেতারা জানিয়েছেন, তারা ছিটমহল থেকে ফিলিস্তিনিদের স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার সুবিধা প্রদানের পরিকল্পনা করছেন।

জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে সেখানে অবকাশযাপন কেন্দ্র তৈরির ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় আরব বিশ্ব থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। ট্রাম্প ওই সময় নিশ্চুপ হয়ে গেলেও মার্চ থেকে তার এজেন্ডা বাস্তবায়ন শুরু করে ইসরায়েল। ওই সময় থেকে গাজার বাসিন্দাদের ওপর নির্বিচারে হামলা শুরু করা হয় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসিন্দাদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়।

ঢাকা/শাহেদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ