একই স্থানে টানা তিন দিন দুর্ঘটনা, আজ বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১০ জনের
Published: 2nd, April 2025 GMT
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবাহী পরিবহনের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন নারী, একজন শিশু ও পাঁচজন পরুষ বলে জানা গেছে। তবে নিহতের পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার ওসি মো.
প্রত্যক্ষদর্শী বাসযাত্রী মতিন মিয়া বলেন, ‘চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী রিলাক্স পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। বেশ কয়েকবার চালক বাসটি থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যেই বিপরীত দিক থেকে আসা কক্সবাজারমুখী মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের ১০ যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন ২ জন।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র জানান, আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে একই স্থানে ঈদের দিন সোমবার দুই বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। গতকাল মঙ্গলবার একই স্থানে দুইটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৮ জন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, লবণবাহী গাড়ি থেকে পানি পড়ে সড়ক পিচ্ছিল হওয়ায় বারবার এ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: সড়ক দ র ঘটন ন হত দ র ঘটন স ঘর ষ
এছাড়াও পড়ুন:
বিদ্যুতের খুঁটিতে বাসের ধাক্কা, প্রাণ গেল ৩ জনের
কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা লেগে দুমড়ে মুচড়ে গেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা পালকি সিনেমা হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুমিল্লাগামী তিশা প্লাস নামের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা পল্লি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বাসটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। এ সময় নারী শিশুসহ আহত হন আরও অন্তত ৩০ জন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা, কুমিল্লা ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়।
চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরিফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। গুরুতর আহতদের কুমিল্লা ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ইলিয়েটগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করার করার পাশাপাশি আমরা আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছি। এছাড়াও সড়কে যেন কোনো যানজট না হয়; সেজন্য রেকার দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক আছে।