ফারুক আহমেদ শাকসাজ পেশায় একজন দরজি। ছোট্ট একটি দোকান রয়েছে তাঁর। বেশ পুরোনো, সত্তরের দশকের মডেলের একটি ক্যাসেট প্লেয়ার আছে তাঁর দোকানে। দোকান খুলে ঝাড়মোছ দিয়ে ক্যাসেটটি চালু করেন ফারুক।

ঘরঘরে আওয়াজ তুলে পুরোনো ক্যাসেট প্লেয়ারটি চালু হয়। বেজে ওঠে গোলাম আহমেদ সোফির ঐশ্বরিক কণ্ঠ। সৃষ্টিকর্তার বন্দনা, পাশাপাশি তাঁর কাছ থেকে বিচ্ছেদের বেদনার সুরে বিমোহিত হন ফারুক। গান শোনেন আর সেলাই করেন। এটাই ফারুকের নিত্যদিনের রুটিন।

এই দৃশ্যপট ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের শ্রীনগর শহরের। সেখানেই ফারুকের সেলাইয়ের ছোট দোকান। স্থানীয় সুফি গানের দারুণ ভক্ত তিনি। ফারুকের দাদাও সুফিভক্ত ছিলেন। দাদার কাছ থেকে এ গুণ পেয়েছেন তিনি। সেই সত্তরের দশকে ফারুকের দাদা ক্যাসেট প্লেয়ার কিনেছিলেন। সুফি গানের ফিতা সংগ্রহ করতেন। ক্যাসেট চালিয়ে পছন্দের সুফি গান শুনতেন।

নিজের দরজির দোকানে ক্যাসেট প্লেয়ারে সুফি গান শুনতে শুনতে সেলাইয়ের কাজ করেন ফারুক আহমাদ শাকসাজ.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল কিশোর

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নয়মাইল বাজার এলাকায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ (১৪) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছে। বুধবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

তাজ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জের গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে মোটরসাইকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়েছিল তাজ। বিকেলে নয়মাইল এলাকায় তাদের মোটরসাইকেল পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই মোটরসাইকেলের চার আরোহী গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাজকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। রাজশাহী নেওয়ার পথে আলমডাঙ্গা উপজেলার রোয়াকুলি এলাকায় রাত ৮টার দিকে সে মারা যায়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে তিনজন। তারা চিকিৎসাধীন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ