নুসরাত ফারিয়া অভিনীত ভৌতিক ঘরানার সিনেমা ‘জ্বীন-৩’। ঈদুল ফিতরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এটি। সুমন নামে একটি ছেলেকে নিয়ে সিনেমাটির গল্প এগিয়েছে। এটি নির্মাণ করেছেন কামরুজ্জামান রোমান।

রহস্য, ভয়ের আবহ আর অতিপ্রাকৃত অভিজ্ঞতায় মোড়া এ সিনেমার দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছে বেশ কিছু গা ছমছমে লোকেশনে। ফলে শুটিংয়ের সময়ে অজানা আতঙ্ক কাজ করেছে নুসরাত ফারিয়ার মনে।

নুসরাত ফারিয়া বলেন, “প্রতিদিন দোয়া পড়ে শুটিং সেটে যেতাম, আবার বাসায় ফিরে দোয়া পড়ে নিতাম। আল্লাহকে বলতাম, উল্টাপাল্টা কোনো কিছু যাতে না ঘটে।”

আরো পড়ুন:

শাকিবের আইটেম কন্যা নুসরাতের ঈদটা স্পেশাল

প্রকাশ্যে ‘চাঁদ মামা’, নেটিজেনরা বলছেন ‘আগুন’

শুটিংয়ে অভিজ্ঞতা জানিয়ে নুসরাত ফারিয়া বলেন, “যখন শুটিংয়ে যেতাম, তখন মনের ভেতরে একটা ভয় কাজ করত। কারণ যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। আমরা শুটিং করেছি শতবর্ষী একটি পুরোনো বড় গাছের নিচে। সেখানে অপমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। কেউ গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন, আবার পাশে রয়েছে শ্মশান।”

বিপদ এড়াতে ওড়নার নিচে রসুন রাখতেন নুসরাত ফারিয়া। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার টিমের সদস্যরা বিশেষ করে, হেয়ার স্টাইলিস্ট, মেকআপম্যান আমাকে নিয়ে খুব চিন্তিত ছিলেন। শুটিংয়ে যাওয়ার আগে তারা রীতিমতো দোয়া পড়ে ফুঁ দিয়ে দিতেন। কামিজের ওড়নার নিচে একটা রসুন দিয়ে রাখতাম বা কিছু একটা দিয়ে রাখতেন, যেন কোনো ধরনের খারাপ কিছু ঘটে।”

ঈদুল ফিতরের দিন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘জ্বীন-৩’ সিনেমা। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন আব্দুন নূর সজল। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ফারিয়া। সিনেমাটির ‘কন্যা’ শিরোনামের গান শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে।

ঢাকা/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর চলচ চ ত র

এছাড়াও পড়ুন:

আবার বিতর্কে মরিনিও, এবার টিপে দিলেন প্রতিপক্ষ কোচের নাক

জোসে মরিনিও ও বিতর্ক—সমার্থক শব্দই হয়ে গেছে। পর্তুগিজ তারকা কোচ সর্বশেষ বিতর্কে জড়ালেন গতকাল রাতে টার্কিশ কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে। ঘরের মাঠে উত্তপ্ত এক ইস্তাম্বুল ডার্বিতে গালাতাসারাইয়ের কাছে ২–১ গোলে ফেনেরবাচের হেরে যাওয়ার পর মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি মরিনিও। দৌড়ে গিয়ে গালাতাসারাই কোচের নাক দুই আঙুল দিয়ে চেপে ধরেন চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী এই কোচ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গালাতাসারাই কোচ ওকান বুরুকের পেছনে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে নাক ধরছেন মরিনিও। এরপর বুরুক মুখে হাত দিয়ে মাটিতে পড়ে যান। এ সময়ে মরিনিওকে সরিয়ে নেন অন্যরা।

ঝামেলা ম্যাচেও কম হয়নি। ফেনেরবাচে স্টেডিয়ামের এই ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন তিনজন খেলোয়াড়। তাঁদের দুজন গালাতাসারাইয়ের, একজন ফেনেরবাচের। তিনজনই লাল কার্ড দেখেছেন ৯০ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পর যোগ করা সময়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে।

এমন উত্তপ্তই ছিল ফেনেরবাচে–গালাতাসারাই ম্যাচটি

সম্পর্কিত নিবন্ধ