সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরসহ সিলেট অঞ্চলের সকল শুল্ক স্টেশন ১২ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। 

একই সময়ে তামাবিল, শেওলা, সুতারকান্দি, ভোলাগঞ্জ ও জকিগঞ্জ শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। সব কয়টি বন্দরের সঙ্গে মিল রেখে এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল থেকে ফের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হবে।


শনিবার (২৯ মার্চ) যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে জানিয়ে তামাবিল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘‘পাথর আমদানিকারক গ্রুপ আমাদের একটি চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, তারা আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রাখবে। আমাদের সরকারি বন্ধ যেটা সেটাই। তাদের চিঠির আলোকে বলা যায়, আমদানি কার্যক্রম ২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।”

ঢাকা/নূর/এস

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর আমদ ন

এছাড়াও পড়ুন:

টানা ৯ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ও সাপ্তাহিক ছুটিতে টানা নয়দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে। তবে স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত ভ্রমণকারীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।

শুক্রবার বিকেলে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক রেজাউল করিম শাহীন ৯ দিন বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে সমকালকে বলেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভারত, নেপাল ও ভূটানের মধ্যে টানা ৯ দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ঈদ উদযাপনের জন্য বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ এলাকায় চলে যাবেন। অন্যদিকে আমদানিকারকরা ঈদের ছুটি পাচ্ছেন, ফলে এই সময়ে কোনো পণ্য খালাস করা হবে না। আবার আগামী ৬ এপ্রিল বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিসহ সব ব্যবসা কার্যক্রম চালু করা হবে।

বাংলাবান্ধা  ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক ফিরোজ কবীর জানান, ঈদের ছুটিতে বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। এই সময়ে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত ভ্রমণকারীদের যাতায়াত কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • টানা ৯ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে